a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র নৌ বিভাগের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাঙ্গসিরি বলেছেন, ইরানের পানিসীমায় প্রবেশের কোনো অধিকার আমেরিকার নেই। ভবিষ্যতেও অতীতের মতোই তাদেরকে মোকাবেলা করা হবে।
তিনি আরও বলেছেন, ইরানের সাহসী তরুণেরা সব সময় মাতৃভূমির সম্মান রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছে। আজ যারা সাগরে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলছে তারা শহীদদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।
আলী রেজা তাঙ্গসিরি বলেন, শত্রুর মোকাবেলায় প্রতিরোধের শিক্ষা নিতে হবে শহীদদের কাছ থেকে। আল্লাহর রহমতে ইরানের ইসলামী যোদ্ধারা পারস্য উপসাগরে মার্কিনীদেরকে শক্ত চপেটাঘাত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের অহংকার চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে।
ইতিপূর্বে কয়েকবার সাগরে মার্কিন বাহিনীকে মোকাবেলা করে বিজয়ী হয়েছে ইরানিরা। সর্বশেষ গত ৩ নভেম্বর ওমান সাগরে ইরানের তেলবাহী একটি জাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় মার্কিন বাহিনী। কিন্তু ইরানের নৌ বাহিনী তাদের সেসব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে সক্ষম হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের হুমকি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য বেড়েছে। ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েল বাজেট তৈরি করছে বলে তাদের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করেছে।
ইসরায়েলি এ হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি বলেছেন, 'ইরানের বিরুদ্ধে নাশকতা চালানোর জন্য দেড়শ’ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার পরিবর্তে ইসরায়েলের উচিত ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ক্ষতি কাটিয়ে নিজের পুনর্গঠনের জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়া।'
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত এক দশকে ইরানের বিরুদ্ধে বহুবার হুমকি দিয়েছেন। যদিও তারা জানে যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই এবং কোনো হুমকিই তারা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারপরও যদি তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামান্যতম আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখায় তাহলে কঠিন জবাব পাবে যার ফলে ইসরাইল নামক দেশটি ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে। আর এটা উপলব্ধি করেই ইসরাইল একের পর এক হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ইরানকে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নতুন কর্মকৌশল তুলে ধরেন। অনেক বড় পরিসরে যুদ্ধে জড়াবার পরিবর্তে ছোট পরিসরে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানান বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি তেহরানের ওপর প্রচণ্ড কূটনৈতিক চাপও বৃদ্ধির কথা বলেন।
প্রকৃতপক্ষে, পশ্চিম এশিয়ায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠেছে এবং তারা যেভাবে ইসরাইলকে পাল্টা জবাব দিচ্ছে তাতে ইসরাইল চিন্তিত না হয়ে পারে না।
বলা বাহুল্য, প্রতিরোধ শক্তির কারণে এ অঞ্চলের রাজনৈতিক হিসাব নিকাশ পাল্টে গেছে এবং কিছুই ইসরায়েলের অনুকূলে নেই।
তাই ইসরায়েলের যে কোনো আগ্রাসন এখন আর বিনা জবাবে পার পাবে না। তাই ইরানকে হুমকি দিয়ে তাদের কোনো লাভ হবে না বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
সুস্থ হয়ে মোটরসাইকেলই বাড়ি ফিরছেন সেই মা
করোনামুক্ত হয়ে করে বাড়ি ফিরেছেন নলছিটির সেই সহকারি শিক্ষিকা রেহানা পারভীন। শুক্রবার দুপুরে তার ছেলের মোটরসাইকেলেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সামনে থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
ঝালকাঠী কৃষি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জিয়াউল হাসান টিটু বলেন, মাকে নিয়ে তাদের এই বাড়ি ফেরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ বিজয় উল্লেখ করে তিনি জানান, ৬দিন মুমূর্ষু মাকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রেখে পুরোপুরি সুস্থ করে বাড়ি ফিরেছেন। এখন আমার মা সম্পূর্ণ সুস্থ।
আমার কাছে এটি পরম সৌভাগ্যের ও আনন্দের বিষয় যে, চরম সংকটকালীন সময়ে যে মোটরসাইকেলে করে আমার মাকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিলাম, আবার সেই মোটরসাইকেলেই মাকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরেছি।
১৭ এপ্রিল তার মা রেহানা পারভীনের অক্সিজেন সেচুরেশন ৭০ অবস্থায় নিজ শরীরে ৮ লিটার মাত্রার চলমান ২০ কেজি ওজনের অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে যে বাইকে করে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। শুক্রবার মমতাময়ী মায়ের ফুসফুসে অক্সিজেন সেচুরেশন ৯৬ নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছি একই বাইকে।
এর আগে এ্যাম্বুলেন্স এবং কোনো যানবাহন না পেয়ে অক্সিজেন শরীরের সাথে বেঁধে মুমূর্ষ ও করোনা আক্রান্ত মা রেহানা পারভীনের মুখে অক্সিজেন মাস্ক দিয়ে মোটরসাইকেলে করে গত ১৭ এপ্রিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করানো হয়। সেসময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তৌহিদ টুটুল ছবি তুলে তার ফেসবুকে পোস্ট করলে সেটি ভাইরাল হয়।