a আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মরক্কোর কাছে হেরে গেল ব্রাজিল
ঢাকা শনিবার, ২৭ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মরক্কোর কাছে হেরে গেল ব্রাজিল


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩, ১০:২৮
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মরক্কোর কাছে হেরে গেল ব্রাজিল

ফাইল ছবি

কাতার বিশ্বকাপে হতাশাজনক বিদায়ের পর ঘোর এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি পাঁঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বিশ্বকাপের পর প্রথমবার মাঠে নেমেও তারা মরক্কোর কাছে হেরে গেল।

রবিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৪টায় তাঞ্জিয়ারে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় দু’দল। ম্যাচের শুরু থেকেই তুলনামূলক বেশি গতিসম্পন্ন ছিল মরক্কো। ব্রাজিলিয়ানদের থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুতই তারা আক্রমণে উঠছিল বারবার। এতে ম্যাচের মাঝপথে দু’দলের খেলোয়াড়রা একাধিকবার ঝামেলাও বাঁধিয়েছে। অবশ্য ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। ১৩ মিনিটে লুকাস পাকুয়েতার থ্রু বল পেয়ে কাছ থেকেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রনি।

মিনিট দশেক পর মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর ভুলে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল ব্রাজিল। আন্দ্রে সান্তোসের শট এগিয়ে আসা বুনুর হাত ফসকে পেছনে গোলমুখের দিকে চলে যাচ্ছিল। শেষমুহূর্তে পেছনে গিয়ে বল নিয়ন্ত্রনে নেন তিনি। এর দুই মিনিট পরই অবশ্য বল জালে পাঠান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তবে আক্রমণ তৈরির সময় অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়।

২৯ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় মরক্কো। বিলাল এল খাননুসের কাছ থেকে বল নিয়ে দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন বুফাল। ৩৬ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ ছিল রদ্রিগোর সামনে। নেইমারের অনুপস্থিতিতে দশ নম্বর জার্সি পরা এই ফরোয়ার্ড শট লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হন।

পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়ার্ধে নেমেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ব্রাজিল। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে পৌঁছে তাদের অপেক্ষা পালা। তবে এতে মরক্কো গোলরক্ষকেরও ভূমিকা ছিল। তার ভুলের সুবাদে বক্সের বাইরে বল কয়েক পা ঘুরে অধিনায়ক ক্যাসেমিরোর কাছে যায়। তার শট বুনুর নাগালেই ছিল। ঝাঁপিয়ে বলের নাগাল পেলেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি মেনেজেসের দল। মরক্কোর আক্রমণ আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে ৭৯ মিনিটে ওয়ালিদ ছেদদিরার কাছ থেকে বল পেয়ে হাফ-ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে দেন সাবিরি। গোলরক্ষক ওয়েভারটনের দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। দীর্ঘদিন ব্রাজিলের প্রধান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের জন্য পরবর্তী গোলরক্ষকরা সুযোগ পাচ্ছিলেন না। মাঝেমধ্যে ম্যানসিটি কিপার এডারসন মাঠে নামলেও ওয়েভারটনের জন্য সেটিও অসম্ভব হয়েছিল। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মায়ামি আবারও মেসির জাদুতে জয় পেল


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩, ১০:৪৮
মায়ামি আবারও মেসির জাদুতে জয় পেল

ফাইল ছবি

মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোলের পাশাপাশি করলেন এক অ্যাসিস্টও। এতে করে লিগস কাপে প্রতিপক্ষ আটলান্টা ইউনাইটেডকে উড়িয়ে দিয়েছে ইন্টার মায়ামি। সেই সঙ্গে টানা দুই ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল তারা। 

বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। মায়ামির হয়ে জোড়া গোল করেছেন লিওনেল মেসি ও রবার্ট টেলর। ম্যাচের শেষ দিকে মায়ামির ক্রিস্টফার ম্যাকভি লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ৮৪ মিনিটের সময় আটলান্টা একটি পেনাল্টি পেলেও সেখান থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন আর্জেন্টাইন থিয়াগো আলমাদা।

ম্যাচে জোড়া গোলের সুবাদে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার মেসি ক্যারিয়ারে ৭০০-এর বেশি পেনাল্টি ছাড়া গোল করলেন। তার ক্যারিয়ারে গোল সংখ্যা এখন ৮১০টি। ইন্টার মায়ামির হয়ে ৩টি, পিএসজির হয়ে ৩২, আর্জেন্টিনার হয়ে ১০৩ ও বার্সেলোনার হয়ে ৬৭২টি গোল।

অভিষেক ম্যাচে ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে বদলি হয়ে মাঠে নামেন মেসি। তবে আটলান্টার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে মেসির কাঁধে ক্লাবের অধিনায়কত্ব তুলে দেন কোচ টাটা মার্টিনো। 

এতে করে দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর একাদশেই ছিলেন মেসি। শুরু একাদশে ছিলেন আগের ম্যাচে বদলি নামা অভিজ্ঞ সার্জিও বুসকেটসও। 

ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই ইন্টার মায়ামিকে লিড এনে দেন লিওনেল মেসি। মাঝমাঠ থেকে বুসকেটসের বাড়ানো বল ধরে একক প্রচেষ্টায় গোল করেন মেসি। এটি ছিল মায়ামির হয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গোল। গোল পেয়ে খেলার ধার আরও বেড়ে যায় মায়ামির। মুহুর্মুহু আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে আটলান্টার রক্ষণকে। যার ফল ম্যাচের ২২ মিনিটে ধরা দেয়। মাঝমাঠ থেকে বল টেনে বাঁ দিক দিয়ে ফাঁকায় থাকা রবার্ট টেলরকে পাস দেন মেসি। টেলর প্রতিপক্ষের ডি বক্সে ঢুকে ব্যাকপাসে মেসিকে দিলে সেখান থেকে দলের লিড দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক মেসি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ০৫:১৬
ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি : সামিয়া রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


গবেষণা জালিয়াতির ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। রোববার (২৬ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ঢাবির আপিল অকার্যকর বলে খারিজ করে দেন।

এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা, পাশাপাশি তাকে সকল সুযোগ-সুবিধাসহ পদ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

এছাড়াও বুদ্ধিজীবী অ্যাডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর তাদের একাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনমন ঘটে। পরে ৩১ আগস্ট সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

এছাড়াও পিএইচডি থিসিসে জালিয়াতির আরেক ঘটনায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুককে সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে অবনমন ঘটানো হয়েছে। তার ডিগ্রিও বাতিল করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। ফেসবুকের দুটি ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই তিন শিক্ষকের শাস্তি নির্ধারণে দুটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

পরে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সামিয়া রহমান।

সে রিটের শুনানি নিয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, গঠিত ট্রাইব্যুনালের নথিসহ সব কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতেও বলা হয়েছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়