a
ফাইল ছবি
প্যারিসের ক্লাব পিএসজি ফুটবলার লিওনেল মেসিও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। পিএসজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেসিসহ তাদের মোট চারজন ফুটবলার করোনা আক্রান্ত।
ইউরোপে করোনার যে সুনামি লেগেছে তার থেকে কোনোভাবে বাদ যাচ্ছে না নামি-দামি ফুটবল ক্লাবগুলো এবং একইসঙ্গে ফুটবল খেলোয়াড়রাও। এতদিন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, স্প্যানিশ লা লিগার রিয়াল মাদ্রিদ-বার্সেলোনার খবর শোনা গিয়েছিল যে, এই দুই ক্লাবে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
মেডিকেল বার্তায় চোটাক্রান্ত নেইমারের বিষয়ে পিএসজি আরও জানিয়েছে, ‘নেইমার জুনিয়র প্যারিস সেন্ট জার্মেইর চিকিৎসা দল ও পারফরম্যান্স স্টাফদের সঙ্গে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রাজিলে চোট থেকে পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন। আশা করা হচ্ছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে অনুশীলনে ফিরবেন তিনি।’
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
মুসলমানদের জন্য পবিত্র রমজানে মাস উপলক্ষে সাবেক জার্মান তারকা মেসুত ওজিল সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য খাদ্য সহায়তা দেবে বলে তুর্কিসংবাদ মাধ্যম নিশ্চিত করেছে। ওজিলের খাদ্য সহায়তার অংশ বিশেষ বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শিশুদের খাদ্য সহায়তা দেবেন সাবেক বনে যাওয়া জার্মানির তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল।
তুর্কি সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে দুস্থ ও অসহায় শিশুদের জন্য তার্কিশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৭০ ডলার দান করেছেন জার্মান মিডফিল্ডার ওজিল।
এই অর্থ খরচ করা হবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইফতারের খাবার কেনার জন্য। যার একটি অংশ আসবে বাংলাদেশেও। ‘দ্য তার্কিশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি’ জানিয়েছে, ৭৫০টি খাবারের পার্সেল আসবে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিম শিশুদের হাতে।এ ছাড়া তুরস্কে ২৮০০ জনের মাঝে তুলে দেওয়া হবে খাবার। পাশাপাশি ১ হাজার খাবারের প্যাকেট পাঠানো হবে ইন্দোনেশিয়ায়।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ওজিলের পাঠানো ইফতারের খাবার সিরিয়ার ইদলিবে এবং সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতেও পাঠানো হবে।
তুর্কিশ রেড ক্রিসেন্টের প্রেসিডেন্ট ড. ক্রেম কিনিক বলেন, অনেক বছর ধরে ওজিল বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর কাজ করছেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
ওজিল তুর্কিশ-জার্মান পেশাদার ফুটবলার। তিনি আগে আর্সেনাল ফুটবল ক্লাবের হয়ে খেলতেন।
বর্তমানে ওজিল তুর্কির একটি ক্লাবে খেলছেন পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের নির্যাতিত নিষ্পেষিত শিশুদের পাশে প্রায়ই দেখা যায় এই তারকাকে।
ফাইল ছবি
ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আর নেই। বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৯৬ বছর। ব্রিটিশ রাজপরিবারের বরাত দিয়ে বিবিসি ও সিএনএনসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর নিশ্চিত করেন।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ব্রিটেনের সিংহাসনে আসীন ছিলেন ৭০ বছর ধরে। চলতি বছরই তার সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর উদযাপিত হয়েছে।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। হাঁটাচলা ও দাঁড়িয়ে থাকতে তার সমস্যা হচ্ছিল। এরপর থেকে বালমোরাল প্যালেসে রানিকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা।
রানির মৃত্যুর পর তার পরিবারের সকল সদস্য উপস্থিত হয়েছেন বালমোরো প্যালেসে। সকাল থেকেই ব্রিটেনে রানির গুরুতর অসুস্থ সংবাদটি প্রচার হচ্ছিল। তারপরই তার পরিবারের সকল সদস্যদের ছুটে যাওয়া ও ব্রিটিশ গণমাধ্যমের শোকাবহ আয়োজন দেখে ধারণা করা হচ্ছিল খারাপ কোনো সংবাদ হতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মৃত্যুর সংবাদটি প্রচার করে বিবিসি।
এদিকে এই খবরটি প্রচার হওয়ার আগেই হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে বাকিংহাম প্যালেসের সামনে। ফুল দিয়ে শত শত মানুষ শোক জানাচ্ছেন, প্রার্থনা করছেন প্রিয় রানির জন্য। রানির মারা যাওয়ার সংবাদে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনেকেই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন