a
ফাইল ছবি
ইতালিয়ান জায়ান্ট য়্যুভেন্তাস থেকে বার্সোলোনায় এসে বড়ই পাপ করেছিলেন মিডফিল্ডার মিরোলাম পিয়ানিচ। নিজেকে অসম্মানিত করেছে বার্সা কোচ কোম্যান বলে মন্তব্য করেছে সদ্য বার্সা ছেড়ে যাওয়া বসনিয়া ও হার্জেগোবিনার মিডফিল্ডার মিরালেম পিয়ানিচ।
স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম মার্কার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে শনিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) এ কথা বলেন সাবেক য়্যুভেন্তাস তারকা। অসম্মানিত হলেও বার্সায় এসে একটুও আফসোস করেন না পিয়ানিচ। মার্কার প্রশ্নের উত্তরে পিয়ানিচ বলেন, 'হ্যাঁ, এখানে আমি কোচের দ্বারা অসম্মানিত হয়েছি। তবে এখানে এসে আমি আফসোস করি না। এগুলো জীবনের অংশ। আমি সব সময় আশাবাদী, একই সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পছন্দ করি।
আমি শুধু সুযোগের অপেক্ষা করছিলাম।' বার্সার আসার পর আফসোস না হলেও তিনি বলেন, 'য়্যুভেন্তাসে আমি সুখে ছিলাম। বার্সেলোনা দুই বছর ধরে আমাকে দলে টানার চেষ্টা করেও সফল হয়নি। এরপর আরেকটি সুযোগ পেয়ে তারা সেটি লুফে নেয়।
আমি খুব খুশি হয়েছিলাম আর সেটা স্বাভাবিকই ছিল, কারণ আমি সেই দলের হয়ে খেলার অপেক্ষায় ছিলাম যেখানে খেলার স্বপ্ন ছোটবেলায় দেখতাম।' ২০২০ সালে আর্থুর মেলোর সঙ্গে সোয়াপ ডিলে বার্সেলোনায় আসেন পিয়ানিচ। তখন থেকে বার্সার জার্সিতে পিয়ানিচ খেলেছেন ৩০ ম্যাচ। যদিও তুরিনের ক্লাবটির প্রায় প্রতি ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা পেতেন তিনি। য়্যুভেন্তাসে ফ্রি কিক শটও তিনিই নিতেন।
অথচ বার্সেলোনায় আসার পর অবহেলার পাত্রে পরিণত হন এই মিডফিল্ডার। পিয়ানিচের এখন নতুম ঠিকানা তুর্কি ক্লাব বেসিকতাসে। ধারে বার্সেলোনা থেকে তুরস্কে গিয়েছেন তিনি। বার্সা য়্যুভেন্তাস ছাড়া পিয়ানিচ খেলেছেন রোমা, ম্যাটজ ও অলিম্পিক লিঁওর হয়ে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৫৫২ ম্যাচে করেছেন ৭৩ গোল। জাতীয় দলের জার্সিতে ১০১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ১৬।
ফাইল ছবি
আজ ২৬,০৭,২০২১খ্রিঃ পীরওলি, কালিয়া, নড়াইল এর খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের মহাসচিব জনাব মাসুম খান, মহল্লার যুবদের ফুটবল দিয়ে আনন্দিত করলেন। মহামারী করোনা'র কারনে, সারাদেশে যখন স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, তাদের মানষিক মনোবল যাতে নষ্ট না হয় তাই এই উদ্যোগ।
উপস্থিত ছিলেন সংঘের সভাপতি তানভীর হাসান বাপ্পি, ও খানকাহ পাড়া সবুজ সংঘের ভ্রমণ বিষয়ক সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ আলফাজ শেখ।
ফাইল ছবি । অভিনেতা দিলীপ কুমার
উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার মারা গেছেন। আজ বুধবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর এনডিটিভির।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শেষ সময়ে স্ত্রী সায়রা বানু পাশে ছিলেন তার। এদিকে বর্ষীয়ান এই অভিনেতার মৃত্যুতে ভারতের চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমেছে।
দীর্ঘ দিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন দিলীপ। মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন। গত ৩০ জুন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন আগেই তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে টুইটারে জানিয়েছিলেন স্ত্রী সায়রা।
এর আগেও গত ৬ জুন হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল দিলীপকে। ফুসফুসে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমার সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তবে সফল প্লিউরাল অ্যাসপিরেশন প্রক্রিয়ায় তার সেই সমস্যার সমাধান হয়েছিল। ৫ দিন পরে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে যান দিলীপ।
দিলীপ কুমারের জন্ম ১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর। তার প্রকৃত নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান। রূপালি পর্দায় ক্যারিয়ার শুরুর সময় নাম পাল্টান তিনি। ছয় দশকের অভিনয় জীবনে ‘মধুমতি’, ‘দেবদাস’, ‘মুঘল-এ-আজম’, ‘গঙ্গা যমুনা’, ‘রাম অউর শ্যাম’, ‘কর্ম’র মতো অসংখ্য ধ্রুপদী সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।
সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে ‘কিলা’ সিনেমাতে অভিনয় করেন তিনি। ছয় দশকের অভিনয় জীবন তার। বলিউডে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘ট্র্যাজেডি কিং’ নামে। ৬৫টিরও বেশি ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি।
ভারত সরকারের কাছ থেকে ‘পদ্মবিভূষণ’ খেতাব পেয়েছেন দিলীপ কুমার। ১৯৯১ সালে তাকে খেতাব দেওয়া হয় ‘পদ্মভূষণ’।