a
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতি গোপনীয় নথি ফাঁস এবং সেসব নথি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন বিমানবাহিনীর ১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। তার নাম জ্যাক টাশেরা (২১) । সে মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের একজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের বিষয়টি জানায় যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারলান্ড। তিনি বলেন, অনুমতিব্যতিত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক অতি গোপনীয় নথি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও এর তথ্য বেহাতের ঘটনা তদন্তে সন্দেহভাজন টাশেরাকে গ্রেফতার করেছে এফবিআই।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচারবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গারলান্ড জানান, “এফবিআই সদস্যরা টাশেরাকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে তদন্ত চলমান।”
এফবিআই জানিয়েছে, ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের সংস্থাটির সদস্য নর্থ ডিগটন শহরের একটি বাড়ি থেকে টাশেরাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত তৎপরতা চলছে। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য কতিপয় মূর্খ মানুষ দায়ী। এই সংঘাত বৃদ্ধির কারণে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়াতে আলোচনার মাধ্যমে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধান জরুরি। নেভাদা অঙ্গরাজ্যে শনিবার ‘সেভ আমেরিকা’ শীর্ষক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। খবর উইওনের।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আমাদের পৃথিবীর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না কারণ ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিপদ সম্পর্কে মূর্খ লোকদের কোনো ধারণা নেই। আমাদের অবশ্যই অবিলম্বে ইউক্রেনের যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ অবসানের জন্য আলোচনার দাবি জানাতে হবে। নয়তো আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে শেষ হয়ে যাব এবং আমাদের গ্রহের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এর আগেও ট্রাম্প এই আশঙ্কার কথা বলেছিলেন। একটি রেডিও শোতে তিনি বলেন, ইউক্রেনের সংঘাত অসাবধানতাবশত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মানবসভ্যতার জন্য বিপর্যয়কর পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে বিশ্ব। বাইডেন সতর্ক করে বলেন, রাশিয়া ছোট আকারের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করলে দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সেটা মানবসভ্যতাকে বিপর্যয়কর হুমকির (আরমাগেডন) মুখে ফেলবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে রাশিয়ার দখলে থাকা খেরসন ও মারিউপোল শহরের বাসিন্দাদের পাসপোর্ট দিচ্ছে রুশ সরকার। স্থানীয় সময় শনিবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো খেরসনের ২৩ বাসিন্দার হাতে পাসপোর্ট তুলে দেওয়া হয় এ তথ্য জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস। খবর বিবিসির।
রতিবেদনে বলা হয়, খেরসনের প্রায় এক হাজারের মতো বাসিন্দা রাশিয়ার পাসপোর্ট পেতে আবেদন করেছিলেন। খেরসনে রাশিয়ার নিযুক্ত সামরিক গভর্নর ভলোদিমির সালদো বলেছেন, শহরটির বাসিন্দারা যত দ্রুত সম্ভব রাশিয়ার নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে পাসপোর্ট সরবরাহে রাশিয়ার পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির মতে, রুশ পাসপোর্ট দেওয়ার মাধ্যমে ইউক্রেনের বাসিন্দাদের রাশিয়ার নাগরিক বানানো হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ‘প্রকাশ্য লঙ্ঘন’ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশপন্থী সরকারের পতনের পর ২০১৪ সালে দেশটির ক্রিমিয়া অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল রাশিয়া। একই বছরে পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলকে ‘প্রজাতন্ত্র’ হিসেবে ঘোষণা করেন মস্কোপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের তখন থেকে রুশ পাসপোর্ট দেওয়া শুরু করেছিল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিমিয়া এবং রুশ নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক ও দোনেৎস্কে রুবলের ব্যবহার শুরু করেছে মস্কো। এ অঞ্চলের স্কুলগুলোতে রাশিয়ার পাঠ্যক্রম চালু করেছে। সূত্র: যুগান্তর