a
ফাইল ছবি
আফগান সেনাবাহিনীর সদস্যরা জীবন বাঁচাতে সাজোয়া যানসহ বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে ইরানের সীমানায় ঢুকে পড়েছিল। মার্কিন বাহিনী দেশটি ছেড়ে যাওয়ার পর সেই অস্ত্রগুলো তালেবানের কাছে হস্তান্তর করেছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘আমওয়াজ মিডিয়া’র বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।
গত ১৫ আগস্ট রাজধানী কাবুল দখলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তালেবান। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে দীর্ঘ ২০ বছরের মার্কিন দখলদারিত্বের অবসান ঘটে।
কাবুল দখলের আগে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দেশটির বিভিন্ন রাজ্য একের পর এক দখল করে নেয় তালেবান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দেশ থেকে পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।
এর আগে যখন বিভিন্ন প্রদেশ তালেবান দখল করছিল, তখন জীবন বাঁচাতে যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে আফগানিস্তানে সীমানা পেরিয়ে ইরানে ঢুকে পড়েছিল আফগান সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে সেই অস্ত্রগুলো জব্দ করেছিল ইরানের সেনাবাহিনী।
ফাইল ছবি
ইসরায়েল ক্রমেই গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে - এমন আশঙ্কা করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইহুদ ওলমার্ট। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে ইসরায়েল মারত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
ব্যাপক প্রতিবাদ ও গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও ইসরায়েলি পার্লামেন্ট গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা সংক্রান্ত একটি বিল পাস করেছে। এর ফলে বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার ক্ষমতা বাড়বে।
ওলমার্ট আরও বলেছেন, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা গণতন্ত্রের ভিত্তিগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে যা আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ড্যানি ইয়াটোম বলেছেন, বিচারিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনার প্রতিবাদে বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
এর আগে ইসরায়েলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ সতর্ক করে বলেছিলেন, বিচারিক কাঠামো পরিবর্তনের বিল পাস করা হলে গৃহযুদ্ধ দেখা দিতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাবটি সোমবার সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো অস্থিরতা ও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারী ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট, টাইমস অব ইসরায়েল
ফাইল ছবি
মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৪৫৯ জন। আজ সোমবার রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও গুলি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
গত শনিবারই বিক্ষোভে প্রাণ হারান ১১৪ জন। এরপর রবিবার নিহতদের শেষকৃত্যে গুলির ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদকারী এক ব্যক্তিকে হত্যা করে এবং দেড় বছরের একটি শিশুকেও গুলি করেছে।