a
সংগৃহীত ছবি
বিভিন্ন খাবারে এলাচ মশলা হিসেবে ব্যবহার হলেও এলাচের রয়েছে বহু অসুখ নিরাময়ের অনেক গুণ। নীচে আমরা জেনে নিই এলাচের সেই গুণাগুণ সম্পর্কে-
১। সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় এই এলাচ। চায়ের সঙ্গে মধু মেশানো এলাচ খেলে কমে সর্দি-কাশির উপদ্রব।
২। নিয়মিত এলাচ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
৩। এলাচ ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৪। এলাচের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকে ছাপ, বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়।
৫। মুখের দুর্গন্ধ হাত থেকে বাঁচতে মুখে রাখুন দু-তিনটে এলাচ।
৬। নিয়মিত এলাচ খেলে কমতে পারে ক্যানসারের সম্ভবনা।
৭। মুখের ঘা, মাড়ির ক্ষত ইত্যাদিতে এলাচ অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে।
ছবি সংগৃহীত
চোখ জোড়া মায়া হরিণ
চোখ জোড়া মায়া হরিণ,
কেশর যেনো অমাবস্যার রাত।
শ্যাম বর্ণের মানুষরা গল্পেই সুন্দর,
কাব্য ছাড়া তারা যেনো অনাথ।
তার মুখে চাই না গো কেহো,
ত্বকে যার কালচে ভাব।
তাকে নিয়েই কটু কথার,
হয় নাকো অভাব।
ঠোঁটে তার হাসিই থাকে,
চোখের কোণে নদীর ঢ্ল।
এই পৃথিবীটা ভালোবাসা বিহীন ,
যদি না থাকে শ্যামবর্ণের মানুষের দল।
মায়া ভরা চাহনি তোমার
মায়া ভরা চাহনি তোমার
চশমার ফ্রেমে ড্রাগর চোখ।
দাঁতগুলো মুক্তার মতো
কারুকাযে অঙ্গ বিভোর!
কালো, ধলো শুধু বাইরের রঙ
মনের মায়ায় যদি লেগে যায়,
আর কেন দেরি নৌকায় উঠো
পাল তুলে যাবো ঐ.. দূরের গাঁয়।
ফাইল ছবি
‘সুস্থ-স্বাভাবিক নয় এমন এক শিশু’র ঘোষণায় রাজনৈতিক দল গঠন হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
এরশাদপুত্র শাহাতা জারাব এরিকের 'কমিটি ঘোষণা' প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল গঠনের আইন ও নীতিমালা রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা রওশান এরশাদের সঙ্গে কথা না বলেই তাকে জাপার চেয়ারম্যান ঘোষণার খবর প্রকাশ কতটা যুক্তিযুক্ত তা বিবেচনা করতে হবে।’
জাপার প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য পণ্য বিতরণ ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।
উল্লেখ্য, গত বুধবার এরশাদপুত্র শাহাতা জারাব এরিক তার সৎ মা বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে জাপার চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। তার মা তথা এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক এবং বড় ভাই রাহগির আল মাহীকে (সাদ এরশাদ) কো-চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন এরিক। তার এই ঘোষণায় রাজনীতিতে কৌতুহল সৃষ্টি করে।
তবে বুধবার রাতেই রওশন এরশাদ ও তার ছেলে সাদ এরশাদের বরাতে জাপার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা এই ঘোষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। চেয়ারম্যান পদ পেতে আগ্রহী নন রওশন এরশাদ।
জিএম কাদের অভিযোগ করেন, রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান ঘোষণার খবর প্রকাশের আগে তার সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল গণমাধ্যমের।
এরশাদের মৃত্যুর পর জাপার নেতৃত্বে আসা জিএম কাদের বলেন, ‘রওশন এরশাদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। রওশন এরশাদ স্পষ্ট করে বলেছেন চেয়ারম্যান হওয়ার ইচ্ছা তার নেই। বরং জাপাকে শক্তিশালী করতে জিএম কাদেরের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।’