a সেই ছাত্রলীগ নেত্রী আবারও ২ ছাত্রীকে ৬ ঘণ্টা নির্যাতন করে
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

সেই ছাত্রলীগ নেত্রী আবারও ২ ছাত্রীকে ৬ ঘণ্টা নির্যাতন করে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২৪ আগষ্ট, ২০২২, ০১:৪০
সেই ছাত্রলীগ নেত্রী আবারও ২ ছাত্রীকে ৬ ঘণ্টা নির্যাতন করে

ফাইল ছবি: তামান্না জেসমিন রিভা

কয়েকদিন আগে প্রোগ্রামে না যাওয়ায় হলের ছাত্রীদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করছেন এমন একটি অডিও রেকর্ড ভাইরাল হয় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভার বিরুদ্ধে।

গত ২০ আগস্ট তিনি এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক... অসংযত ভাষার প্রয়োগ আমার অপরাধ হয়েছে বলে আমি স্বীকার করছি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আমাকে এমন শিক্ষা দেয় না, তাই সংগঠনের প্রতি আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

এরপর মঙ্গলবার রাতে পুনরায় দুই ছাত্রীকে কলেজের রাজিয়া ছাত্রী নিবাসে ডেকে নিয়ে সাড়ে ছয় ঘণ্টা আটকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের করার অভিযোগ উঠেছে রিভার বিরুদ্ধে। এ রকম কয়েকটি অডিও এবং ভিডিও মিডিয়ার হাতে চলে যায়।

সেখানে তিনি ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমনা মীমকে দোষারোপ করে অডিও ভাইরাল করেছেন মর্মে স্বীকারোক্তি দিতে দুই ছাত্রীকে চাপ প্রয়োগ করেন।

এক পর্যায়ে রিভাকে বলতে শোনা যায়, ‘অডিও ভাইরাল করছিস এ স্বীকারোক্তি না দিলে বিবস্ত্র করে ভিডিও করে ভাইরাল করে দেব।’

সাড়ে ছয় ঘণ্টা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের পর অবশেষে ‘মিথ্যা স্বীকারোক্তি’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী দুই ছাত্রী। তাদের নাম রূপা ও মিথিলা। তারা বলেন, কলেজের রাজিয়া বেগম ছাত্রী নিবাসের একটি কক্ষে এ নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। পরে হলের প্রাধ্যক্ষ নারগিস রুমা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

তারা আরও জানান, রিভা তাদের ভাইরাল হওয়া অডিও মীম তাদের দিয়ে ভাইরাল করেছেন এটি স্বীকারোক্তি দিতে বলেন, কিন্তু তারা রাজি হননি। পরে সাড়ে ছয় ঘণ্টা ধরে নির্যাতন করায় তারা স্বীকার করতে বাধ্য হন। তখন তাদের মিথ্যা স্বীকারোক্তির একটি লিখিত কাগজ পড়তে বলেন এবং সেটি রেকর্ড করেন রিভা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে তামান্না জেসমিন রিভাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও উনি জবাব দেননি। রাজিয়া বেগম ছাত্রীনিবাসের প্রাধ্যক্ষ নারগিস রুমা বলেন, ‘আমার ছাত্রীনিবাসে এরকম কোনো ঘটনার বিষয় আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে জানতে ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্যকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার জবাব পাওয়া যায়নি। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একজন প্রেস কর্মচারী ওসি সেজে ৭৭১ নারীর সঙ্গে প্রেম, অতঃপর...


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৮:২৩
একজন প্রেস কর্মচারী ওসি সেজে ৭৭১ নারীর সঙ্গে প্রেম, অতঃপর

ছবি সংগৃহীত

পেশায় প্রিন্টিং প্রেস কর্মচারী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (৩০)। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা মাত্র পঞ্চম শ্রেণি। স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ফেসবুক মাস্টার হিসেবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনের বিভিন্ন আইডির সমস্যা সমাধানও করে দেন। প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নেমে পড়েন প্রতারণায়। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রীসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিদের নামে আইডি খুলে চলছিল তার প্রতারণা।

অবশেষে রাজধানীর তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীনের সঙ্গে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন তিনি। ওসি মহসীনের নামে ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ খুলে ৭৭১ নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন আনোয়ার। সবশেষ আপত্তিকর ছবি আদান-প্রদানের ঘটনায় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী থানায় এসে হাজির হন।

পরে ওসি মহসীন নিজে বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় শুক্রবার গাইবান্ধার স্টেশন রোডের দাশ বেকারি মোড়ের ইসলাম প্রিন্টিং প্রেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা। তিনি বলেন, ইন্টারনেট ঘেঁটে ফেসবুকসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ব্যক্তি, মন্ত্রী, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে তাদের নামে ফেসবুক আইডি খুলতেন। এরপর বিভিন্ন নারীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আপত্তিকর ছবিসহ টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিতেন।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার আরও বলেন, আনোয়ারকে গ্রেফতারের পর তার কম্পিউটার ও মোবাইলে রাষ্ট্রপতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, তেজগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চিত্রনায়ক শান্ত খান, অভিনেতা ও মডেল আব্দুন নুর সজল, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে ফেসবুক আইডি পাওয়া যায়। এরমধ্যে কয়েকটি আইডি ডিজেবল পেলেও বাকিগুলো সচল অবস্থায় ছিল।

পুলিশ কর্মকর্তা লিটন কুমার সাহা বলেন, আনোয়ার কখনো ওসি, কখনো নায়ক, কখনো জনপ্রতিনিধি সেজে প্রতারণা করতেন। যেসব নারীর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষার্থী, গৃহিণী, প্রবাসী ও মডেল। ম্যাসেঞ্জারে কথা বলার পর হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের সঙ্গে কথা বলতেন। কথা বললেও কারো সঙ্গে ভিডিও কলে আসতেন না তিনি। কেউ তাকে দেখতে চাইলে কিংবা সন্দেহ করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করে দিতেন।

সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী তেজগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, আনোয়ারের ডিভাইস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৭৭১ নারীর সঙ্গে ‘ওসি মহসীন’ সেজে তিনি চ্যাটিং করেছেন। এটি পুলিশের জন্য মানহানিকর, ব্যক্তি মহসীনের জন্যও মানহানিকর। তিনি বলেন, চ্যাটিংয়ে বিভিন্ন নারী ওসি মহসীন ভেবে সহযোগিতার জন্য নক করেছিলেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাস্তায় টাকা ভর্তি ব্যাগ পেলেন ডেলিভারি বয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১, ০৫:২০
রাস্তায় টাকা ভর্তি ব্যাগ পেলেন ডেলিভারি বয়

সংগৃহীত ছবি

জগতের ভালো মানুষের বদৌলতে আমি আপনি এখনও রাস্তায় বের হলে নিজেকে সেভ মনে করি। গোটা বিশ্ব যখন করোনার প্রাদুর্ভাব আর অভাব অনাটনে কাতরাচ্ছে। ঠিক তখনই বাসায় খাবার পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তায় টাকাভর্তি ব্যাগ পেলেন এক ডেলিভারি বয়। তবে সেই টাকা আসল মালিককে ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অজিত নামের ওই যুবক। ৩ জুলাই কলকাতার বেলেঘাটায় এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, অজিতের সততায় মুগ্ধ কলকাতা পুলিশ তাকে পুরস্কৃত করার চিন্তা ভাবনা করেছে।

সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা যায়, গত ৩ জুলাই বেলেঘাটা প্রধান সড়ক দিয়ে খাবার নিয়ে গ্রাহকের বাসায় যাওয়ার পথে সিআইটি মোড়ের কাছে অজিত একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। তুলে দেখেন, তাতে রয়েছে বেশ কিছু দরকারি নথি আর ১০ হাজার ২০০ টাকা। সঙ্গে সঙ্গে বেলেঘাটা থানায় যান তিনি। পুলিশ কর্মকর্তার হাতে তুলে দেন সেই টাকার ব্যাগ। পরে পুলিশ আসল মালিককে ফোন করে থানায় এনে টাকা ফেরত দেয়।

সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় অজিতের হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সেই সঙ্গে তাকে পুরস্কৃত করার জন্য নাম প্রস্তাব করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে এ নিয়ে বেশি কথা বলতে চাননি অজিত। তার ভাষ্য, রাস্তায় এমন কিছু পেলে তো পুলিশকেই দেয়া উচিত। অন্য কোনো কিছু মাথাতেই আসেনি।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