a আফগানিস্তানে জার্মান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আফগানিস্তানে জার্মান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১০ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৫৬
আফগানিস্তানে জার্মান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ তালেবানের দখল করে নেয়ার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়, জার্মানি আবার আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠাবে কিনা। দীর্ঘদিন জার্মান বাহিনীর অবস্থান থাকা উত্তর আফগানিস্তানের সাথে কাবুলের গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগপথটি রোববার তালেবানরা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

গত জুন মাসে আফগানিস্তান থেকে শেষ জার্মান সৈন্যকে ফেরত আনা হয়েছে। কুন্দুজের পতনের পর জার্মানির আবার আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠানোর জল্পনা-কল্পনাকে একাধিক টুইটের মাধ্যমে নাকচ করে দেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যানেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাওয়ার।

সোমবারের টুইট বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে জানান, আপাতত জার্মান সৈন্য ফেরত পাঠানোর প্রশ্ন নেই। তবে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন তিনি।

সোমবার পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলীয় পাঁচটি ও দক্ষিণের একটিসহ মোট ছয়টি প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। এরমধ্যে রোববার একদিনে কুন্দুজসহ তিনটি প্রাদেশিক রাজধানীর দখল নেয় তারা।

উত্তর আফগানিস্তান থেকে কাবুল ঢোকার গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট কুন্দুজ। এখানেই দীর্ঘ ১০ বছর জার্মান বাহিনীর ঘাঁটি ছিল। গত দশ বছরে জার্মান সৈন্য এই অঞ্চল সম্পূর্ণ নিজেদের আধিপত্যে রেখেছিল। কুন্দুজ দখল করা মানে কাবুলের পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে তালেবান।

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘কুন্দুজ সহ গোটা আফগানিস্তান থেকে যে রিপোর্ট আসছে, তা দুঃখজনক। বহু জার্মান সৈন্য রক্ত দিয়ে কুন্দুজকে রক্ষা করেছিল। আমরা ওখানে অনেক লড়াই করেছি।’

তিনি বলেন, ‘এতদিনের পরিশ্রম নষ্ট হয়েছে। এই ঘটনা থেকে ভবিষ্যতে বিদেশে কোনো মিশনে গেলে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’

জার্মানি আফগানিস্তানে আবার সৈন্য পাঠাবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে টুইট বার্তায় মন্ত্রী বলেন, জার্মান পার্লামেন্ট কি পুরো এক প্রজন্মের জন্য আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠাতে পারবে? যদি না পারে, তাহলে সৈন্য ফেরত ফেরত আনার পরিকল্পনাই ঠিক ছিল।

তিনি আরো বলেন, তালেবানকে ধ্বংস করার জন্য আরো লম্বা সময়ের প্রয়োজন ছিল। বাস্তবে যে সময় পাওয়া যায়নি।

বর্তমান পরিস্থিতির জন্য জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করে বলেন, ট্রাম্প যদি তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা না করতেন, তাহলে পরিস্থিতি আজ এমন হতো না।

আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সৈন্য সরিয়ে নেবে। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞের ধারণা, ওই সময় পর্যন্ত তালেবান কাবুলের দিকে যাবে না। কিন্তু যেভাবে তালেবানরা এগোচ্ছে, তাতে কিছুদিনের মধ্যেই তারা কাবুল দখল করবে বলে মনে করছেন অনেকে। সূত্র : ডয়েচে ভেলে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নেওয়ায় ইসরায়েলি এমপিকে বেদম প্রহার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৩
ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নেওয়ায় ইসরায়েলি এমপিকে বেদম প্রহার

ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ করায় নিজেদের এমপিকেও ছাড়ল না ইসরায়েলি পুলিশ। পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ওই এমপি-কে বেদম প্রহার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। 

গত শুক্রবার তাকে মারধরের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।

বার্তা সংস্থার এপির তথ্যমতে, ভুক্তভোগীর নাম ওফার কাসিফ। তিনি ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’-এর একমাত্র ইহুদি সদস্য।

