a
ফাইল ছবি
আফগান সেনাবাহিনীর সদস্যরা জীবন বাঁচাতে সাজোয়া যানসহ বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে ইরানের সীমানায় ঢুকে পড়েছিল। মার্কিন বাহিনী দেশটি ছেড়ে যাওয়ার পর সেই অস্ত্রগুলো তালেবানের কাছে হস্তান্তর করেছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘আমওয়াজ মিডিয়া’র বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।
গত ১৫ আগস্ট রাজধানী কাবুল দখলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তালেবান। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে দীর্ঘ ২০ বছরের মার্কিন দখলদারিত্বের অবসান ঘটে।
কাবুল দখলের আগে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দেশটির বিভিন্ন রাজ্য একের পর এক দখল করে নেয় তালেবান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দেশ থেকে পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।
এর আগে যখন বিভিন্ন প্রদেশ তালেবান দখল করছিল, তখন জীবন বাঁচাতে যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে আফগানিস্তানে সীমানা পেরিয়ে ইরানে ঢুকে পড়েছিল আফগান সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে সেই অস্ত্রগুলো জব্দ করেছিল ইরানের সেনাবাহিনী।
ফাইল ছবি
আজ রোববার (২৮ মে) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফা ভোট। আজই নির্ধারণ হবে ২০ বছর ধরে দেশটিকে শাসন করে আসা রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানই পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছেন নাকি প্রধান বিরোধী দলের নেতা কেমাল কিলিচদারওলু ক্ষমতায় আসবেন । প্রথম দফা ভোটে এগিয়ে ছিল রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। খবর আল-জাজিরা।
তবে এই দুই নেতার ভাগ্যে কী আছে, তা এখন অনেকটাই সিনান ওগান ও তাকে সমর্থন দেওয়া জোট এটিএ অ্যালায়েন্সের হাতে। প্রথম দফা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে থাকা ওগান রান অফে এরদোয়ানকে সমর্থন করেছেন। প্রথম দফায় নির্বাচনে ৫.১৭ শতাংশ ভোট নিয়ে ওগ্যান তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন।
কিছু বিশ্লেষকদের মতে এই রান অফ ভোটে তিনিই সম্ভাব্য 'কিংমেকার'। বিশ্লেষকরা বলছেন যে এটা নিশ্চিত নয় যে ওগানের সমস্ত সমর্থক এরদোয়ানকে সমর্থন করবেন। কেউ কেউ কিলিচদারওলুকেও সমর্থন করতে পারেন এবং অন্যরা রান অফে ভোট না দেওয়া বেছে নিতে পারেন।
১৪ মে প্রথম দফা ভোটের আগে সিনান ওগান তেমন পরিচিত মুখ ছিলেন না। তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন এটিএ অ্যালায়েন্সের সমর্থনে। এই জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে ডানপন্থী নেতা উমিত ওজদাগের দল ভিক্টরি পার্টি।
প্রথম দফায় কেউই প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিলেন এরদোয়ান। এরপরই ছিলেন কিলিচদারওলু। তার ভোট ছিল ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ও পাকিস্তান আর্মি অ্যাক্ট নামের দুই বিশেষ বিলে সই করেননি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। প্রেসিডেন্টের এমন আচরণে চটেছে প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরীফের আইন মন্ত্রণালয়।
প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তা দেখছেন, আমি অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩ এবং পাকিস্তান আর্মি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩-এ স্বাক্ষর করিনি। কারণ আমি এই আইনগুলোর সঙ্গে একমত না।’
প্রেসিডেন্ট আলভি জানান, অকার্যকর করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনসভায় স্বাক্ষরবিহীন বিলগুলো ফেরত দিতে তিনি তার কর্মীদের বলেছেন। তবে আরিফের দাবি, তার কর্মীরা তার ইচ্ছা ও আদেশকে অবমূল্যায়ন করেছে।
পাকিস্তানের আইন মন্ত্রণালয়ের দাবি, তার নিজের কাজের দায় তাকেই নিতে হবে।
বিল দুইটি পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই অনুমোদন দিয়েছে। তবে ইমরান খানের দল পিটিআই'র সদস্য ও ইমরান খানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত প্রেসিডেন্ট আলভি বিল দুটি পাস করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেছেন। সূত্র: ডন