a
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সাম্প্রতিককালে সহিংসতায় ১৯টি পরিবারের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল। রবিবার (৩০ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলু
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই গণহত্যায় ৯১ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪১ জন শিশু ও ২৫ জন নারী। এ ছাড়া আটজন শিশু ও ৬ নারীসহ আল-কওলাক পরিবারের ২১ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আবু আউফ পরিবার এক শিশু ও ৫ নারীসহ তাদের নয় জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আল-তানানী পরিবারে এক নারী ও চার শিশুসহ নিহতের সংখ্যা ৬ জন। সবাই নিজ বাড়িতে ইসরায়েলের নির্মম বোমার আঘাতে নিহত হয়েছেন।
ছবি সংগৃহীত: হিজবুল্লাহর হামলায় হতাহত ইসরাইলি সেনা
হিজবুল্লাহর একটি আক্রমণে চারজন ইসরাইলি সৈন্য নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ফিলিস্তিনের গণমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হামলাটি লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডাইসা এলাকায় সংঘটিত হয়েছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণ এবং অধিকৃত উত্তর ফিলিস্তিনের সীমান্ত অঞ্চলে ইসরাইলের একটি সৈন্যদল হিজবুল্লাহর আক্রমণের শিকার হয়েছে। হামলায় বহু সংখ্যক ইসরাইলি সৈন্য আহত হয়েছে এবং উদ্ধারকারী দল তাদেরকে চারটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে হিজবুল্লাহর বরাত মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, লেবাননের সীমান্ত শহর মারুন আল-রাসে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে চলমান সংঘর্ষে তারাও কয়েকজন ইসরাইলি সৈন্যকে হত্যা করেছে।
বুধবার লেবাননের যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরাইলি সেনাদের এটি দ্বিতীয় সরাসরি সংঘর্ষ বলে জানায় হিজবুল্লাহ। তাদের মতে, দুটি সংঘর্ষেই ইসরাইলি সেনাদের মধ্যে নিহত ও আহত হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: করোনাভাইরাস
দক্ষিণ আফ্রিকায় আধিপত্য বিস্তার করা করোনা ভাইরাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ধরনটি কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে ধরা পড়া দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন এই করোনা ভাইরাসের ধরনটি এরই মধ্যে অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু করেছে।
সম্প্রতি আইসিডিডিআরবি এর করা একটি গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। এ বিষয়ে আইসিডিডিআরবি বলছে, দেশে শনাক্ত করোনাভাইরাসের ধরনগুলোর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনের সঙ্গে পুরোপুরি মিল আছে।
এর আগে ১লা জানুয়ারি থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত করা ১৬ হাজার ২৬৫টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ২ হাজার ৭৫১টি নমুনা পজেটিভ আসে। কিন্তু ১৮ থেকে ২৪ মার্চের মধ্যে করোনা পজেটিভ রোগীদের ৫৭ টি নমুনার জিনোমিকক্রম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে ৮০ শতাংশের বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনের সঙ্গে পুরোপুরি মিল আছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণটি সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
এদিকে মার্চের প্রথম সপ্তাহে (৫ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে) দেশের ১৩টি জেলা থেকে প্রায় ৩০টি নমুনার জিনোমিকক্রম সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণের কোন অস্তিত্বই ছিল না।