a ইরান বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ মোসাদের ২৫ গুপ্তচরকে গ্রেফতার করেছে
ঢাকা বুধবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইরান বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ মোসাদের ২৫ গুপ্তচরকে গ্রেফতার করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১, ০৬:১৯
ইরান বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ মোসাদের ২৫ গুপ্তচরকে গ্রেফতার করেছে

সংগৃহীত ছবি

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কয়েকটি প্রদেশ থেকে ১১ কালাশনিকভ অ্যাসল্ট রাইফেল, ৭ হাজার কালাশনিকভের গুলি ও ১৫ হাজার পিস্তলের গুলিসহ ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একটি নেটওয়ার্কের সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের সংবাদসংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত মোসাদের ২৫ চর ইরানে গুপ্তহত্যা চালানোর জন্য এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হচ্ছিল। কিন্তু ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ষড়যন্ত্র বানচাল করে দিয়েছে।

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, গ্রেফতারকৃত চররা ইরানের সাম্প্রতিক পানির দাবিতে যে বিক্ষোভ চলছে সেখানে অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত হচ্ছিল।

প্রসঙ্গত, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পানির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। খাওয়ার পানি ও চাষাবাদের জন্য পানির সরবরাহ বাড়ানোর দাবিতে এই বিক্ষোভ হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, টানা তিন সপ্তাহ ধরে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভে কয়েকজন নিহত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবর অনুসারে, পানির সংকট দেখা খুজেস্তান প্রদেশের বিক্ষোভ থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। এমন বিক্ষোভের কিছু ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, ইজেহ শহরে ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবে উৎখাত হওয়া পশ্চিমা-সমর্থিত শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পক্ষে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার চররা এই বিক্ষোভে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। চলমান বিক্ষাভে ইসরাইলের চররা কয়েকটি অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও ইরানের ওই মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এর আগেও ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের চররা ইরানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ দেশটির একাধিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে। ইসরাইল কখনও কখনও এসব ঘটনা স্বীকার করলেও আবার কখনও চুপচাপ থেকেছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরায়েলি গুপ্তচর সারা বিশ্বেই ভিআইপিদের পকেটে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ১২:১৩
ইসরায়েলি গুপ্তচর সারা বিশ্বেই ভিআইপিদের পকেটে!

ফাইল ছবি

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা বিশ্বজুড়ে ভিআইপিদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।

সাধারনত: বিশ্বে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা পান বিভিন্ন দেশের রাজা, প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী। তাদের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা আর কেউ পান না। বাড়ির চারদিকে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী, সঙ্গে প্রশিক্ষিত দেহরক্ষীসহ নানা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয় সন্ত্রাসীদের হামলা এবং মনুষ্য গুপ্তচর ঠেকাতে। কিন্তু এসব যেন এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে! কারণ পকেটেই যদি গুপ্তচর নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয় তাহলে এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে কী হবে?

পকেটে গুপ্তচর ঢোকাতে একটা স্মার্ট ফোন, একটি মেসেজ এবং একটি ক্লিকই যথেষ্ট। নিজের ব্যক্তিগত অডিও, ভিডিও, ছবি সব পৌঁছে যাবে গুপ্তচর নেতাদের কাছে। গত সপ্তাহ থেকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই ডিজিটাল গুপ্তচর নিয়ে আলোচনা চলছে। ইসরায়েলের তৈরি পেগাসাস নামের একটি সফটওয়্যার দিয়ে বিশ্বের অন্তত ৫০ হাজার ফোন নম্বর হ্যাক করা হয়েছে বলে একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।
পকেটেই গুপ্তচর!

এই অনুসন্ধান নতুন একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে। তা হলো ইসরায়েলের সরকারই এনএসও গ্রুপের সঙ্গে জড়িত। প্রতিষ্ঠাতা নিভ, সালেভ এবং ওমরির নাম অনুসারেই গ্রুপের নাম। লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকা কোম্পানির ভেতরের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কোম্পানির নীতিমালা স্টেট সিক্রেট (রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা)। তবে কোম্পানিকে একটা নিয়ম মেনে চলতে হয় যাকে ‘গোল্ডেনরুল’ বলা হয়। তা হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইসরায়েলে এটা ব্যবহার করা যায় না। 

২০১১ সালে মেক্সিকো পেগাসাস স্পাইওয়্যার সর্বপ্রথম ক্রয় করে। এনএসও জানিয়েছে, ৪০টি দেশের ৬০টি সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের ক্রেতা। ইতিমধ্যে সফটওয়্যারটির অপব্যবহার হয়েছে কি না তা জানতে ইসরায়েল সরকার একটি তদন্ত কমিশনও গঠন করেছে। যদিও এনএসও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানায়, আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনের ওপর গোপনে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা এই ম্যালওয়্যারটির রয়েছে। পেগাসাস যদি কোনওভাবে ফোনের মধ্যে ঢুকতে পারে, তাহলে মালিকের অজান্তে ফোনকে ২৪ ঘণ্টার এক নজরদারির যন্ত্রে পরিণত করার ক্ষমতা রাখে। ফোন থেকে মেসেজ বা ছবি পাঠালে কিংবা রিসিভ করলে পেগাসাস তা কপি করে গোপনে পাচার করে পাঠিয়ে দেয় নির্দিষ্ট জায়গায়। 

