a
ফাইল ছবি । মুক্তা দাশ
যে কথা বলা হলো না
কত কি বলার জন্য মনের ভিতর খৈ ফুটে...
ছোট ছোট কথা,, অনেকটা বিন্নির খৈ এর মতো
বড্ড আদুরে ! রেশমী সুতোয় বোনা প্রেম
বড় বেশি স্পর্শকাতর !
কতো কিছুই তো বলা হয়ে উঠে না সাহসী স্পর্ধায়...,
অভিমানী মহড়া,, নিয়মমাফিক স্যালুট ঠুকে যায়।
তুমি তো আবার ভার্চুয়াল মানব,
মেজাজ মর্জি মাফিক তোমার আসা-যাওয়া
চাওয়া পাওয়াও তোমার ইচ্ছে মাফিক..!
আমি নিতান্তই ভালোবাসার পাগল...
তোমার যেমন ইচ্ছে খেলার পুতুল।
হঠাৎ হঠাৎই উবে যাওয়া প্রেম জাগিয়ে তোলাে... নিভু সলতের ডগায়।
দপ করে জ্বলে উঠে আগুন !
হ্যা,, আগুন !! দাউ দাউ জ্বলে উঠে আগুন... !!!
তুমি পোড়াও,,, আমি পুড়ি ।
সেকেলে তুমি আজ শিক্ষিত ভার্চুয়াল
সভ্যজন নানাবিধ শিক্ষাদীক্ষায় তোলপাড় মস্তিষ্কের অলিগলি।
আমার শিক্ষা ? কেবলি জং ধরা সার্টিফিকেট !
আজও চলনসই সভ্য হয়ে উঠতে পারিনি,
হোচট খাই বারবার
আগুন জ্বেলে আগুনে পোড়াই নিজেরে....
কেনো পুড়ি ?? কেনো পোড়াই নিজেরে??
কেনো পোড়া ছাই গায়ে মেখে জ্বলে উঠি?
নষ্ট মেয়ের তকমা জড়িয়ে রাখি সারা গায় !?
আজও উত্তর খুঁজে বেড়াই ।
কথার খৈ ফুটে...
ঠেউ খেলে যায় বুকের আনাচে-কানাচে ;
কাঠকয়লার পোড়া ছাই বনে ...!
বুনো ঘাসে ঘাসফুল উঁকি দিয়ে ঝুঁকি বাড়ায়...
জীবন যৌবনের একচেটিয়া চাওয়া - পাওয়ার।
পাছে হারিয়ে ফেলি তোমায় ! ভয় হয় !!
সিন্দুকে সযত্নে তুলে রাখি প্রেম।
পূজার ছলে ধূপ দীপ জ্বালি, দেই পুষ্পাঞ্জলি ...
চোখের নোনা জলে ।।
সোনিয়া হক
এলেবেলে লেখা
------------------------
পঞ্চাশ বছর বয়সে আজো হিংসা গেলোনা,
ছেলে পেলে বড় করেও
নিজেরা আজও বড় হলাম না।
একের ভালো দেখতে নারি
সময় কাটাই পরচর্চা করি,
অন্যের ছিদ্র খুঁজতে ভুলি
নিজের কাপড় গেছে খুলি।
অপরে যা করলে মন্দ,
নিজের বেলায় নেইকো গন্ধ ,
এ'সবেতে লাভ কিছু নাই,
নিজের বা'কাধ হয় যে বোঝাই।
আমার নামে যত খুশি মন্দ বলো,
আখেরাতে তোমার পূণ্য আমার হলো।
আমি কি তা আমি জানি,
কে কী বলে কী এসে যায়
আমার রাজ্যে আমিই রানী।
প্লিজ লক্ষ্য করে বয়সটাকে
সামলে রাখো ঈর্ষাটাকে,
অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়ে
নিজেই মরবে তাতে পড়ে।
ফাইল ছবি: বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন
এনবিআর শুধু রাজস্ব আদায় করবে, আর নীতি কৌশল তৈরিতে আলাদা কমিশন গঠন করা হবে। এনবিআর সংস্কার কমিটি এমনটাই চাচ্ছে। তাদের যুক্তি, এতে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের কারণে হয়রানির হাত থেকে করদাতা মুক্তি পাবেন করদাতা এবং তাতে বাড়বে রাজস্ব আদায়।
ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ক্ষমতা কমছে। এটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশের জোগান দেয়। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করে ভ্যাট, ট্যাক্স ও শুল্ককর। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) অধীন একটি সংস্থা এনবিআর। সংস্থাটি একই সঙ্গে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন করে ও রাজস্ব আহরণ করে। আর আইআরডির সচিবই পালন করেন এনবিআরের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এনবিআর সংস্কার কমিটির সুপারিশ হলো এনবিআরের কাজ হবে শুধু রাজস্ব আদায় করা।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও এনবিআর সংস্কার কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, এনবিআরের যিনি প্রধান হবেন তিনি শুধু এনবিআর নিয়েই কাজ করবেন। তিনি এসআরও জারি, অর্থ আইন তৈরি করবেন না। এসব কাজ অন্য কেউ করবেন।
অন্যদিকে, ভ্যাট, ট্যাক্স শুল্ক সংক্রান্ত নীতি গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে রাজস্ব নীতি আলাদা বিভাগের হাতে। এর প্রধান হবেন সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।
পাশাপাশি এনবিআর, অর্থ, বাণিজ্য, শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ ১৫ থেকে ১৬ সদস্যের একটি স্থায়ী উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। কমিশন যত নীতি গ্রহণ করবে, তা অবশ্যই ওই কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন হতে হবে। পরে তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে এনবিআর।
সূত্র: বিডি প্রতিদিন