a 'ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র'- আইআরজিসি'র প্রধান
ঢাকা শনিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

'ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র'- আইআরজিসি'র প্রধান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ০৭:৪২
'ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র'-আইআরজিসি'র প্রধান

ফাইল ছবি

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইরানিদের প্রতিটি ভোট শত্রুদের কাছে যেন একেকটি ক্ষেপণাস্ত্র। আজ শুক্রবার তেহরানে নির্বাচনে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে এসব কথা বলেন।

জেনারেল সালামি আরও বলেছেন, ইরানের শত্রুরা এবারের নির্বাচনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের স্টাইলে ওঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু ইরানের জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে শত্রুদেরকে জবাব দিচ্ছে। একেকটি ভোট শত্রুর ওপর একেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আঘাত হানছে, এ যেন শত্রুদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র-বৃষ্টি।

তিনি বলেন, ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি শত্রুদের সব অসৎ চিন্তা ও পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেবে। আইআরজিসির প্রধান বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা পুলিশ বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।

আজ ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সিটি কাউন্সিলসহ স্থানীয় পরিষদের মূল নির্বাচন, পার্লামেন্ট ও বিশেষজ্ঞ পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণও চলছে।

সকাল ৭টা থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটার উপস্থিতি বেশি হলে প্রয়োজনে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে জানানো হয়েছে। সূত্র: বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

তালেবানরা কাবুলে প্রবেশ করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:০৯
তালেবানরা কাবুলে প্রবেশ করেছে

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করছে তালেবানরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী। বিভিন্ন দেশের দূতাবাস গুলো থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে কূটনীতিকদের।

আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শহরের সকল দিক থেকে রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করা শুরু করেছে তালেবান যোদ্ধারা। এছাড়া কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থান করা তালেবানের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধাদেরকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশের রাজধানী শহর জালালাবাদ দখলে নেয় তালেবান যোদ্ধারা। আফগানিস্তানের পঞ্চম বৃহত্তম এই শহরটি রাজধানী কাবুল থেকে মাত্র ৮০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।

এর আগে তালেবানের উপ-প্রধান মোল্লা আব্দুলগনি বারাদার ঘোষণা করেছেন, তারা এখনো আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে বিশ্বাসী, তবে তাদের মূল লক্ষ্য আফগানিস্তানের স্বাধীনতা অর্জন করা। 

বিবৃতিতে বারাদার বলেন, তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না। তালেবান মনে করে, আফগানিস্তানের সকল শ্রেণির মানুষ আইনের দৃষ্টিতে সমান।

এদিকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন ও মিত্র জোটের সেনা এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের ফিরিয়ে আনার জন্য দেশটিতে পাঁচ হাজার সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১২:২৪
আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি

ফাইল ছবি

গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ এখনো কোনো পক্ষ জয় পাইনি। প্রতিদিন শোনা যায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর খবর।

বৃস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতপ্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের শান্তির গন্তব্য বহুদূরে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে যুদ্ধের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে পুতিন সেই নির্দেশের সমর্থনে কথাও জানান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুতিন যখন জাতীয় ভাষণে জ্বালাময়ী কথা বলছেন, ঠিক তখনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি খেরসনে রাশিয়ার হামলার শোকে বিলাপ করছেন। 

তবে আলজাজিরার বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন মত দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন কারও পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়াকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য জয় আসা উচিত বলেও মনে করেন অনেকে। এ ছাড়া রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে।

যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কার যেন শেষ নেই দাবি করে তিনি বলেন, দুই দেশের কোনো পক্ষেরই জয়ের সরাসরি কোনো পথ পরিষ্কার নয়। ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাশিয়ার লক্ষ্যে পরিবর্তন আসেনি বলে মনে করেন ওয়াশিংটনভিত্তিক জেমসটাউন ফাউন্ডেশনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক পাভেল লুজিন।

জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসবিদ নিকোলায় মিত্রোখিন বলেন, মৌলিক দৃশ্যকল্প রাশিয়া কিংবা ইউক্রেন কোনো দেশই তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। 

রাশিয়ার গোটা দোনবাস দখলের সক্ষমতা নেই বললেই চলে। দেশটি জাতি হিসেবে ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেবে এটি অনেকের ধারণা। 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাবেক উপপ্রধান ইহর রোমানেঙ্কো বলেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে রাশিয়ান বাহিনী অগ্রসর হচ্ছে। খারকিভের কিপিয়ানস্ক থেকে দীর্ঘ একটি যুদ্ধক্ষেত্র রয়েছে। পাঁচ দিক— কুপিয়ানস্ক, লেম্যান, বাখমুত, আদভিভকা ও শাখতার থেকে ভুহলেদার পর্যন্ত সব পথ, হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। 

লন্ডনের কিংস কলেজের রুশ রাজনীতির অধ্যাপক গুলনাজ শরাফুতদিনোভা বলেন, যুদ্ধের শুরুতে থাকা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি সামরিক বিপর্যয় সত্ত্বেও এখনো পুতিনের অবস্থান সুদৃঢ়। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক