a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র নৌ বিভাগের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাঙ্গসিরি বলেছেন, ইরানের পানিসীমায় প্রবেশের কোনো অধিকার আমেরিকার নেই। ভবিষ্যতেও অতীতের মতোই তাদেরকে মোকাবেলা করা হবে।
তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সাহসী তরুণেরা সব সময় মাতৃভূমির সম্মান রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছে। আজ যারা সাগরে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলছে তারা শহীদদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।
আলী রেজা তাঙ্গসিরি বলেন, শত্রুর মোকাবেলায় প্রতিরোধের শিক্ষা নিতে হবে শহীদদের কাছ থেকে। আল্লাহর রহমতে ইরানের ইসলামী যোদ্ধারা পারস্য উপসাগরে মার্কিনীদেরকে শক্ত চপেটাঘাত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের অহংকার চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে।
ইতিপূর্বে কয়েকবার সাগরে মার্কিন বাহিনীকে মোকাবেলা করে বিজয়ী হয়েছে ইরানিরা। সর্বশেষ গত ৩ নভেম্বর ওমান সাগরে ইরানের তেলবাহী একটি জাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় মার্কিন বাহিনী। কিন্তু ইরানের নৌ বাহিনী তাদের সেসব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে সক্ষম হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় এরবিল শহরে ইহুদিবাদী ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের একটি কার্যালয়ে মঙ্গলবার সারাইয়া আউলিয়া আদ-দাম নামে একটি সংগঠনের হামলায় ৩ ইহুদি গুপ্তচর নিহত হয় বলে জানা যায়।
নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ইরাকের সাবেরিন বার্তা সংস্থা জানায়, ইরাকের সশস্ত্র সংগঠন সারাইয়া আউলিয়া আদ-দাম মোসাদের স্থাপনায় হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর ফার্স নিউজের
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যানুযায়ী, ইরাকে স্পেশাল ইনফরমেশন অ্যান্ড অপারেশন্স সেন্টার নামে মোসাদের ওই কার্যালয়ে মঙ্গলবারের হামলায় ১০ জন হতাহত হয়। এদের মধ্যে মোসাদের ৩ জন কর্মকর্তাকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা যায়।
ইরাকের কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলে অবস্থিত মোসাদের ওই স্থাপনায় এসব ইসরাইলি কর্মকর্তা কয়েক মাস যাবত কাজ করে আসছিলেন। এদিকে, ইরাকে মোসাদের উপর হামলার পরও ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নোতনিয়াহুর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রকম মন্তব্য আসেনি।
সদ্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজায়রা বন্দরের কাছে ইসরাইলের একটি জাহাজ হামলার শিকার হওয়ার পর এরবিল শহরে মোসাদের স্থাপনায় এই হামলা হয়। জাহাজে হামলার জন্য ইসরাইল অবশ্য ইরানকে দায়ী করলেও, ইরান তা সরাসরি নাকচ করে দেয়।
ফাইল ফটো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
ভারতে করোনা সংক্রমণের হার উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক ডেকেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই এর খবর মতে, আগামীকাল বুধবার দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
গত জানুয়ারি মাসে করোনার টিকা কর্মসূচি শুরুর আগে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। তার আগে করোনা মহামারী শুরুর পর নিয়মিতভাবে বৈঠক করতেন তিনি।
উল্লেখ্য, ভারতের করোনার সংক্রমন সবচেয়ে বেশি রাজ্যগুলো হচ্ছে মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, কর্নাটক, গুজরাট, তামিলনাড়ু। করোনার ভয়াবহতার কারণে অনেক অনেক রাজ্যগুলোতে নতুন করে লকডাউন আরোপ করা হয়েছে।