a
ফাইল ছবি। মুক্তা দাশ
নাছোড়বান্দা দীর্ঘশ্বাস
একটা দীর্ঘশ্বাস !!
তোমাকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছেটা বোধহয়,
আজীবনের জন্য স্হায়ী নিবাস গাড়লো মনের মধ্যে ।
সময় সুযোগ পেলেই একটু ঢু মেরে দেখে আসি,
ঘুরে বেড়াই তোমার তালা ঝুলানো বহির্বাটি।
একবার দুবার নয়,,, দিনেরাতে মিলিয়ে অনেকবার !!
অথচ দেখ ,, তুমি আমার চোখের পাতায় পাতায় অনায়াসে চুমু দিয়েই যাচ্ছো!
শুধু কি তাই ?? মরি মরি !
লজ্জায় লাল হয়ে যাই ।
সারাক্ষণ কথায় কথায় সময় পার করছি অনায়াসে,
হাসির চেয়ে , কান্নাকাটির দখলদারিত্ব ই বেশি !
তবুও তো জড়িয়ে থাকো নিঃসংকোচে, অবলীলায়।
তোমার না থাকা জুড়েই তুমি আমার হয়ে থাকো !!
রোজকার অভ্যাস ...
তোমার আমার এহেন দাম্পত্য জীবনযাপনের !!
জানি তুমি হেসেই যাচ্ছো মনে মনে
ভাবছো--"আচ্ছা পাগলের পাল্লায় পড়লাম তো'।
সত্যি,, পাগল হয়েই গেলাম বুঝি !?
এখন আর নিজেকে চিনতে পারি না! কেমন যেনো এলোমেলো লাগে সব...!
আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান --- রবি বাবু'কে পেন্নাম না করে উপায় নেই ।
দীর্ঘশ্বাস বড় নাছোড়বান্দা , শ্বাসে শ্বাসে শ্বাসকষ্টের ব্যামো বাড়ায় ! মন্দ লাগে না।
সয়ে গেছে সব ; তবুও
গায়ের উষ্ণতা গায়ে মেখে বিশাল একটা
ধুন্ধুমার জ্বর বাঁধাতে চাই ! তুমি আলগোছে
তামাক পোড়া ভেঁজা ঠোঁটে একটু জলপট্টি দিও।
আবার দীর্ঘশ্বাস ....!!
শুধু ই তোমার জন্যে ।।
ফাইল ছবি । মফিদা আকবর
বিভ্রান্ত পথিক
মফিদা আকবর
চলেছি অদ্ভুত এক শব্দহীন শহরে।
মনে হয় ডুবে যাচ্ছি অতল গহ্বরে,
উদ্দেশ্যহীন যাত্রায় একাকী যাত্রী আমি
ট্রেনের নির্জন কামরায় বসে থাকি।
গহীন আঁধারে ট্রেন ছুটে চলে - - -
অন্যরকম ট্রেনটি শাপের মতো হিস হিস করে
এঁকেবেঁকে চলতে থাকে আপন নিয়মে
একের পর এক অচেনা স্টেশন এলে
ট্রেন থেমে যায় ধীরে ধীরে - - -
কোলাহলহীন স্টেশনগুলো আবছা আলোর
আবরণে চাপা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে জেগে থাকে।
বিকল বোধের কেমন করা এক প্রশ্ন?
বুকের ভেতর খামচে ধরে থাকে
আমি কি কখনো কারো ছিলাম?
অথবা কেউ ছিলো কি অামার?
অদ্ভুত সব প্রশ্নগুলো মনের মাঝে
জোঁকের মত কামড়ে থাকে।
অবশেষে অচেনা এক পৃথিবীতে এসে
ট্রেনটি অাবারো থেমে যায় ধীরে ধীরে - - -
অচেনা যবুথবু লোকগুলো নেমে যায়
সাদা কাফনের মতো সেলাইবিহীন বস্ত্রগুলো
ওঁদের শরীরে আবরণ হয়ে লেপ্টে থাকে।
এ সময় যে যার মত মাথা নীচু করে
ধীর পায়ে হেঁটে যায় ওঁরা কেমন করে।
অবাক হয়ে চেয়ে থাকি ওঁদের পানে।
ওঁদের সাথে দলভুক্ত হলাম কেমন করে?
মনে হয় ওঁরা বোধহীন, উদ্ভ্রান্ত।
এ কোথায় এলাম? নিজেই বিভ্রান্ত।
ফাইল ছবি
ইরানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেছেন, এবারের গাজা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে।
আজ শনিবার) 'খনেয়ে মিল্লাত' সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.) ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পরিপূর্ণ ধ্বংসে বিশ্বাস করেছিলেন। ইসরায়েলের সাথে ফিলিস্তিনিদের ১২ দিনের যুদ্ধ ইসরায়েলের ধ্বংসের সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করবে।
সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেন, মুসলিম দেশগুলোকে ফিলিস্তিনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিতে হবে। এসব দেশের সমর্থন ছাড়া প্রতিরোধ সংগ্রাম সহজে বিজয়ী হবে না।
ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কোনো মুসলিম দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশের উচিত ফিলিস্তিনিকে পূর্ণ সমর্থন প্রদান করা।
গত ১০ মে গাজা উপত্যকার উপর ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু হয় এবং তা ২১ মে পর্যন্ত চলে। এ আগ্রাসনে ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হন এবং আহত হন প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি আগ্রাসনের মোকাবিলায় দখলীকৃত ভূখণ্ডে চার হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ২১ মে মিশরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয় ইসরায়েল। এ যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম বিজয় হিসেবে গন্য করা হয়।