a
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা করতে আসা ১০টি ইসরাইলি গোয়েন্দা ও জঙ্গি ড্রোনের মধ্যে দুটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে ফিলিস্তিনির যোদ্ধারা। শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদপত্র কুদস প্রেস।
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে কুদস প্রেস বলেছে, ‘ইসরাইলি ড্রোনগুলো গাজার আকাশে প্রবেশ করে এবং পার্শ্ববর্তী আল-শেজাইয়া, আল-জাইতুন ও আল-সেবা অঞ্চল দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।
পরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো ওই ড্রোনগুলোকে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করলে দু’টি ড্রোন ভূপাতিত হয় এবং বাকীগুলো পালিয়ে যায়।
এ সময় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনের নেতারা জনগণকে সতর্ক থাকতে বলেন। তারা আশঙ্কা করছেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর নেতাদের হত্যা করার জন্য ইসরায়েল ড্রোনগুলো উড়িয়েছিল।
ফিলিস্তিনিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, ড্রোনের হামলা থেকে বাঁচতে তারা যেন বাড়ির জানালা বন্ধ করে রাখেন। ইসরাইলের সেসব ড্রোনগুলো আধা ঘণ্টা গাজার আকাশে ওড়ার পর ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধে তা চলে যায়। সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর
ফাইল ছবি
পবিত্র মসজিদ জেরুজালেমের আল-আকসা ও এর আশপাশের এলাকায় ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের ওপর বর্বরোচিত হামলার জন্য ইসরাইলকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে হুশিয়ার করেছে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন- হামাস। হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা মুসা আবু মার্জুক শনিবার এক বিবৃতিতে ওই হুশিয়ারি দেন। খবর ইয়েনিসাফাকের।
আল-আকসায় নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিদের ওপর গত শুক্র ও শনিবার টানা দুদিন ধরে হামলা চালায় ইহুদিবাদীরা। এতে তিন শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হন। তিনি পবিত্র জেরুজালেমে ইহুদিদের হামলার ঘটনায় আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নীরবতাকে ধিক্কার জানান। হামাস নেতা মুসা আবু মার্জুক আরও বলেন, আমাদের এ নীরবতার সুযোগ নিয়ে দখলদার ইহুদিবাদীরা গোটা ফিলিস্তিনি গিলে খাচ্ছেন। একের পর এক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করছেন। প্রতিবাদ করলেই নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য তুরস্ক ও ইরানসহ কয়েকটি মুসলিম দেশ এ বর্বর হামলার জন্য ইসরাইলের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ইসরাইলি একটি আদালত সম্প্রতি পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দাদের বাড়ি খালি করার আদেশ দিলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন নেখানকার বাসিন্দারা।
অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণের জন্য এখন পূর্ব জেরুজালেম পর্যন্ত দখলদারিত্ব কায়েম করছে ইসরাইল। এ জবরদখলে ধারা অব্যাহত রেখেছে সেই ১৯৬৭ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়াখ্যাত ইহুদিবাদী এ দেশটি।
ফাইল ছবি
বিএনপির নির্বাহী সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। এর আগে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে রাজধানীর দুই থানায় দায়ের করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি।
আজ বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিনের আদেশ দেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী।
অপরপক্ষে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুন অর রশিদ।
প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ রায় গাড়িতে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন এমন একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে নিপুণ রায়কে রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকা থেকে গত ২৮ মার্চ আটক করা হয়। এরপর নাশকতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মামলা হয়।
পরবর্তীতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় বে-আইনি সমাবেশ, গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা অপর আরেক মামলায় নিপুণ রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এই দুই মামলায় তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়।