a
সংগৃহীত ছবি
মালতির প্রশ্ন
এম.এস প্রিন্স
তোমাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা আমি নিজেকে
পারিনা চলতে পৃথিবীর পথে।
তবে কেন রবে তুমি দূর থেকে বহু দূর?
হে কবি! এসো, মলিনি পৃথিবী লীন করি
চলি দুজনায় এক সাথে।
ভালোবাসার এক নীড়ে তোমায় ভালোবাসব-
ভালোবাসা দেব - ভালোবাসা নেব
যেন দুজনায় জোড়া কবুতর
অবাক বিশ্ব তাকিয়েই রবে -
আমরা চলব আমাদেরই মত রঙিন দুনিয়ায়।
কবির সাড়া পেলনা - গভীরের গান
শুধু সুরেই গেয়ে গেল মালতি।
কবি আজ কোথায়? কেন নীরব? প্রশ্ন তার।
মুক্তা দাশ
একটা কথা ছিলো
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা!
এতোগুলো দিন পেরোলাম
কত সকাল বাসি হলো,
দুপুরের খা খা খা রোদ্দুরে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হলাম!
বিকেল..!
একটু গা এলিয়ে যেই না বাতাসে গা ভিজাচ্ছি,
এলোচুলে হারিয়ে যাচ্ছি অন্য কোন মনে
অমনি ঝুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো উঠোনে।
বারান্দার গ্রিল এর এপাশে আমি!
এতো সব দেখি, শুনি, গায়েও মাখি...
টুকটাক মনমতো সিন্দুকে পুরেও রাখি
সবটাই লোহার গ্রিল এর এপাশে !!
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!
হাসতে ভুলে গেছি অনেক দিন,
ইটের দেয়াল কাঁপানো বকা খাওয়া হাসি..
এখন আর চাইলেও হাসতে পারি না।
লজ্জাবতী শরীর ছুঁয়েছিলে কোন এক অমৃতযোগে !
শেষ হাসিটা উধাও হলো
আত্মহত্যার অমৃতসুরা পানে ।
লজ্জাবতী’র গোলাপী আভা আজ রক্তাক্ত !
ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের এফোড় ওফোড়।
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!!
ভা...লো..বা...সি
ভা...লো....বা...সা ।।
ফাইল ছবি
চীনের পাঁচটি ফার্ম রাশিয়ার সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পকে সহায়তার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র এই পাঁচ কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি- চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর আগে ওই কোম্পানিগুলো রাশিয়ার ‘উদ্বেগজনক সংস্থাগুলোকে’ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করেছিল। হামলা শুরুর পরেও তারা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা রুশ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি অব্যাহত রেখেছে।
তবে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এসব দাবি স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন