a
সংগৃহীত ছবি
মালতির প্রশ্ন
এম.এস প্রিন্স
তোমাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা আমি নিজেকে
পারিনা চলতে পৃথিবীর পথে।
তবে কেন রবে তুমি দূর থেকে বহু দূর?
হে কবি! এসো, মলিনি পৃথিবী লীন করি
চলি দুজনায় এক সাথে।
ভালোবাসার এক নীড়ে তোমায় ভালোবাসব-
ভালোবাসা দেব - ভালোবাসা নেব
যেন দুজনায় জোড়া কবুতর
অবাক বিশ্ব তাকিয়েই রবে -
আমরা চলব আমাদেরই মত রঙিন দুনিয়ায়।
কবির সাড়া পেলনা - গভীরের গান
শুধু সুরেই গেয়ে গেল মালতি।
কবি আজ কোথায়? কেন নীরব? প্রশ্ন তার।
ফাইল ছবি । মুক্তা দাশ
যে কথা বলা হলো না
কত কি বলার জন্য মনের ভিতর খৈ ফুটে...
ছোট ছোট কথা,, অনেকটা বিন্নির খৈ এর মতো
বড্ড আদুরে ! রেশমী সুতোয় বোনা প্রেম
বড় বেশি স্পর্শকাতর !
কতো কিছুই তো বলা হয়ে উঠে না সাহসী স্পর্ধায়...,
অভিমানী মহড়া,, নিয়মমাফিক স্যালুট ঠুকে যায়।
তুমি তো আবার ভার্চুয়াল মানব,
মেজাজ মর্জি মাফিক তোমার আসা-যাওয়া
চাওয়া পাওয়াও তোমার ইচ্ছে মাফিক..!
আমি নিতান্তই ভালোবাসার পাগল...
তোমার যেমন ইচ্ছে খেলার পুতুল।
হঠাৎ হঠাৎই উবে যাওয়া প্রেম জাগিয়ে তোলাে... নিভু সলতের ডগায়।
দপ করে জ্বলে উঠে আগুন !
হ্যা,, আগুন !! দাউ দাউ জ্বলে উঠে আগুন... !!!
তুমি পোড়াও,,, আমি পুড়ি ।
সেকেলে তুমি আজ শিক্ষিত ভার্চুয়াল
সভ্যজন নানাবিধ শিক্ষাদীক্ষায় তোলপাড় মস্তিষ্কের অলিগলি।
আমার শিক্ষা ? কেবলি জং ধরা সার্টিফিকেট !
আজও চলনসই সভ্য হয়ে উঠতে পারিনি,
হোচট খাই বারবার
আগুন জ্বেলে আগুনে পোড়াই নিজেরে....
কেনো পুড়ি ?? কেনো পোড়াই নিজেরে??
কেনো পোড়া ছাই গায়ে মেখে জ্বলে উঠি?
নষ্ট মেয়ের তকমা জড়িয়ে রাখি সারা গায় !?
আজও উত্তর খুঁজে বেড়াই ।
কথার খৈ ফুটে...
ঠেউ খেলে যায় বুকের আনাচে-কানাচে ;
কাঠকয়লার পোড়া ছাই বনে ...!
বুনো ঘাসে ঘাসফুল উঁকি দিয়ে ঝুঁকি বাড়ায়...
জীবন যৌবনের একচেটিয়া চাওয়া - পাওয়ার।
পাছে হারিয়ে ফেলি তোমায় ! ভয় হয় !!
সিন্দুকে সযত্নে তুলে রাখি প্রেম।
পূজার ছলে ধূপ দীপ জ্বালি, দেই পুষ্পাঞ্জলি ...
চোখের নোনা জলে ।।
ফাইল ছবি: ইরাকে টাইগ্রিস নদীর পানি কমে হঠাৎ জেগে উঠা শহরটির ছবি
শহরটি প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বছরের পুরাতন। তবে এত দিন পানির নিচে ছিল পুরো শহরটি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেড়েছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। দেখা দিয়েছে তীব্র খরা। এতে টাইগ্রিস নদীর পানি কমে হঠাৎ জেগে উঠতে শুরু করেছে প্রাচীন এই শহরটি। খবর ইউরো নিউজের
ইরাকের উত্তরাঞ্চলে এতোদিন টাইগ্রিস নদীতে ডুবে ছিল প্রাচীন এ শহরটি। প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার নানা নিদর্শন ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে দেশটিতে। ওই নদীতে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় চলতি বছরের শুরু থেকে শহরটির বিভিন্ন স্থাপনা ধীরে ধীরে ভেসে উঠতে থাকে।
জার্মান ও কুর্দিশ প্রত্নতত্ত্ববিদেরা জানান, এটি প্রাচীন মিত্তানি সাম্রাজ্যের সময়কার একটি শহর। শহরটিতে একটি প্রাসাদ রয়েছে। আরও রয়েছে কয়েকটি বড় আকারের ভবন। ধারণা করা হচ্ছে, খ্রিষ্টপূর্ব ১৫৫০ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত এই শহরটিতে মানুষ বসবাস করতো।
ইরাকের এই প্রাচীন শহরের খননকাজে যুক্ত রয়েছেন জার্মানির তুবিনজেন ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি ইরাক। দেশটির মসুল অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে উষ্ণ আবহাওয়া ও বাড়তি তাপমাত্রা বজায় রয়েছে। মসুল বাঁধের পানিও দ্রুত কমছে। এর জের ধরে টাইগ্রিস নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মসুল–সংলগ্ন স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের কিমুনেতে অবস্থিত ব্রোঞ্জ যুগের প্রাচীন এই শহরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
কুর্দিস্তান আর্কিওলজি অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ কাসিম, জার্মানির ফ্রেইবুর্গ ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদ ইভানা পুলজিজি ও জার্মানির তুবিনজেল ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদ পিটার পিফেলজনার ইরাকে ভেসে ওঠা প্রাচীন এই শহর নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। তাঁদের দলের যৌথ উদ্যোগে খননকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রত্নতত্ত্ববিদেরা বলছেন, ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল প্রাচীন শহরটি। সেটাও ১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দিকে। পরে ধীরে ধীরে আস্ত শহরটি টাইগ্রিসে তলিয়ে যায়। এখন আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগের (খরা) কারণে ডুবিয়ে যাওয়া শহরটি আস্তে আস্তে জেগে উঠতে শুরু করেছে। সূত্র: প্রথম আলো