এই স্পাইওয়্যারটি অগোচরে ফোনের কথাবার্তা রেকর্ড করা এবং ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে গোপনে মালিকের ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। ফোন ব্যবহারকারী কোথায় আছেন, কোথায় গিয়েছিলেন অথবা কার সঙ্গে দেখা করেছেন পেগাসাস সেই সম্পর্কেও জানতে পারে। একটি টেক্সট ম্যাসেজ বা ই-মেইল পাঠানো হয় যাতে থাকে একটি লিংক। সেই লিংককে ক্লিক করলেই পেগাসাস ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এটা ২০১৬ সালের তথ্য। এখন তো এনএসও গ্রুপ সফটওয়্যারের ক্ষমতাকে বহু গুণ শক্তিশালী করেছে।

এতে খরচ কত?
২০১৬ সালে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল, এনএসও গ্রুপ পেগাসাস সফটওয়্যারের মূল্য নিয়ে থাকে ৫ লাখ ডলার। আর মানুষের ফোন হ্যাক করতে আরও চার্জ নিয়ে থাকে। ওই সময় মোট সাড়ে ৬ লাখ ডলার নেওয়া হতো ১০টি আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতে। পাঁচটি ব্ল্যাকবেরি হ্যাক করতে নেওয়া হতো ৫ লাখ ডলার। অতিরিক্ত ১০০ ফোন টার্গেট করতে ৮ লাখ ডলার এবং ৫০ ফোন হ্যাক করতে ৫ লাখ ডলার দিতে হতো। এছাড়া বার্ষিক ব্যবস্থাপনা ফি হিসেবে এনএসও মোট মূল্যের ১৭ শতাংশ নিত। সৌদি আরবের সঙ্গেই এনএসও’র ৫৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছিল।

টার্গেটে যারা:
ওয়াশিংটন পোস্ট, লন্ডনের দ্য গার্ডিয়ান, ফ্রান্সের ল্য মঁদ, সাংবাদিকদের সংগঠন ফরবিডেন স্টোরিস এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিশ্বের প্রথমসারির ১৭টি মিডিয়ার যৌথ অনুসন্ধানে পেগাসাস নিয়ে ভয়ংকর সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। একটি স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় এত বড় হস্তক্ষেপ হয়তো আর কারও দ্বারা সম্ভব নয়। অনুসন্ধানী কর্মসূচির নাম ছিল ‘পেগাসাস প্রজেক্ট’। স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ঢোকানো হয়েছে কিনা তা জানতে অ্যামনেস্টি ৬৭টি ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করেছে। এর মাধ্যমে ৩৭টি পজিটিভ এসেছে। তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়।

কয়েক মাস ধরে চালানো এই অনুসন্ধানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্যবহার করা ৫০ হাজারেরও বেশি মোবাইল ফোন নম্বর পরীক্ষা করা হয়েছে। যে ১৪ জন রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধান পেগাসাসের টার্গেট হয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে আছে তিন জন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট- ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ, দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা এবং ইরাকের বারহাম সালিহ। ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে তিন জন এখনও ক্ষমতায়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মিসরের মোস্তফা মাদব উলি এবং মরক্কোর সাদ-এদিন আলওথমানি। টার্গেট হয়েছেন মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহামেদ। 

৩৪টি দেশের ৬০০ সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনীতিকের ফোন নম্বর রয়েছে। এছাড়া আরব রাজ পরিবারের সদস্য, ৬৪ কোম্পানি কর্মকর্তা, ১৮৯ সাংবাদিক এবং ৮৫ মানবাধিকার কর্মীও রয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মিতু হত্যা মামলার আরেক আসামি সাক্কু গ্রেপ্তার


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ১১:২৪
মিতু হত্যা মামলার আরেক আসামি সাক্কু গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি

 

চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আরেক আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার সাক্কুকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। চট্টগ্রামের রানীরহাট এলাকা থেকে বুধবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৭। 
 
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম র‍্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার বলেন, মিতু হত্যায় বুধবার সকালে দায়ের হওয়া মামলার এজাহারের ৭ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে র‍্যাবের কার্যালয়ে আনা হচ্ছে।

এদিকে বুধবার মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা ও সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন।
 
একই মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও বাকি সাত আসামি হলেন- মো. কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা (৪০), এহতেশামুল হক ওরফে হানিফুল হক ওরফে ভোলাইয়া (৪১), মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম (২৭), মো. আনোয়ার হোসেন (২৮), মো. খায়রুল ইসলম ওরফে কালু (২৮), সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাক্কু (৪৫) ও শাহজাহান মিয়া (২৮)।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক