a
ফাইল ছবি
কাবুল বিমানবন্দরে বোমা হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। বেশ কয়েকজন তালেবান রক্ষীও আহত হয়েছেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের টোলো নিউজ জানিয়েছে যে, কাবুল বিমানবন্দরের একটি গেটে বিস্ফোরণে আহত বেশ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরের অ্যাবি গেট যেখানে মার্কিন এবং ব্রিটিশ সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে হাজার হাজার মানুষকে আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল, তার নিকটে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
বিবিসি সংবাদদাতা জনাথান বিইল জানান, প্রথম হামলার পর দ্বিতীয় আরেকটি বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।
সূত্র : বিবিসি
ফাইল ছবি
দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক আকাশসীমার কাছে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিমানকে বিপজ্জনক কৌশলে ধাওয়া দিয়েছে চীনা যুদ্ধবিমান এবং বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধবিমান।
অস্ট্রেলিয়া বলছে, দক্ষিণ চীন সাগরে অস্ট্রেলিয়ার একটি নজরদারি বিমানের সামনে চলে আসার পর চীনা যুদ্ধবিমান থেকে আগুনের শিখা ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে অস্ট্রেলিয়ার বিমানকে বিভ্রান্ত করতে অ্যান্টি-রাডার ডিভাইস ব্যবহার করে আগুনের শিখা নির্গমন করে চীনা যুদ্ধবিমান। এই আগুনের শিখায় ছোট ছোট ধাতব পাত ছিল; যা অস্ট্রেলিয়ার বিমানের ইঞ্জিনে প্রবেশ করে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, গত ২৬ মে দক্ষিণ চীন সাগরে নিয়মিত সামুদ্রিক নজরদারি কার্যক্রমের সময় চীনের একটি জে-১৬ যুদ্ধবিমান রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের (আরএএএফ) পি-৮ নজরদারি বিমানকে বাধা দেয়া হয়।
তিনি বলেন, বিপজ্জনক কৌশলে অস্ট্রেলীয় বিমানকে বাধা দেওয়া হয়েছে। যা পি-৮ বিমান ও এর ক্রুদের জন্য নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করেছিল।
অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, চীনা যুদ্ধবিমানটি আরএএএফ বিমানের খুব কাছ থেকে উড়েছিল। পরে বিমানের সামনে এসে অগ্নিশিখা ছেড়ে দেয় চীনা যুদ্ধ বিমানটি। এই অগ্নিশিখায় অ্যালুমিনিয়ামের ছোট ছোট টুকরা ছিল; যা অস্ট্রেলিয়ার বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে যায় বলে জানায়। সূত্র: আলজাজিরা/বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: জাবি’র ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে হামলা করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারী ছাত্ররা।
এর আগে রাত নয়টার দিকে বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা, ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তাঁরা বিভিন্ন হল থেকে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ক্যাম্পাসের বটতলায় জড়ো হতে থাকেন। তখন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে দুজন আন্দোলনকারীকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই খবর জানাজানি হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের মুক্ত করার জন্য বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা হলের সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার। তখনো শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলের সামনে ও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছিলেন। পরে রাত দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি রাত সোয়া দুইটার দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন এবং মুখোমুখি অবস্থান নেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবিরসহ কয়েকজন শিক্ষক দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা আন্দোলনকারীদের জামায়াত-শিবির আখ্যা দেন ও নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গালাগাল করেন।
এক পর্যায়ে রাত পৌনে তিনটার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী ৪৬ ব্যাচের ছাত্র প্রাচুর্যসহ বেশ কয়েকজন হামলা করছেন। হামলায় আহসান লাবিব নামের একজন আন্দোলনকারী ও একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উসকে দিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের অর্থসম্পাদক ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তৌহিদুল আলম বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা আমাদের হলের সামনে এসে কোটা আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও ছাত্রলীগকে অবমাননা করে স্লোগান দিচ্ছিল। তখন আমরা একটা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে যেতে চাইলে তারা বাধা দেন এবং গালিগালাজ করেন। তাদের কোনো হামলা করিনি, যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছি। আমরা হলে ফিরে যাওয়ার সময় তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।’
সোমবার বেলা ১১টায় সহউপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন, এমন আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ভোর সাড়ে চারটার দিকে নিজ নিজ হলে ফিরে যেতে থাকেন। সূত্র: প্রথম আলো