a
সংগৃহীত ছবি
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কয়েকটি প্রদেশ থেকে ১১ কালাশনিকভ অ্যাসল্ট রাইফেল, ৭ হাজার কালাশনিকভের গুলি ও ১৫ হাজার পিস্তলের গুলিসহ ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একটি নেটওয়ার্কের সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের সংবাদসংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত মোসাদের ২৫ চর ইরানে গুপ্তহত্যা চালানোর জন্য এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হচ্ছিল। কিন্তু ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ষড়যন্ত্র বানচাল করে দিয়েছে।
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, গ্রেফতারকৃত চররা ইরানের সাম্প্রতিক পানির দাবিতে যে বিক্ষোভ চলছে সেখানে অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত হচ্ছিল।
প্রসঙ্গত, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পানির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। খাওয়ার পানি ও চাষাবাদের জন্য পানির সরবরাহ বাড়ানোর দাবিতে এই বিক্ষোভ হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, টানা তিন সপ্তাহ ধরে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভে কয়েকজন নিহত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবর অনুসারে, পানির সংকট দেখা খুজেস্তান প্রদেশের বিক্ষোভ থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। এমন বিক্ষোভের কিছু ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, ইজেহ শহরে ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবে উৎখাত হওয়া পশ্চিমা-সমর্থিত শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পক্ষে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার চররা এই বিক্ষোভে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। চলমান বিক্ষাভে ইসরাইলের চররা কয়েকটি অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও ইরানের ওই মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
এর আগেও ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের চররা ইরানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ দেশটির একাধিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে। ইসরাইল কখনও কখনও এসব ঘটনা স্বীকার করলেও আবার কখনও চুপচাপ থেকেছে।
প্রতিকী ছবি
ইসরায়েলের হাইফা নগরীর একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যম প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছে, সাইবার হামলা রফলে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
ইসরায়েলের গণমাধ্যম জানায়, গতকাল শুক্রবার শেষ বেলায় হাইফা নগরীর বাযান তেল শোধনাগারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তেল শোধনাগারের জরুরি বিভাগের কর্মীরা আগুন নেভাতে শুরু করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্ধারকর্মীদের ডাকা হয়।
ইসরায়েলের জেরুজালেম পোস্ট জানায়, বাযান শোধনাগারের একটি ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ইসরায়েলের চ্যানেল-১২ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক জানায়, অগ্নিকাণ্ডে তেল শোধনাগারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলি পত্রিকাটি জানায়, এরইমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে তবে শোধনাগার থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা রয়েছে। এই ঘটনায় শোধনাগারের ক্ষতি ও সম্ভাব্য হতাহতের ঘটনা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
ছবি সংগৃহীত
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধিঃ কেরানীগঞ্জে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ধারিত ২০০ একর জমির পুরোপুরি বুঝে পেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ ০৩ জুন, মঙ্গলবার অবশিষ্ট ১১ দশমিক ৪০ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণের এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
কেরানীগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়ায় পশ্চিমদী মৌজায় আয়োজিত জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে জমি গ্রহণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। জমি হস্তান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা। উপস্থিত ছিলেন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক, পিআরআইপি পরিচালক, প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সাংবাদিকরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, "এই জমিটুকু আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর বাকি ছিল। অবশেষে আমরা সেটাও বুঝে পেলাম। আরডিপিপিও অনুমোদন হয়েছে। আশা করি দ্রুতগতিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হবে।"
উল্লেখ্য ২০১৭ সালের একনেক সভায় কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ২০০ একর জমি বরাদ্দ হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ১৮৮ দশমিক ৬০ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দেয় ঢাকা জেলা প্রশাসন। তবে অবশিষ্ট জমির হস্তান্তর বিলম্বিত হওয়ায় নির্মাণকাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল।
অবশেষে মঙ্গলবার জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের প্রস্তাবিত ২০০ একর জমির পূর্ণ দখল বুঝে পেলো।