a
ফাইল ছবি । মোসলেমা পারভীন
আজীবন নিমজ্জিত
মোসলেমা পারভীন
তুমি আমার সামনে থেকে
সব সুন্দর মুছে দিতে পারো,
সরিয়ে নিতে পারো সুন্দর,
ঢেকে দিতে পারো আঁধারে,
তবু আমার দুচোখ খুঁজে নেবে সুন্দর।
সুন্দরকে দেখার যে চোখ,
যে মন ও মনন,
সে আমারই থেকে যাবে আজীবন—
অন্ধ বধির তো হয় মন,
দৃষ্টি কিংবা শ্রবণ নয়।
যে মন যে চোখ চিরকাল
খুঁজে ফেরে সুন্দর
সে আঁধারেও সুন্দরের দেখা পায়!
আঁধারের সৌন্দর্য তো
কেড়ে নেয়া যায়না!
অতল আঁধারে ডুবে দেখেছো কোনদিন?
চেয়ে দেখেছো কি কখনও, কোন সুন্দর
লুকানো সেখানে?
ভালোবাসা সুন্দর,
ভালোবেসে সুন্দরকে খুঁজে দেখেছো কখনও?
সৃষ্টি সুন্দর, ভালোবাসাই সৃষ্টি,
ভালোবাসায় সুন্দরের সৃষ্টি।
যে চোখে, যে মনে ভালোবাসা থাকেনা
সে চোখে, সে মনে সুন্দর অপসৃয়মান।
মমতার আর্দ্রতা ছাড়া
কোন সুন্দর সৃষ্ট হয়নি কোনদিন!
আমার পৃথিবী চিরকাল সুন্দর,
আমার আকাশ চিরকাল কথা কয়।
মানুষ যখন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে
আমার আদিগন্ত আকাশ,
আমার সুষ্ময় পৃথিবী
আর্দ্রতায় স্নিগ্ধ করে রেখেছে আমাকে।
আমি আজীবন নিমজ্জমান
অন্তঃহীন সুন্দরের সমুদ্রে।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: জনগণ চেয়েছিল ছাত্ররা সংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নের জন্য প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাদেরকে মন্ত্রণালয় বা সচিবালয় ও অফিস আদালতে অর্থ আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে।
গত ৮ মাস ধরে সংস্কার বা নতুন সংবিধান বা বিধিমালা পরিবর্তনের কোন অগ্রগতি নেই বরং গণহত্যার বিচার যাতে বিলম্বিত হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে,অর্থ লেনদেনের খবর প্রকাশিত। তাই সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে, আদৌ কি সংস্কার বা বিচার হবে?
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর নিয়োগকর্তা ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপিকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। জামাত শিবির এই ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করছেন বা করবে। সূত্র: ফেরদৌস খান, ফেসবুক
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের দেয়াল থাকবেনা।
তিনি বলেন, ‘বলা হয়ে থাকে, শিক্ষা জীবনব্যাপী। যে কোনো সময় যে কোনো মানুষ শিক্ষায় ব্রতী হতে পারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের মানুষের অর্থে চলে। তাহলে এখানে এত প্রতিবন্ধকতা কেন? পড়াশোনার ক্ষেত্রে গ্যাপ থাকা যাবে না, নির্দিষ্ট বয়সে আসা যাবে না... এত প্রতিবন্ধকতা কেন? এই দেয়ালগুলো তুলে দিতে হবে।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দীপু মনি বলেন, ‘যে কোনো বয়সে যে কোনো মানুষের শিক্ষার অধিকার আছে। সে কিন্তু পরীক্ষা না দিয়ে ভর্তি হবে না। পরীক্ষা দিয়ে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে এখানে আসবে। তার বয়স কুড়ি না পঞ্চাশ, তা বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। আমরা যারা বিদেশ থেকে শিক্ষা নিয়েছি, এ রকম প্রতিবন্ধকতা থাকলে অনেকেই এই সুযোগ পেতাম না।’
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পাচঁ-ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আমাদের দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে এসেছে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের অর্থ সাশ্রয় ও হয়রানি কমানোর জন্য এটি প্রয়োজন। আমরাই তো সারাক্ষণ পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের দিকে তাকিয়ে থাকি। তারা যদি একটা পরীক্ষা দিয়ে হার্ভার্ডে, এমআইটিতে বা কমিউনিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে, তাহলে আমাদের গুচ্ছ পরীক্ষার মান নিয়ে এত প্রশ্ন কেন?’ সূত্র: যুগান্তর