ভিডিওতে দেখা যায়, কাসিফকে পুলিশ ঘুষি মারছে, ঘাড় চেপে ধরছে, মাটিতে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। একপর্যায়ে পুলিশের এক কমকর্তা সংসদ সদস্যের বুকে হাটু গেড়ে বসে।
পিটুনিতে এমপি কাসিফের চোখ মুখ ফুলে ওঠে এবং শার্ট ছিড়ে যায়।

জয়েন্ট লিস্টের আরেক এমপি আহমদ তিবি এ ঘটনাকে ‘নির্দয় হামলা’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এটা সংসদীয় সুরক্ষার লঙ্ঘন।

এদিকে ইসরায়েলি পুলিশ দাবি করেছে, এমপি কাসিফই তাদের ওপর আক্রমণ করেছিলেন। একারণে পুলিশ ‘সহনীয় শক্তি’ প্রয়োগ করেছে এবং পরিচয় জানার পরপরই তাকে ছেড়ে দিয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেরুজালেম পুলিশের প্রধান ডোরন তুর্গম্যান।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইহুদীবাদী ইসরায়েল। এরপর তারা এই শহরকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। এজন্য বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনি ভূমি অধিগ্রহণ করে ইহুদি বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের দাবি, শহরটি তাদের ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হেফাজতকে বন্দুকের নল দেখিয়ে স্তব্ধ করা যাবেনা: মামুনুল হক


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:১৫
হেফাজতকে বন্দুকের নল দেখিয়ে স্তব্ধ করা যাবেনা: মামুনুল হক

সংগৃহীত ছবি

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলছেন, বন্দুকের নল দিয়ে ভয় দেখিয়ে হেফাজতে ইসলামকে স্বব্ধ করা যাবে না। মামুনুল হক বলেন, কেউ যদি চিন্তা করেন বন্দুকের নল দেখিয়ে হেফাজতকে স্তব্ধ করবেন, তাহলে তাদের বলব, আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন।
 
তিনি জুমার নামাজ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে শুক্রবার (২ এপ্রিল) এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি বিশ্ব মানবাধিকার কর্মীদের বলতে চাই, গোয়েন্দা সংস্থাসহ অন্যান্য সংস্থাকে বলতে চাই- যথাযথভাবে তদন্ত করুন। পুলিশি হেফাজতে থাকা আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা এসব হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা কীভাবে এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় আমি তার জবাব চাই।

মামুনুল হক বলেন, মাদরাসায় সংরক্ষিত ছুরিগুলো কেরাবানির কাজে ব্যবহৃত হয়। এগুলো নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। সাংবাদ মাধ্যমগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানাই। যথাযথ ঘটনা তুলে ধরা তাদের দায়িত্ব। আর ভুলক্রমে সাংবাদিকদের ওপর হেফাজতের কিছু কর্মী হামলা করে থাকতে পারে। আমরা এজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

সমাবশে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সভাপতি জোনায়েদ আল হাবীব বলেন, করোনার দোহাই দিয়ে মসজিদ বন্ধ করা যাবে না। করোনা আল্লাহ দিয়েছেন। তার কাছে মসজিদে বসেই মুক্তি চাইতে হবে। সরকারের প্রজ্ঞাপনে কওমি মাদ্রাসা বন্ধের কোনো নির্দেশনা নেই। তবে এই করোনার দোহাই দিয়ে কওমি মাদ্রাসা বন্ধ ও ইসলামী সভা-সমাবেশ বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যদি এবার করোনার দোহাই দিয়ে মাদ্রাসা বন্ধ করা হয়, তবে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

জোনায়েদ আল হাবীব বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিটি গ্রামের বাড়ি-ঘরে মানুষ রাতে ঘুমাতে পারেন না। পুলিশ প্রত্যেক রাতে গ্রামের বাড়িগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে। যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারের স্বজনরাও রাতে বাড়িতে থাকতে পারেন না। তাদের পরিবার পরিজন আতঙ্কিত। আজ তাদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক