a
সংগৃহীত ছবি
কোপা আমেরিকার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ১০ জন খেলোয়াড় নিয়েই চিলিকে শনিবার সকালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ১-০ গোলে হারালো ব্রাজিল।
প্রথমার্ধে কোনও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। বিরতি থেকে ফিরেই গোলের দেখা পান নেইমাররা। ম্যাচের ৪৬ মিনিটে সুপার সাব লুকাস পাকুয়েতা গোল করে এগিয়ে নেন দলকে।
তবে গোল পাওয়ার পর দারুণ অস্বস্তিতে পড়ে আয়োজকরা। ৪৮ মিনিটে ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল জেসাস সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। তাকে হাই ফুটের জন্য লাল কার্ড দেখান রেফারি। বাকি সময় ১০ জন খেলোয়াড় নিয়েই খেলতে হয় তিতের শিষ্যদের।
বাকী সময়ে ১০ জন ব্রাজিল খেলোয়াড়ারের বিপরীতেও গোল করতে পারেনি চিলি। তাতে পাকুয়েতার করা একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। ব্রাজিলকে পৌঁছে দেয় শেষ চারে। সেমিফাইনালে মঙ্গলবার পেরুর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
ফাইল ছবি
আজ ২৬,০৭,২০২১খ্রিঃ পীরওলি, কালিয়া, নড়াইল এর খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের মহাসচিব জনাব মাসুম খান, মহল্লার যুবদের ফুটবল দিয়ে আনন্দিত করলেন। মহামারী করোনা'র কারনে, সারাদেশে যখন স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, তাদের মানষিক মনোবল যাতে নষ্ট না হয় তাই এই উদ্যোগ।
উপস্থিত ছিলেন সংঘের সভাপতি তানভীর হাসান বাপ্পি, ও খানকাহ পাড়া সবুজ সংঘের ভ্রমণ বিষয়ক সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ আলফাজ শেখ।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আজ সাংবদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি, হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তার ও কালো আইন বাতিলের দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধনে গণফোরামের মুখপাত্র সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন।
জননেতা সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মহসীন রশিদ, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মেজর (অবঃ) আসাদুজ্জামান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, রওশন ইয়াজদানি, মোকলেসুর রহমান বাবুল, এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, যুব নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্রনেতা সানজীদ রহমান শুভ, কামাল উদ্দিন সুমন।
জননেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সনামধন্য পেশাদার সাংবাদিক। তাকে হেনস্তা ও কারাবন্ধী করার মধ্য দিয়ে সরকার সাংবাদিক ও প্রতিবাদী মুখ বন্ধ করার চক্রান্ত করছে। জবাবদীহিহীন আমলা নির্ভর এ সরকারের স্বাস্থ্য, আইসিটি, অর্থ, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়সহ সকল জায়গায় লাগামহীন দুর্নীতির চিত্র সংবাদপত্র ও গনমাধ্যমে ভেসে উঠছে। দুর্নীতির তদন্ত হয় না। দেশের সম্পদ লুন্ঠন ও ভাগাভাগি হচ্ছে। অনতিবিলম্বে দুর্নীতিবাজ আমলা ও তার সহযোগী রাজনিতীবিদ আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।
এডভোকেট মহসিন রশিদ বলেন, বিচার ব্যাবস্থাকে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। রোজিনার জামিন না দিয়ে তাকে জেলখানায় হেনস্তা ও নির্যাতন করা হচ্ছে। মন্ত্রিরা বলে বেড়াচ্ছেন রোজিনা সুষ্ঠু বিচার পাবে। কিন্তু আমরা শুনেছি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক রোজিনাকে থানা ও জেল হাজতে চিহ্নিত দাগী কুখ্যাত আসামীদের সাথে রেখে তার সাথে অমাননিবক আচরণ করা হচ্ছে। বিচারককে প্রভাবিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার কন্ঠরোধ করার চক্রান্ত চলছে। রোজিনার মুক্তির দাবীতে সাংবাদিকদের সর্বাত্বক আন্দোলনের প্রতি আমরা সমর্থন জানাই। এ ঐক্য ভাঙ্গার নানারকম চক্রান্ত চলছে। সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছি। করোনাকালে লক্ষ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হলেও সাংবাদিকদের নামমাত্র দশ কোটি টাকা প্রনোদনা দেওয়া হয়েছে। যা হাজার হাজার সাংবাদিকদের সাথে তামাশা করার সামিল।