a
ফাইল ছবি
মহামারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার গত ৮ মার্চের ঘোষণায় ধারাবাহিকতায় ১ মে থেকে পর্তুগালে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা সংবাদ সম্মেলনে জাতির উদ্দেশে বিস্তারিত জানান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্পেনের সঙ্গে বন্ধ থাকা বর্ডার খুলে দেওয়া হবে। রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, বেকারিসমূহ খোলা থাকবে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত।
রেস্টুরেন্টে একই টেবিলে ৬ জন ও বাইরে সর্বোচ্চ ১০ জন বসতে পারবে, শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সুপারমার্কেট সাধারণ দিনে রাত ৯টা এবং সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটির দিনে খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি ১৫ দিন পর পর পর্যালোচনা করা হবে। পরিস্থিতি ভালো থাকলে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, না হলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে। সেই সাথে পর্তুগালের চলমান জরুরি অবস্থা আজ ৩০ এপ্রিল রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।
গত জানুয়ারিতে করোনা ভাইরাস মহামারির কঠিন পরিস্থিতির পর দেশটি শুধু ইউরোপ নয় বিশ্বের সবচেয়ে কম করোনা সংক্রমণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পর্তুগালে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭৪ জন।
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাস সংকটের মধ্যেই অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে গেল ইরাকের (iraq) ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় রোগী এবং তাদের পরিজনরা।
জানা গিয়েছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত ৫০ জন এবং মারা গিয়েছেন ২৩ জন রোগী।শনিবার মধ্য রাতে ইরাকের ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে হঠাৎই আগুন লেগে যায়। দ্রুত আগুন লেগে যাওয়ায় তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে ভয়ে বেরিয়ে আসেন রোগী ও স্বজনরা। আগুন নিয়ন্ত্রণ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাগদাদের গভর্নর মুহাম্মেদ জাবের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসান আল-তামিমিকে পদচ্যুত ও তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাধেমিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংকট দেখা দেওয়ায় আরও বিপাকে পড়েছে ইরাক সরকার। জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনার সময় ১২০ জন রোগী ও তাদের পরিজনেরা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকারী দল ৯০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
ফাইল ফটো
মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই আত্মগোপনে গেছেন দেশটির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এবার আত্মগোপনে থেকে তারা দেশটির বৈধ সরকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি রবিবার (১৪ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করে, অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে থাকা এসব রাজনীতিবিদরা ঘোষণা করেন, সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তারা সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।
প্রবাসী সরকারের ন্যায় কমিটি ফর রিপ্রেজেন্টিং পাইডুংসু হলত্তু (সিআরপিএইচ) নামে গঠন করা হয়েছে এই গোপন সরকার। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাহন উইন খিয়াং থান। ফেসবুক বার্তায় সে জানায়, ‘এটা এমন একটা সময় যখন অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের নাগরিকদের লড়াই করার ক্ষমতার পরীক্ষা হচ্ছে। অতীতে আমাদের মধ্যে বিভেদ থাকলেও এখন অবশ্যই আমাদের হাতে হাত ধরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’
সিআরপিএইচকে একটি অবৈধ গ্রুপ বলে জানিয়েছে জান্তা সরকার। তারা সতর্ক করেছে, এই কমিটিকে যারা সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হবে। মিয়ানমারে গত নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে সামরিক বাহিনী দাবি করলেও তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পর্যবেক্ষকগণ জানান, ওই নির্বাচনে কোন কারচুপি হয়নি।
গত সপ্তাহেই অং সান সু চির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ছয় লাখ ডলার আর ১১ কেজি স্বর্ণ গ্রহণের অভিযোগ আনলেও এর পক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে এনএলডি আইন প্রণেতারা। এদিকে মিয়ানমারে সেনাশাসনবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে অন্তত আরও ১২ জন নিহত হওয়ায় নিহতের সংখ্যা ৯০ ছাড়িয়েছে