a
ফাইল ছবি
মোবাইল ফোন সেবায় দুই দিন বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন তরঙ্গবিন্যাস ও পরিবর্তনের কারণে এটি হতে পারে। এ জন্য মোবাইল গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
সোমবার বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘নতুন তরঙ্গে সেবা নিশ্চিত করতে আগামী ১ ও ৮ এপ্রিল রাতে ৮ ঘণ্টা করে মোবাইল সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রথম ধাপে ১৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গবিন্যাসের কারণে ১ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ২ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা মোবাইল ফোন সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। দ্বিতীয় ধাপে ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের নতুন বিন্যাসের জন্য ৭ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ৮ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত মোবাইল সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।’
ছবি সংগৃহীত
আগামী জুলাই মাস থেকে অবৈধ বা অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা আশা করছি যে, টেকনোলজি ডেভেলপ, টেস্টিং এবং এটা অপারেশন করতে আমাদের ৫ মাস সময় লাগবে। হঠাৎ করে আমরা এমন কোনো নীতি চাপিয়ে দিতে চাই না, যাতে করে একটা অস্থিরতা তৈরি হয়।
সবাই যেন অবৈধ পথ পরিহার করে সঠিকভাবে কেনেন এ আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রথম থেকে বলছি-অবৈধ পথে কেউ যেন ফোন না নিয়ে আসে। যাতে করে পরে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সেজন্য আমরা একটা রিজেনেবল টাইম দিচ্ছি, আগামী তিন মাসে আমরা টেকনোলজি ডেভেলপ করবো, পরে দুই মাসে টেস্টিং করবো। আমাদের প্রত্যাশা জুলাই মাসের মধ্যে এটা অপারেশনাল করবো। সুতরাং এ সময়ের মধ্যে যেন সবাই সতর্ক থাকে।
অনিবন্ধিত ফোনগুলো রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্যই দেরি হচ্ছে নতুন ফোনের রেজিস্ট্রেশন করা আর সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনের নাম ট্রান্সফার করা। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: তিন দফা দাবিতে ঢাকার কাকরাইল মোড়ে প্রায় ৫০ ঘণ্টা ধরে অবস্থান কর্মসূচির পর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে গণ-অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। আজ শুক্রবার বিকেল চারটায় অনশন শুরু করেন তাঁরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন মঞ্জুর মোর্শেদ আজ ১৬ ই মে, ২০২৫ ( শুক্রবার) গণ–অনশন শুরুর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমাদের গণ–অনশন শুরু। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের গণ–অনশন কর্মসূচি চলবে।’
এর কিছুক্ষণ পর প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। গণ–অনশনের শুরুতে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তাঁরা।
গতকাল ১৫ ই মে, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) রাত পৌনে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি হিসেবে আজ সকাল ১০টায় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা দিয়ে সমাবেশের সময় পেছানো হয়। সে অনুযায়ী আজ পবিত্র জুমার নামাজের পর বেলা সোয়া ২টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।
উল্লেখ্য যে গত ১৪ ই মে (বুধবার) তিন দফা দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষার্থীরা "লং মার্চ টু যমুনা " কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন স্তরের পুলিশি বাঁধা পেরিয়ে টিয়ার গ্যাস, গরম মানি, লাঠি পেটা, সাউন্ড গ্রেনেড কে উপেক্ষা করে কাকরাইলে যমুনা অভিমুখে অবস্থান নেয়। আজ তৃতীয় দিনের মতো তাদের এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান রাখার ঘোষণা রয়েছে।
জবিয়ানদের তিন দফা দাবি হলো-
১. আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে
২. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন করতে হবে
৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে।