a
ফাইল ছবি
আমেরিকা আফগানিস্তানে যেরকম ‘অবমাননাকর পরাজয়ের’ সম্মুখীন হয়েছে সেই একই রকম পরিণতি ইহুদিবাদী ইসরায়েলের জন্যও অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি এক টুইট বার্তায় এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, যে আমেরিকা নিজের পরাজয় ঠেকাতে পারে না তার পক্ষে ইসরায়েলকে নিরাপত্তা দেয়াও সম্ভব নয়।
আফগানিস্তানে আশরাফ গনি সরকারের পতন ও মার্কিন বাহিনীর আফগানিস্তান ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন বাহিনীর পরাজয় প্রমাণ করে ইহুদিবাদী ইসরায়েলসহ যে কোনো দখলদার শক্তিকে একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।
প্রায় দুই দশক আগে আফগানিস্তানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী যুদ্ধ এবং দেশটির সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার অজুহাতে দেশটি দখল করে মার্কিন বাহিনী। কিন্তু ২০ বছরেও তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বরং তালেবানের অগ্রাভিযানের মুখে মার্কিন সেনারা অত্যন্ত অপমানজনকভাবে দেশটি ত্যাগ করছে।
গত ১৫ আগস্ট তালেবান রাজধানী কাবুল দখল করার পর আমেরিকা তার অবশিষ্ট সৈন্য ও কূটনীতিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার জন্য নতুন করে কয়েক হাজার সেনা পাঠিয়েছে। এসব সেনা কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে আসার সাহস পাচ্ছেনা বরং বিমানবন্দরে চরম বিপর্যয়কর ও গাদাগাদি অবস্থার মধ্যে তাদেরকে কাজ করতে হচ্ছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসিন ফখরেহ জাদেহকে হত্যার কথা স্বীকার করলো ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ইয়োসি কোহেন। তিনি স্বীকার করেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে একের পর এক হামলা ও ফখরেহ জাদেহকে হত্যায় ইসরায়েলের সম্পৃক্ততা ছিলো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ইয়োসি কোহেন আরও বলেছেন, ইরানের বিজ্ঞানীরা যদি তাদের পেশা পরিবর্তন করতে চান এবং ইসরায়েলকে আঘাত না করার নিশ্চয়তা প্রদান করেন, তাহলে আমরা তাদের বের হওয়ার পথ দেখানোর প্রস্তাব দিতে পারি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর তেহরানের কাছে গাড়ি বহরের মধ্যে মোহসেন ফখরেহ জাদেহকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ইরান এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ করে আসছিল। তবে ঘটনার সময় ইসরায়েল এ ঘটনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এবার মোসাদের সাবেক প্রধান এই হত্যার সত্যতা নিশ্চিত করলেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে সামনে রেখে সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ ও আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকার জানায়, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে।
এলক্ষ্যে তফসিল ঘোষণার পরই নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদারে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মাঠে থাকবে—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ইতোমধ্যে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে রেকর্ডসংখ্যক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, রাস্তা অবরোধ বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। একই সঙ্গে বেআইনিভাবে সমাবেশে অংশ নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ হয়েছে। ন্যায্য দাবি-দাওয়ায় সরকার সবসময়ই সাড়া দিয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজেছে।
তিনি আরও বলেন, তবে এখন দেশ নির্বাচনমুখী। তাই সব রাজনৈতিক ও পেশাজীবী মহলকে অনুরোধ করছি—যে দাবিই থাকুক, তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে জানাতে। নির্বাচন ঘিরে কেউ অস্থিতিশীলতা বা উত্তেজনা সৃষ্টি করবে—এটা আমরা আশা করতে পারিনা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন