a
জেবুন নাহার, ৮৯ ব্যাচ । ফাইল ছবি
আজ একটু আধটু বৃষ্টি হয়েছে,
তার থেকেও বেশী ছিল দমকা বাতাস।
জানালার শার্সির ঝনাৎ ঝনাৎ শব্দ,
টুপটাপ বৃষ্টি, নিঝুম প্রহর,
আবছায়া অস্পষ্ট আলোতে তোমার উপস্থিতি,
ঘুম ভাঙ্গা চোখে, ঘোরের মোহে, পিছনে ফেলে আসা স্মৃতিগুলোর মাদকতায়
ডুব সাঁতারে খুঁজে পাই আমি তোমার উষ্ণ আবেশ।
যে উষ্ণতায় আমার পঙক্তিমালা হৃদয় ছুঁয়ে যায়,
যে উষ্ণ আবেশে হিমশীতল অনুভূতিগুলো
উন্মাতাল হয়ে উঠে,
ভালোবাসার আবীর মেখে উষ্ণ রোদ্দুরের গল্পকথায় তোমার শিশিরসিক্ত, বৃষ্টিস্নাত ভালোবাসার আবির্ভাব,
যে ভালোবাসায় বৃষ্টি আর সূর্যের রশ্নি জানিয়ে দেয় রংধনুর সৃষ্টি।
রংধনুর সাতটি রং এ রাঙিয়ে প্রজাপতির ডানায় ভর করে কল্পনা হয়ে আসো তুমি আমার কাছে ।
সেই কল্পনার পাতাঝরা পথে আমি হাঁটি,
খসে পড়া পাতাগুলোর মৃদু সুবাতাস,
অরুন্ধতির আলোর কাছে তাই আমার অসময়ের ঋণ,
তোমাকে আঁকড়ে ধরে থাকি শক্ত শেকড়ে।।
সংগৃহীত: কৌতুক অভিনেতা রবিউল
রবিউলের পুরো নাম রবিউল আলম। দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের জনপ্রিয় ও সফল কৌতুক অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম একজন রবিউল। পেশায় ছিলেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী।
জন্মেছিলেন ৯ জুন ১৯৩৯ সালে মুর্শিদাবাদে।চ লচ্চিত্রের পর্দায় তাঁর উপস্থিতিই দর্শকদের বিনোদিত করতো। যেমন ছিল তাঁর শারিরীক গঠন, তেমনি তাঁর অঙ্গভক্তি ও সংলাপ বলার পারদর্শিতা। এক ধরনের নির্মল আনন্দ দিতো দর্শকমনে।
তাঁর অভিনয়ের অন্যতম আরেকটি গুণ ছিলো তিনি হাতির কানের মতো কান দুটোকে সংলাপ বলার তালে তালে নাচাতে পারতেন, যা ছবির পর্দায় চরম হাস্যরসের সৃষ্টি করত।
তিনি সে সময়ের সিনেমাপ্রেমি দর্শকদের মাঝে প্রসংশনীয় কৌতুক অভিনেতা ছিলেন। রবিউল অভিনীত প্রথম ছবি ফতেহ লোহানী পরিচালিত 'আকাশ আর মাটি' মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে।
চলচ্চিত্র ছাড়াও বেতার-মঞ্চ ও টেলিভিশনের এই জনপ্রিয় অভিনেতা একশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন।
তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে - তোমার আমার, জোয়ার এলো, নাচঘর, অনেক দিনের চেনা, নীল আকাশের নীচে, রাজা সন্ন্যাসী, অরুণ বরুণ কিরণমালা, সাত ভাই চম্পা, সমাপ্তি, দর্পচূর্ণ, অধিকার, কাঁচ কাটা হীরে, দীপ নেভে নাই, অশ্রু দিয়ে লেখা, বাঘা বাঙালি, আলোর মিছিল, মাসুদ রানা, পরিচয়, এপার ওপার, দোস্ত দুশমন, প্রতিনিধি, সমাধি, গুন্ডা, হাবা হাসমত, বন্ধু, অশিক্ষিত, জিঞ্জির, অভিমান, সাম্পানওয়ালা, ছুটির ঘণ্টা, যাদুনগর, আনারকলি, গাঁয়ের ছেলে, ভাঙাগড়া, রেশমী চুড়ি, লাল কাজল, বড় বাড়ির মেয়ে, ঝুমুর, রজনীগন্ধা, মৎস্য কুমারী, চোর, অভাগী অন্যতম।
১৯৮৭ সালের ১৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এই অভিনেতা।
ফাইল ফটো: বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাঁচ থেকে ছয় লাখ নারী অসম্মানিত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত, বিধবা বা নানাভাবে হয়রানি ও অপমানের শিকার হয়েছেন।
আর এসব লাঞ্ছণাকারী রাজাকার, আলবদর, আল শামসদের ১৯৭৫ সালের পর এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, তাদের গাড়িতে পতাকা ওড়ানো হয়েছে। তারা ক্ষমতায় বসে দেশকে জঙ্গিবাদে পরিণত করেছে। নারীর অবমাননাকারীরা পূনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে এলে দেশে আবারও জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে।
সোমবার ( ৮ মার্চ ) জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, প্রেস ক্লাবের প্রবীণ নারী সদস্য মাহমুদা চৌধুরী এবং নারী নেত্রী কাজী সুফিয়া আখতার।
ডা. দীপু মনি আরও বলেন, ধর্ষক বিচারের রায়ে শাস্তি পায়। আর যে নারী ধর্ষণের শিকার হন তার জন্য প্রতিদিনই মৃত্যুদণ্ড। সারাটা জীবন তাকে অস্পৃশ্য ভাবা হয়। এটা পুরোপুরি মানসিকতার ব্যাপার। আমরা ভাষা দিয়ে কীভাবে একজন নারীকে দাবিয়ে রাখি। যখন কেউ ধর্ষণের শিকার হয় আমরা বলি সম্ভ্রমহানি হয়েছে। আমাকে কুকুর কামড় দিলে তো সম্ভ্রমহানি হয় না। একটা পুরুষ ধর্ষণ করলে একটা নারীর কীভাবে সম্ভ্রমহানি হয়? সম্ভ্রমহানি তো সেই পুরুষের হওয়ার কথা। আমরা কেন ধর্ষককে সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলি না?’
সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বীরাঙ্গনাদের অনেকেই অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। তাই সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি পাঠ্যসূচিতে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র, ডকুমেন্টারি নির্মাণের সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।