a
ফাইল ছবি
ইহুদিবাদী ইসরায়েল দিন দিন আগ্রাসী হয়ে যাচ্ছে। আজ ফিলিস্তিনের গাজা উপকূলে আবারো বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এই হামলার পর আজ রবিবার ইসলামিক সহযোগিতা পরিষদ (ওআইসি) এক জরুরি বৈঠক ডেকেছে।
সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের সূত্রে জানা যায়, সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ইসলামিক সহযোগিতা পরিষদের (ওআইসি) ৫৭ সদস্যের এক জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠকের শুরুতে টেলিভিশনে রেকর্ডকৃত বক্তব্যে সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানান। পাশাপাশি সামরিক হামলা বন্ধের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের বাঁচাতে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব প্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। ওআইসির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করা আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব।
আজ রবিবার (১৬ মে) বিমান হামলায় ১৩ শিশুসহ অন্তত ৩৩ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া মাত্র ১ ঘন্টা আল্টিমেটাম দিয়ে ঘুড়িয়ে দেয়া হয়েছে এপি ও আল জাজিরার মিডিয়া ভবন।
সংগৃহীত ছবি
ওমান উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দুষছে ইসরায়েল। ওই হামলায় দুই ক্রু নিহত হয়েছেন। তাদের একজন ব্রিটিশ নাগরিক। অন্যজন রোমানিয়ার নাগরিক।
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, এমভি মার্সার স্ট্রিট নামের ট্যাংকারটি পরিচালনা করে লন্ডন-ভিত্তিক জোডিয়াক মেরিটাইম। আরব সাগরে ওমান উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় বৃহস্পতিবার এ ঘটনাটি ঘটে।
ইসরায়েলি শিপিং ম্যাগনেট আইল ওফার মালিকানাধীন কোম্পানিটি বলছে, তারা ঘটনার বিস্তারিত জানতে কাজ করছে। তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিড শুক্রবার এটিকে সরাসরি ‘ইরানের সন্ত্রাসবাদ’ বলে উল্লেখ করেন।
এক বিবৃতিতে লাপিড বলেন, ‘ইরান শুধু ইসরায়েলের সমস্যা নয়’ এবং ‘এ ঘটনায় বিশ্ব চুপচাপ থাকতে পারে না’।
তবে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাপানি মালিকানাধীন ট্যাংকারটিতে হামলার ঘটনা এখনও অস্পষ্ট এবং এ বিষয়ে ইরান এখনও কোন মন্তব্য করেনি।
এ হামলা ওই অঞ্চলে উত্তেজনা গুরুতরভাবে বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ফাইল ফটো: মার্কিন সৈন্যের বহর
মার্কিন সৈন্যরা অস্ত্র-সামরিক রসদ সামগ্রীসহ সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। সেনাবহরের দলটি ইরাকের আধা স্বায়ত্বশাসিত কুর্দি অঞ্চল থেকে সিরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করেছে বলে খবরে প্রকাশ।
স্থানীয় সূত্রের মাধ্যম দিয়ে রাশিয়া টুডে’র আরবি বিভাগ জানায়, মার্কিন সামরিক বহরটিতে ৪৫টি ট্রাক ছিল। এসব বহরে সামরিক সরঞ্জামাদি, ফোর হু্ইল ড্রাইভ গাড়ি এবং জ্বালানি পণ্য ছিল। আর সামরিক বহরটি ইরাকের ওয়ালিদ সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করে।
সেখানকার স্থানীয় সূত্রের দাবি, সিরিয়ার হাসাকা ও দেইর আয-জাওয়ার প্রদেশে মোতায়েন সামরিক বাহিনীর অবস্থানের দিকে মার্কিন বহর এগিয়ে গেছে। মার্কিন সেনা সদরদপ্তর পেন্টাগন অনেকদিন থেকেই দাবি করে আসছে- সিরিয়ার তেলক্ষেত্রগুলো সন্ত্রাসীদের হাতে যাতে না পড়ে সেজন্য তারা ওই এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে।
কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে তারা উগ্র দায়েশ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশটির তেলক্ষেত্রগুলো রক্ষা করার নামে দায়েশ সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় তাদের নিয়ন্ত্রিত তেলক্ষেত্রগুলোর তেল উত্তোলন করে চোরাই পথে পাচার করে আসছে।