a
সংগৃহীত ছবি
আমেরিকা চরম বিদ্বেষী পদক্ষেপ নিয়ে ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভির ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার যে ব্যবস্থা করেছে তা ব্যর্থ বলে উল্লেখ করেছে এই বিশ্বখ্যাত গণমাধ্যমটি। প্রেস টিভি বলেছে, ডটকম-এর পরিবর্তে ডটআইআর (.ir) ব্যবহার করে সহজেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ইরানি এই গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাবে।
প্রেস টিভির জনসংযোগ বিভাগ বুধবার সকালে বলেছে, (presstv. ir ) প্রেসটিভিডটআইআর- এই ঠিকানায় ক্লিক করে যে কেউ প্রেস টিভির মূল পাতাসহ সবগুলো পাতায় অবাধে প্রবেশ করতে পারছেন।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভি ও আরবি ভাষার নিউজ চ্যানেল আল-আলমসহ বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয় আমেরিকা।
মার্কিন প্রশাসনের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, [আমেরিকার] বিচার মন্ত্রণালয় ইরানের পক্ষ থেকে পরিচালিত ৩৬টি ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে।
ইরান থেকে আরবি ভাষায় প্রচারিত টেলিভিশন চ্যানেল আল-কাওসার এবং ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ যোদ্ধাদের পরিচালিত আল-মাসিরা টেলিভিশনের ওয়েবসাইটও বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা।
মার্কিন সরকার এর আগেও একাধিবার প্রেস টিভির বিরুদ্ধে মিডিয়া সন্ত্রাস চালিয়ে এই ইরানি গণমাধ্যমের কথা বলার অধিকার খর্ব করে দেয়ার চেষ্টা করে আসছে। বিভিন্ন স্যাটেলাইট থেকে প্রেস টিভিকে বের করে দেয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এই ওযেবসাইটের পাতা বন্ধ করে দিয়েছে।
ফলে লাখ লাখ পাঠক-শ্রোতাসমৃদ্ধ এসব পাতা হাতছাড়া হয়ে যাওযার পর প্রেস টিভিকে আবার শূন্য থেকে নিজের তৎপরতা শুরু করতে হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম সন্ত্রাসের সর্বশেষ শিকার হয়েছিল প্রেসটিভি’র ইউটিউব চ্যানেল। সম্প্রতি এই চ্যানেলটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখলের জন্য তীব্র যুদ্ধ চলছে, শহরটির ৭০ শতাংশ বেশি এলাকা এখন রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে; তারা ইতোমধ্যেই শহরটির কেন্দ্রস্থল থেকে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের তাড়িয়ে দিয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক অভিমুখী সব সেতু ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর সেরহাই গাইদাই। খবর বিবিসির।
গাইদাই বলেন, শহরটি কার্যকরভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় লড়াই চলতে থাকা শহরটিতে রসদ সরবরাহ এবং বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখল রাশিয়ার অন্যতম সামরিক লক্ষ্য বস্তু পরিণত হয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক এবং কাছে লিসিচানস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ পেলে মস্কো পুরো লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
টেলিগ্রাম পোস্টে গাইদাই জানান, সেভেরোদোনেৎস্কের তিনটি সেতুই ধ্বংস হয়ে গেছে। এই শহরে যেসব বাসিন্দারা থেকে গেছেন তারা কঠিন পরিস্থিতির মাঝে দিনাতিপাত করছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শহরটির জন্য মানুষের যে মূল্য দিতে হয়েছে তা ‘ভয়াবহ’। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা প্রতি মিটারের জন্য লড়াই করতে রুশ বাহিনীকে বাধ্য করেছে।
এদিকে, রুশপন্থী স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের এক সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, শহরটিতে থেকে যাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের অবশ্যই ‘আত্মসমর্পণ করতে হবে নয়তো মরতে হবে’। সূত্র: আমাদের সময়
ফাইল ছবি
ইউক্রেন আত্মসমর্পণ করলেই রাশিয়া সেনা অভিযান বন্ধ করবে। আজ মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যত দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে, রাশিয়া ততো দ্রুত সেনা অভিযান বন্ধ করবে।’ এসময় ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকে তাদের সেনাদের অস্ত্রসর্ম্পণ করার নির্দেশ দিতেও বলেছেন পেসকভ।
তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন দিক থেকে সবকিছু বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণ করার আদেশ দিতে হবে।’ যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার বলছে, কখনোই তার দেশ রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়া বিশেষ সেনা অভিযান শুরু করে এবং তা এখনও অব্যাহত আছে। সূত্র: বিবিসি