a ইউক্রেন বিজয়ের পথে: জেলেনস্কি
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইউক্রেন বিজয়ের পথে: জেলেনস্কি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২২, ১১:০৮
ইউক্রেন বিজয়ের পথে: জেলেনস্কি

ফাইল ছবি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন টার্নিং পয়েন্টে আছে এবং বিজয়ের পথে। শুক্রবার (১১ মার্চ) তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

এক টেলিভিশন ভাষণে জেলেনস্কি বলেছেন, 'আমাদের ইউক্রেনকে স্বাধীন করতে কতদিন লাগতে পারে তা বলা সম্ভব নয়। কিন্তু এটা বলা সম্ভব আমরা তা পারবো। কেননা আমরা ইতোমধ্যে একটা কৌশলগত টার্নিং পয়েন্ট অর্জন করেছি। আমরা জয়ের পথে।'

তিনি আরও বলেছেন, এটি শক্তিশালী ও অনড় শত্রুর বিরুদ্ধে একটি দেশপ্রেমিক যুদ্ধ। যা তাদের হাজার হাজার সেনার মৃত্যুর দিকে মনোযোগ দেয় না।  

এছাড়া জেলেনস্কি পূনরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান।  সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইন্দোনেশিয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ভয়াবহ বিপর্যয়ে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১, ০৪:৫৯
ইন্দোনেশিয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ভয়াবহ বিপর্যয়ে

সংগৃহীত ছবি

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সেখানে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে মুসলিম প্রধান দেশটি।

অনেক বাড়িঘরে পড়ে আছে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দেহ। যাদের মৃত্যুর সময় পাশে কেউ ছিল না। এর মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন অক্সিজেন সংকটে। পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে এসেছেন উদ্ধারকর্মীরা।

বিবিসির স্থানীয় সাংবাদিক ভালদিয়া বারাপুতরি বলছেন, গত দেড় বছরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় সংক্রমণ এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে হয়ে উঠেছে নতুন আরেকটি হটস্পট।

ইন্দোনেশিয়ায় এখনও পর্যন্ত ২৬ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই ৪০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে দেশটিতে।

অতি সংক্রামক ভারতীয় ‘ডেল্টা’ ভ্যারিয়েন্টের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জাকার্তায় অগ্নিনির্বাপণ কর্মী উইরাওয়ানের কথা তুলে ধরা হয়। আগুন নেভানোর পরিবর্তে তিনি এখন করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধার ও শেষকৃত্যের কাজ করছেন। গত এক বছরে আরও সাত সহকর্মীসহ বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ কাজ করছেন তিনি।

উইরাওয়ান বলেন, বেশির ভাগ মানুষ একা একা মারা যাচ্ছেন। এর একটি কারণ হতে পারে তারা হয়তো প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি, নয়তো হাসপাতাল থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীরাই ফোন করে এসব মানুষের খবর দিচ্ছেন।

করোনার সর্বশেষ ঢেউ আসার আগে উইরাওয়ান প্রতিদিন দুই-তিনটি মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য ফোন পেতেন। কিন্তু এখন প্রতিদিন ২৪টি ফোন পাচ্ছেন।

ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান গ্রুপ ল্যাপোর কোভিড-১৯ বলছে, জুন মাস থেকে এখনো পর্যন্ত ৪৫০ জন বাড়িতে মারা গেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরে তারা সেলফ-আইসোলেশনে ছিলেন, কারণ হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি করানোর জায়গা ছিল না।

মে মাসের প্রথম দিকে ইন্দোনেশিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ করেই মারাত্মক আকার ধারণ করে। তখন ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে যাতায়াত করেছে।

বিদেশ থেকে যারা ইন্দোনেশিয়ায় ঢুকছে তাদের কোয়ারেন্টাইন করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়াতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কখনও বন্ধ করা হয়নি। সম্প্রতি বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আট দিন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি আগে ছিল ছিল পাঁচ দিন।

করোনায় দেশটিতে এখনো পর্যন্ত ৬৯ হাজার মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।

ইন্দোনেশিয়ার ভেতরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মূল কেন্দ্র হচ্ছে সবচেয়ে জনবহুল জাভা দ্বীপ। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সেখানকার একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের কারণে ৬৩ জন করোনা রোগী মারা গেছে।

এসব মৃত্যুর ঘটনা পুরো দেশকে শোকাহত করেছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে সংবাদমাধ্যম মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে বলেছে। সূত্র: বিবিসি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী


কাজল,সিলেট প্রতিনিধি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ১১:৫০
হবিগঞ্জ জেলা সদরে রায়ধর, আলাপুরসহ অনেক রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী

ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলা সদর এর রায়ধর, আলাপুর, যাত্রাবড়বাড়ী, দীঘলবাক, নারায়নপুর এলাকার রাস্তাগুলো মানুষ ও যানবাহন চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তা সংস্কাকালে যদি যত্ন সহকারে কাজ করা হতো তাতে সরকারের টাকার অপচয়ও কম হতো।

অপরদিকে জনগণ চলাচলে এরকম দূর্ভোগ পোহাতে হতো না। হালকা কাজ, কোন রকম নিয়ম শৃংখলার তোয়াক্কা না করে সম্পন্ন করে। দায়িত্বশীল ঠিকাদাররা সরকারী ইন্জিনিয়ারদের ম্যানেজ করে, কিংবা সরকারীদলের লোক হওয়ার প্রভাব খাটিয়ে যেন-তেনভাবে, কম বিটুমিন এর ব্যবহার করে রাস্তার কাজ হয়ে গেছে দেখিয়ে বিল উঠাইয়া নেন।

এসব রাস্তাঘাট এক বৃষ্টি মৌসমেই ভেংগে যায় এবং বৃষ্টির জমা পানিতে গর্ত হয়ে জনচলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। রাতের বেলায় কত লোকজন এসব স্থানে পিছলে পড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার তাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান এসব রাস্তার কাজতো করেন ঠিকাদার। তদারকি করেন এলজিইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। তারাই ভাল বলতে পারবেন, কি দিয়ে কি হয়। 

প্রবীন ও সাবেক মেম্বার সুবহান মিয়া বলেন পাকিস্তানের সময় যে রাস্তায় যতটুকু বিটুমিন ব্যবহার হতে দেখতাম এখন সে রকম ব্যবহার হয়না। ফলে কোন রকম যত সামান্য বিটুমিন দিয়ে রোলার মেশিন দিয়ে ঘসাইয়া রাস্তা বানিয়ে ফেলে। এক বছরও টিকেনা। বৃষ্টির মৌসুম এলেই এমন গর্তের সৃষ্টি হয় এবং মানুষের চলাচলে দূর্ভোগ বাড়ে। 

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতির জন্যে ইঞ্জিনিয়ার দায়ী। তারা ঠিকাদার হইতে টাকা খেয়ে রাস্তা কমপ্লিট মর্মে বিল পাস করে দিয়ে দেয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় চলাচলে জনদূর্ভোগ বাড়ে এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তিই ক্ষুন্ন হয় জনসমক্ষে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক