a
ফাইল ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে ৯২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩০৩৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০১ জন, আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২৩২ জন।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১০ হাজার ১৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৬২২ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৬ হাজার ৫২৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৯ হাজার ৭১৬ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৪২ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৩ জন। ঢাকায় ৭৫ হাজার ৪৮২ এবং ঢাকার বাইরে ১ লাখ ৪ হাজার ২০১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৪৬ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২১ হাজার ১৬২ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৫,৯৮৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১২ লাখ ৮০ হাজার ৩১৭ জন।
আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৫৪৮২ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ লাখ ৮ হাজার ৭৪৮ জন।
উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৯৩৭ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬২টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।
সংগৃহীত ছবি
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ শনিবার সকাল থেকে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। একে একে যখন ঘাটে বাড়তে থাকে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ তখন ফেরি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
বেলা ২টা নাগাদ মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাট থেকে এনায়েতপুরী ও শাহ পরান নামের আরো দুটি ফেরি বাংলাবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। এ নিয়ে একইদিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মোট তিনটি ফেরি শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যায়।
শনিবার (৮ মে) দুপুর ১২টায় ৩নং ফেরিঘাট থেকে ফেরি এনায়েতপুরী ও ২নং ফেরিঘাট থেকে শাহ পরান বাংলাবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঘাটে যাত্রীদের দাবি ছিল সামনে ঈদ পরিবার সবাই তাদের আশায় তাকিয়ে আছে, এই অবস্থায় তারা নিরুপায় হয়ে শহর ছাড়ছে।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে দেখা যায়, ঘাটে সাধারণ যাত্রী এম্বুলেন্স নিয়ে রোগী অপেক্ষা করছে কিন্তু ফেরিসহ সব যান নৌযান চলাচল বন্ধ। অন্যদিকে ভিআইপিদেরকে নদী পাড় করে দিচ্ছে কোস্টগার্ডের একটি দল, যা সাধারণ যাত্রীদের উপর একপ্রকার বৈষম্য বলে অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।