a
সংগৃহীত ছবি
বিভিন্ন খাবারে এলাচ মশলা হিসেবে ব্যবহার হলেও এলাচের রয়েছে বহু অসুখ নিরাময়ের অনেক গুণ। নীচে আমরা জেনে নিই এলাচের সেই গুণাগুণ সম্পর্কে-
১। সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় এই এলাচ। চায়ের সঙ্গে মধু মেশানো এলাচ খেলে কমে সর্দি-কাশির উপদ্রব।
২। নিয়মিত এলাচ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
৩। এলাচ ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৪। এলাচের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকে ছাপ, বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়।
৫। মুখের দুর্গন্ধ হাত থেকে বাঁচতে মুখে রাখুন দু-তিনটে এলাচ।
৬। নিয়মিত এলাচ খেলে কমতে পারে ক্যানসারের সম্ভবনা।
৭। মুখের ঘা, মাড়ির ক্ষত ইত্যাদিতে এলাচ অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে।
ফাইল ছবি
উচ্চ রক্ত চাপের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শুধু ভারতেই প্রতি বছর ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় আক্রান্ত হন। উচ্চ রক্ত চাপের অন্যতম প্রধান কারণ মানসিক চাপ। এ ছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত খাওয়ার অভ্যাস, নিয়মহীন জীবনযাপনও উচ্চ রক্ত চাপের কারণ।
উচ্চ রক্ত চাপের নিয়ন্ত্রণে না রাখলে স্ট্রোক বা হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোত্তম উপায় হল প্রতিদিনের খাওয়া-দাওয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা। কম চর্বিযুক্ত খাবার, ফলমূল, শাকসব্জি বেশি বেশি করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোল।
রক্তচাপের নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিম্নের খাবারগুলো খেতে হবে:
বিটের রস:
ধমনী শিথিল রেখে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে বিটের রস। প্রতিদিন ২৫০ মিলি বিটের রস পান করলে উচ্চ রক্ত চাপের আশঙ্কা অনেকাংশ কমে যায়।
পিঁয়াজ:
প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সমৃদ্ধ পিঁয়াজ রক্তনালী প্রসারিত করে। এটি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া পিঁয়াজের ত্বকে রয়েছে কোয়ারসেটিন, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
কলা:
পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়ার অভ্যাস করলে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে স্থায়ীভাবে। সূত্র:বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পিসিআর ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে মাত্র ৪ মিনিটেই করোনা পরীক্ষার সঠিক ফলাফল পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছে চীনের সাংহাইয়ের ফুডান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। কোভিড প্যাথোজেন নামে ডাকা হচ্ছে এই পরীক্ষাকে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাময়িকী নেচার বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রকাশিত একটি প্রকাশনা পর্যালোচনায় গবেষক দল বলেছেন, একটি সমন্বিত ও হালকা প্রোটোটাইপ ডিভাইসে সার্স-কভ-২ শনাক্তে একটি ইলেক্ট্রমেকানিক্যাল বায়োসেনসর প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে মাত্র ৪ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে আরএনএ ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে।
তারা আরও জানায়, কোভিড-১৯ ল্যাব পরীক্ষায় যে পরিমাণ সময় খরচ হয়, তা কমিয়ে আনতে পারবে নতুন এই পরীক্ষার মাধ্যমে। সোয়াব থেকে জিনগত উপকরণ বিশ্লেষণে এতে মাইক্রোইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করা হয়েছে।
মহামারি পরীক্ষায় চীনা গবেষকদের এই পদ্ধতি দ্রুত, সহজসাধ্য, অতি স্পর্শকাতর ও বহনযোগ্য। সাংহাইয়ের করোনায় আক্রান্ত ৩৩ অধিবাসীর নমুনা নিয়ে এই পদ্ধতির পরীক্ষা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের নমুনার পিসিআর পরীক্ষাও করা হয়েছে।
পিসিআর পরীক্ষার মতোই নতুন এই পদ্ধতিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফলাফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় আরও ৫৪ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যাদের করোনা না থাকলেও জ্বর ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ছিল। এতে কোনো ভুল ফলাফল আসেনি।