a
ইমরান খান
মহামারী করোনা ভেদাভেদ ভুলে এককাতারে দাঁড়াতে স্বরণ করিয়ে দিচ্ছে। ভুলিয়ে দিচ্ছে চিরাচরিত বৈরিতা। করোনায় বিপর্যস্ত ভারতের পাশে তাইতো দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মহামারীর বিরুদ্ধে দু’দেশের একজোট হয়ে লড়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইমরান খান বলেন, ‘ভারতের মানুষ করোনার এক ভয়ানক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আমি তাদের সাথে আছি। প্রতিবেশী দেশের মানুষ যাতে এ অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারে, তার জন্য আমরা প্রার্থনা করছি। বিশ্বব্যাপী এ চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে আমাদের অবশ্যই এক হয়ে লড়া দরকার।’
প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কাছে ভারতকে অক্সিজেন সরবরাহ করার অনুরোধ জানিয়েছে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ। এমন একটা খবর শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। ঠিক তার পরের দিন শনিবার সহানুভূতি সম্বলিত এ টুইট লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
এর আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিও ভারতের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘করোনার এ নতুন সংক্রমণের দিনে ভারতের মানুষের প্রতি সমর্থন জানাই। পাকিস্তানি জনগণের তরফ থেকে ভারতের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহানুভূতি রইল।’ সূত্র : আজকাল
ফাইল ফটো
পাকিস্তান আরও একটি নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির কর্মকর্তারা। আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য শাহিন-ওয়ান এ নামের এ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা নয়শ কিলোমিটার (৫৫০ মাইল)।
শুক্রবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রটির বিভিন্ন নকশা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন এ ক্ষেপণাস্ত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের।
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাঁকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার গুরগাঁওয়ে মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকায় গত ৩০ আগস্ট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল দুপুরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় পাশের রাজ্য হরিয়ানার ওই হাসপাতালে।
মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. অরুণ গার্গ বলেছেন, ‘তাঁর (তোফায়েল আহমেদ) অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা তাঁকে আরও পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউতে রেখেছি।’ সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের নয়াদিল্লির ব্যুরো চিফের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে ডা. গার্গ বলেছেন যে, তিনি তাঁর চিকিৎসক দলের সঙ্গে অসুস্থ নেতাকে পরীক্ষা করে কিছু মেডিকেল চেক-আপের পরামর্শ দিয়েছেন।
ডা. গার্গ আরো বলেন, ‘দুশ্চিন্তার কিছু নেই, আশা করি আগামী দুই/এক দিনের মধ্যে আমরা সবকিছু ঠিকঠাক হলে তাঁকে (তোফায়েল আহমেদ) কেবিনে পাঠাতে পারবো।’