a
জেবুন নাহার, ৮৯ ব্যাচ । ফাইল ছবি
আজ একটু আধটু বৃষ্টি হয়েছে,
তার থেকেও বেশী ছিল দমকা বাতাস।
জানালার শার্সির ঝনাৎ ঝনাৎ শব্দ,
টুপটাপ বৃষ্টি, নিঝুম প্রহর,
আবছায়া অস্পষ্ট আলোতে তোমার উপস্থিতি,
ঘুম ভাঙ্গা চোখে, ঘোরের মোহে, পিছনে ফেলে আসা স্মৃতিগুলোর মাদকতায়
ডুব সাঁতারে খুঁজে পাই আমি তোমার উষ্ণ আবেশ।
যে উষ্ণতায় আমার পঙক্তিমালা হৃদয় ছুঁয়ে যায়,
যে উষ্ণ আবেশে হিমশীতল অনুভূতিগুলো
উন্মাতাল হয়ে উঠে,
ভালোবাসার আবীর মেখে উষ্ণ রোদ্দুরের গল্পকথায় তোমার শিশিরসিক্ত, বৃষ্টিস্নাত ভালোবাসার আবির্ভাব,
যে ভালোবাসায় বৃষ্টি আর সূর্যের রশ্নি জানিয়ে দেয় রংধনুর সৃষ্টি।
রংধনুর সাতটি রং এ রাঙিয়ে প্রজাপতির ডানায় ভর করে কল্পনা হয়ে আসো তুমি আমার কাছে ।
সেই কল্পনার পাতাঝরা পথে আমি হাঁটি,
খসে পড়া পাতাগুলোর মৃদু সুবাতাস,
অরুন্ধতির আলোর কাছে তাই আমার অসময়ের ঋণ,
তোমাকে আঁকড়ে ধরে থাকি শক্ত শেকড়ে।।
সিদ্দিকী নাজমুল আলম
সবাই আমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিয়েন। বাঁচবো কি না জানি না, তবে এই চরম মুহূর্তে কিছু সত্য কথা বলে যাই। আমি রাজনীতিটা একমাত্র দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে মেনেই করতাম এবং করি। কোনদিন তার বাইরে যাইনি। সাবেক অনেক বড় ভাইদের কথায় আমি কখনও চলিনাই। বরং পেছনের সারির অনেককে নেতা বানাইছি নিজের ইচ্ছায়। আর প্রেম করেছিলাম কিন্তু মানিয়ে নিতে পারিনি তাই বিয়ে হয়নি। আর শেষ কথা হলো বাংলাদেশে কোনো ব্যাংকে আমার নামে এক পয়সাও লোন নাই এবং লোনের কোন টাকা বিদেশেও নিয়ে আসিনি। তদবির, ঠিকাদারি, দালালি ও পদ বানিজ্য কখনও করিনি। লন্ডনে গায়ে খাঁটি জীবনে যে কাজ করিনি তা করে জীবন যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম কিন্তু আমার কপাল ভালো না।
কিছুক্ষণ আগেই আমার এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে অনেকগুলো ব্লক ধরা পড়েছে ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হবে হয়তোবা, আজকালের মধ্যেই করবে।
সরকারি হাসপাতালেই করবে কারণ এই দেশে চিকিৎসা ফ্রি তাই আর কেউ কষ্ট কইরা ভুল তথ্য দিয়েন না- যে কোটি টাকার অপারেশন। যদি মরে যাই একটাই কষ্ট থাকবে নিজের দলের মানুষের প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছে বারবার আমার নামে। আর আফসোস হয়তোবা বড় কোন ভাই আমার নামে অনেক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার নেত্রীর কান ভারী করে রেখেছে, সেই ভুলগুলো হয়তো ভাঙিয়ে যেতে পারলাম না। আপা আপনিই আমার মমতাময়ী জননী, স্নেহময়ী ভগিনী।
আপনাকে অনেক ভালোবাসি ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। সবাই ভালো থাকবেন আপনাদের আর যন্ত্রণা দিবো না।
এস এন আলম, বার্থ হাসপাতাল(এনএইচএস), লন্ডন
১৮-০৬-২১। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা পিয়াল দাস অনুপ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানবতার সেবায় সর্বদা এগিয়ে। যেকোনো দুর্যোগ ও মহামারি মোকাবেলায় ছাত্রলীগের সূর্য সন্তানরা মানুষের পাশে থেকেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ক্ষুধা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সর্বদা নিয়োজিত।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সূযোগ্য সভাপতি অাল নাহিয়ান খান জয় ভাই ও বিচক্ষণ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশে মানুষের জন্য কাজ করে যাবো প্রতিটি নেতাকর্মী। শিক্ষা,শান্তি আর প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
এ করোনার মহামারীতে মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা অন্য কোন সংগঠন করেনি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।