a
ফাইল ছবি
রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার মধ্যে একমাত্র যোগাযোগ রক্ষাকারী সেতুটিতে গতকাল শনিবার (৮ অক্টোবর) ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শনিবার এ ঘটনার কয়েকঘণ্টা পরই সেতুটিতে হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসির
ইউরোপের দীর্ঘতম এ সেতুটিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র হতে জানা যায়।
রাশিয়ার কর্মকর্তারা বলছেন, লরি বিস্ফোরণের সময় নিহত তিনজন ওই সময়ে একটি গাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেতুটিতে রেল সংযোগও রয়েছে। যেখানে দেখা যায় ওই রেল সংযোগ দিয়ে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার যাওয়ার সময় তাতে আগুন ধরে যায় এবং পরবর্তীতে এটিতে বিস্ফোরণ ঘটে।
গতকাল বিকেলে সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। সেতুটি খুলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। যেখানে সেতু দিয়ে যান চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।
রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় এবং ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি রাশিয়ার পরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। বর্তমানে সেতুটি রুশ বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ রুট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। সূত্র: যুগান্তর
সংগৃহীত ছবি
বাড়ছে বিশ্বের তাপমাত্রা। এই পরিস্থিতিতে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে জয়বায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল আইপিসিসি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট।
জানা গেছে, ওই রিপোর্টে সাফ বলা হয়েছে- যে হারে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে তাতে কয়েক বছরের মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যেতে পারে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুম্বাই, চেন্নাই, কোচি, বিশাখাপত্তনম। প্রায় তিন ফুট পানির নিচে চলে যেতে পারে এই শহরগুলো। খবর জি নিউজের।
জানা গেছে, উষ্ণায়নের ফলে যেভাবে বিশ্বব্যাপী জলস্তর বাড়ছে তা নিয়ে চিন্তিত স্পেস এজেন্সিগুলো। তাদেরও নজরে পড়েছে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
আইপিসিসি’র রিপোর্ট বলছে, গোটা বিশ্বের তুলনায় এশিয়ার পানির স্তর বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। আগে যেখানে ১০০ বছরে একবার সমুদ্রের জলস্তর পরিবর্তিত হত, আগামী কয়েক বছরে মাঝে মধ্যেই সেই পরিবর্তন হবে। সেজন্যই বাড়বে সমুদ্রের পানির স্তর। যদি এই হারেই জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে, শতাব্দীর শেষে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেসব শহরগুলো হল:
কান্দলা: ১.৮৭ ফুট
ওখা: ১.৯৬ ফুট
ভৌনগর: ২.৭০ ফুট
মুম্বাই: ১.৯০ ফুট
মরমুগাও: ২.০৬ ফুট
ম্যাঙ্গালোর: ১.৮৭ ফুট
কোচিন: ২.৩২ ফুট
পরাদীপ: ১.৯৩ ফুট
খিদিরপুর: ০.৪৯ ফুট
বিশাখাপত্তনম: ১.৭৭ ফুট
চেন্নাই: ১.৮৭ ফুট
তুতিকোরিন: ১.৯ ফুট
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
আগামি রবিবার ২৩ মে হতে শুরু হবে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য আজ ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শ্রীলঙ্কা সিরিজের দলে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। তবে জায়গা হয়নি ইমরুল কায়েস, বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন ও বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের। ইঞ্জুরির জন্য প্রাথমিক দল থেকে আগেই বাদ পড়েন দুই পেসার রুবেল হোসেন ও হাসান মাহমুদ।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর ছিল অধিনায়ক তামিম ইকবালের প্রচেষ্টায় ৫ নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করার জন্য দলে ডাকা হয়েছে ইমরুল কায়েসকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলে যায়গা হলো না এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের। টানা ব্যর্থতার পরেও দলে টিকে গেছেন মিঠুন চৌধুরি। বিসিবির এই সিদ্ধান্তের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ট্রল করা হচ্ছে।
১৫ সদস্যের দলে আছেন চার স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় নাঈম শেখ, তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম। করোনাভাইরাসের কথা চিন্তা করেই চার স্ট্যান্ডবাই রাখা। তারাও দলের সঙ্গে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকবেন।
দল ঘোষনার পর প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে আমরা ওয়ানডে সিরিজ খেলেছি। তিন শূন্যতে জিতেছি। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে আমরা দলে খুব বেশি পরিবর্তন আনিনি। আশা করি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও আমরা ভালো করবো।’
মিনহাজুল বলেছেন, ‘ঘরের মাঠে আমরা সবসময় ভালো খেলি। এই সিরিজেও তাই হবে আশা করি। নিউজিল্যান্ডে ভালো করতে পারিনি। কিন্তু ঘরের মাঠে খেলার আগে খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসী আছে। আমরা একটি ভালো সিরিজের প্রত্যাশা করছি।’
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম।
স্ট্যান্ডবাই: নাঈম শেখ, তাইজুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম।