a গত ১ মাসে সেনাবাহিনীর দেড় হাজার সদস্য নিহতের খবর
ঢাকা বুধবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

গত ১ মাসে সেনাবাহিনীর দেড় হাজার সদস্য নিহতের খবর


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৩৫
গত ১ মাসে সেনাবাহিনীর দেড় হাজার সদস্য নিহতের খবর

ফাইল ছবি

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াই তুলনামূলকভাবে বেড়েই চলেছে। ভারতের এএনআই নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার (এনইউজি) বাহিনীর ১৩২টি লড়াইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

বিদ্রোহী পক্ষের বরাতে রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনা সদস্যদের মধ্যে প্রাণহানী বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে জান্তা ১২০টি টাওয়ার থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। শুধুমাত্র গত মাসেই দেশটির সেনাবাহিনীর ১ হাজার ৫৬০ জন সেনা নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৫৫২ জন।

তবে জান্তা সরকারের মুখপাত্র জাও মিন তু জাতীয় ঐক্যের সরকারের এমন দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি এত সংখ্যক সেনা সদস্য নিহত হতো, তাহলে দেশ পরিচালনার মতো কেউ থাকতো না।

গত ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত করে দেশটির জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। এরপর অভ্যুত্থানবিরোধী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ১৬ এপ্রিল সু চিকে স্টেট কাউন্সেলর করে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেন। এই সরকার মূলত দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় এবং নির্বাসিত থেকে কাজ করছে।

গত ৮ মাসে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ৭ হাজার ১৬৪ জন বিদ্রোহীকে আটক করাসহ ১ হাজার ১১৬ বিদ্রোহীকে গুলি করে হত্যা করেছে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা আখুন্দজাদা এই প্রথম জনসম্মুখে আসলেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৫২
তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা আখুন্দজাদা এই প্রথম জনসম্মুখে আসলেন

ফাইল ছবি

প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে দেখা গেল তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাকে। রোববার তালেবান কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কান্দাহারে জনসম্মুখে ভাষণও দিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

পাঁচ বছর আগে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তাকে কখনই জনসমক্ষে দেখা যায়নি। গত আগস্ট মাসে তালেবান আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখল করার পরও তিনি আড়ালেই থেকে যান। এর ফলে তালেবান সরকারে তার কী ভূমিকা হতে পারে তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা শুরু হয়। এমনকি তিনি বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়েও গুজব রটেছিল।

কান্দাহারের দারুল উলুম হিকমাহ্ মাদ্রাসায় শনিবার তিনি যে ভাষণ দিয়েছেন তার কোন ছবি বা ভিডিও পাওয়া না পাওয়া গেলেও ১০ মিনিটের ভাষণের একটি অিডও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যায়।

এই ভাষণে, তার মতে অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে যারা ২০ বছর ধরে লড়াই করেছেন তাদের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

২০১৬ সালে তালেবানের তৎকালীন প্রধান মুল্লাহ্ আখতার মনসুর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর হায়বাতুল্লাহ্ আখুনজাদা শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনটি আল কায়দা নেতা আইমান আল জোয়াহিরিরও সমর্থন দেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৮:৩৩
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে নগরায়ণ ও নগর পরিকল্পনায় মাটির প্রকৃতি, ভূতলের উচ্চতা, ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রভৃতিকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এর নগর অঞ্চল ও পরিকল্পনা বিভাগের সেমিনারে এসব মন্তব্য করেন বক্তারা।  

তারা আরও বলেন, রাজধানী ঢাকার নগরায়ণ প্রক্রিয়ায় জলাশয়-জলাভূমিকে ভরাট করে আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাণের কারণে ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগের শঙ্কা বেড়েই চলেছে।  

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ‘ঢাকা শহরের ভূ-প্রকৃতি এবং অভ্যন্তরীণ ভূতাত্ত্বিক বিন্যাস এর নগর পরিকল্পনাগত প্রভাব’ শীর্ষক পরিকল্পনা সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এসব মতামত দেন।

নগরপরিকল্পনাবিদরা বলেন, বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে ভূমির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মাহফুজুল হক বলেন, গত দুই দশকে ঢাকার নগরায়ণ প্রক্রিয়ায় পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের যেসব এলাকায় নগরায়ণ হয়েছে, সেসব এলাকার মাটির বৈশিষ্ট্য ও ভূতাত্ত্বিক গঠন নগরায়ণের উপযোগী নয়। ফলে ভূমিকম্প হলে বসিলার মত এলাকায় দুর্যোগ ও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেশি থেকে যায়।

তিনি বলেন, ঢাকার ভূমিতলের উচ্চতা ৫-১৮ মিটার এর মধ্যে এবং এই অঞ্চলের অনেক স্থানে ভবন নির্মাণ ও নগরায়ণের জন্য উপযোগী লাল মাটি বিদ্যমান আছে। আবার অনেক এলাকায় প্রাকৃতিকভাবেই নিচুভূমি, জলাশয় ও ভূ-অভ্যন্তরে পানি ধারণ অঞ্চল বা একুইফার আছে। যথাযথভাবে ভূমি উপযোগিতা বিশ্লেষণ না করে বর্তমানে নগরায়ণ হওয়াতে সামনের দিনে নগর দুর্যোগের শঙ্কা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক