a
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী আবারও সৌদি আরবের দক্ষিণের 'কিং খালিদ' বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা করেছে। আজ রবিবার ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি হামলার কথা নিশ্চিত করেন।
সৌদির খামিস মুশাইত এলাকায় অবস্থিত বিমানঘাঁটিতে কে-টু ড্রোনের সাহায্যে এই হামলা করা হয়।
সৌদির গণমাধ্যম দাবি করছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইয়েমেনি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর আগে, গত কয়েক সপ্তাহে কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে এ নিয়ে কয়েক দফা হামলা চালায় ইয়েমেনি বাহিনী। কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আরামকো তেল স্থাপনায় ছয়টি ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালায় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে ইয়েমেনের জনপ্রিয় সংগঠন হুথি আনসারুল্লাহ সমর্থিত ইয়েমেনি সেনারা সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ও তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়ে আসছে। হুদিতের দাবি- সৌদি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।
ফাইল ছবি
ইরাকের উন্নয়ন ও বাস্তবিক অর্থে দেশটির সুউচ্চ অবস্থানে আরোহণ ইরানের জন্য কল্যাণকর বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী। তিনি বলেন, ইরাকের নিরাপত্তা মানে ইরানের নিরাপত্তা। একইভাবে ইরাকের নিরাপত্তা ওপর ইরানের নিরাপত্তার প্রভাব রয়েছে। যে পক্ষই ইরাকের নিরাপত্তা বিনষ্ট করতে চাইবে ইরান তার বিরুদ্ধে এবং ইরাককে রক্ষার জন্য বুক পেতে দেবে।
আজ মঙ্গলবার তেহরান সফররত ইরাকি প্রধানমন্ত্রী শিয়া আস-সুদানির সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘প্রাকৃতিক সম্পদ, মানব শক্তি এবং সংস্কৃতি ও সভ্যতার ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অতীত বিবেচনায় ইরাক হচ্ছে আরব অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ দেশ। তাদের অতীত এত সমৃদ্ধ হওয়ার পরও দুঃখজনকভাবে দেশটি এখনও প্রকৃত সুউচ্চ অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। আশা করা যায় সুদানির কারণে দেশটির উন্নয়ন ঘটবে এবং সঠিক অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।’
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী আরও বলেন, ‘ইরাকের এমন শত্রু রয়েছে যারা দেশটির উন্নয়ন চায় না। তারা প্রকাশ্যে এই শত্রুতার কথা বলে না। কিন্তু জনাব সুদানির সরকারের মতো সরকার তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণ এবং ঐসব উদ্যমী ও উৎসাহী মানুষের ওপর নির্ভর করে শত্রুদেরকে দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করতে হবে যারা দায়েশ বা আইএসের মতো অত্যন্ত মারাত্মক মহাবিপদ ঠেকাতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।’ সূত্র: পার্সটুডে/বিডি প্রতিদিন।
ফাইল ছবি
ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার ফেসবুকে নিজের জীবনের ঋণ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ঋণ করলে আত্মার অপমৃত্যু ঘটে, আম্মু এই কথাটা প্রায়ই বলতেন।
কথাটা আমিও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি ও মানি। প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, ‘শহীদ ব্যক্তির সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। কিন্তু ঋণ ছাড়া।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৮৮৬) ‘মুমিনের আত্মা তার ঋণের সঙ্গে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১০৭৮) গতরাতে ভালো বোধ করছিলাম নাহ। অসুস্থ অবস্থায় ভাবছিলাম, কৃতজ্ঞতার ঋণ তো অনেকের কাছেই ঢের রয়েছে, তবে কারো নিকট কোন আর্থিক ঋণ রয়েছে কিনা।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে হল ও ক্যাম্পাসের কোন দোকান, ক্যান্টিন বা কোথাও আমি স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে একটি টাকাও ফাও বা বাকি খাইনি। অনেক সময় অনুজরা আমার জ্ঞাতসারে বঙ্গবন্ধু হলের মনির ভাই, রশিদ ভাই ও ক্যান্টিনে ডালিমের কাছে কিছু বাকি খেতো, যা ১/২ দিনে চাওয়ার আগেই শোধ করে দিয়েছি। অনেকের একান্ত প্রয়োজনে ধার দিয়েছি, কিন্তু কোনদিন নিজের প্রয়োজনে কারো কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছি বলে স্মরণে নেই।
তবুও, কারো নলেজে যদি আমার কাছে পাওনার কোন হিসেব থাকে, অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন। আল্লাহ সবাইকে সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত হয়ে কবরে যাওয়ার তাওফিক দিন।