a
ফাইল ছবি
তুরস্কের সীমান্তে ২৯৫ কিলোমিটার কংক্রিটের দেয়াল তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। আফগানিস্তানে নতুন করে তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশটি ছেড়ে পালাচ্ছেন হাজার হাজার নাগরিক। বেশিরভাগ মানুষ প্রতিবেশী দেশ ইরান হয়ে তুরস্ক ঢোকার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে শরণার্থীর চাপ সামলাতে নিজের সীমান্তে বিশাল প্রাচীর তৈরির কাজ করে যাচ্ছে তুরস্ক।
১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখলে নেওয়ার আগেই কয়েকটি পরিবার ইরান হয়ে তুরস্ক ঢোকার চেষ্টা করে। তাদের একজন সিবিএস নিজউকে জানান, তুর্কি সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তিনি বলেন, আমার কাছে কোনো অর্থ ও খাদ্য নেই।
পাকিস্তান ও ইরান শরণার্থী ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক শরণার্থী তুরস্ক ঢুকতেছিলেন। তাই দেশটি শরণার্থীদের চাপ সামলাতে সীমান্তে ১০ ফুট উচ্চতার দেয়াল তুলছে।
ফাইল ফটো: তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান
বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান। শুক্রবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে এরদোগান বলেন, আপনার পিতা বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জন্য সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তাকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে আমার আসা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমি বাংলাদেশে আসতে চাই।
রিসেপ তায়েপ এরদোগান বলেন, আমাদের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে। আমরা একই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের। যা আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে।
ছেলের বিয়েতে আনন্দ কার না থাকে! চীনের এক নারীরও ছেলের বিয়েতে আনন্দের কমতি ছিল না। তবে মুহূর্তের মধ্যেই বিয়ের আনন্দ আরো দ্বিগুণ হয়ে ফিরল তার কাছে। আনন্দ অশ্রুটাও তাই বেশি ছিল। কারণ পুত্রবধূ হিসেবে যাকে আবিষ্কার করলেন বিয়ের আসরে সেই মেয়েটি তারই ২০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সন্তান। গত ৩১ মার্চ চীনের জিয়াংশু প্রদেশের সুজহু এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হবু শাশুড়ি হবু বউয়ের হাতে একটা জন্মদাগ দেখতে পান। এই জন্মদাগ তার হারিয়ে যাওয়া মেয়েরও ছিল।
তত্ক্ষণাত্ তিনি ঐ মেয়ের বাবা-মাকে প্রশ্ন করেন, এই মেয়ে তাদের নিজেদের কি না। এই প্রশ্ন শুনে মেয়ের বাবা-মা চমকে যান। কারণ বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। কিন্তু মেয়ের হবু শাশুড়ির চাপাচাপিতে তারা স্বীকার করেন যে, এই মেয়ে তাদের জন্মগত নয়। অনেক বছর আগে তারা রাস্তার পাশে মেয়েটিকে পান এবং সেই থেকে তারা তাকে লালনপালন করছেন। এই গল্প শুনে মেয়েটি কাঁদতে শুরু করেন এবং তার জন্মদাতা মা-বাবা সম্পর্কে জানতে চান।
এরপর মেয়েটি জানতে পারেন যে তার এই হবু শাশুড়িই তার জন্মদাত্রী মা। গল্পের এখানেই শেষ নয়। মেয়েটি চিন্তায় পড়ে যান তিনি কীভাবে তার আপন ভাইকে বিয়ে করবেন। সেই গল্পটি আরো মজার। মেয়ের মা জানান, এই ছেলে তার গর্ভজাত সন্তান নয়। মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার পর ছেলেটিকে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন। বায়োলজিক্যাল ভাইবোন না হওয়ায় তাদের বিয়েতে আর সমস্যা হয়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই তাদের আশীর্বাদ করেন এবং দ্বিগুণ আনন্দ নিয়েই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।