a
ফাইল ছবি
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমে বাড়ছেই। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, তিনি ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তার সরকার চায় নিজ দেশের নাগরিকরা যেন দ্রুত ইউক্রেন ছাড়েন। ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মরিসন বলেন, ইউক্রেনে অবস্থানরত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকরা যদি চান তবে তাদের দেশটি ছেড়ে চলে আসার এখনই উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, যারা এখনও ইউক্রেনে আছেন তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই কাজ করছেন দূতাবাসের কর্মীরা। আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্যও রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণের পর সেদেশ থেকে ছেড়ে যাচ্ছেন সরকারি লোকজন ও মার্কিন বাহিনী। তাদের সহযোগিতা কারতে ও নিরাপত্তা দিতেই কাবুলের আকাশে একে একে চক্কর দিচ্ছে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে অভিযান অব্যাহত আছে, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কাবুলের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি এক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো কাবুল শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে।
জন কিরবি বলেন, যেকোনো হুমকি থেকে আমাদের লোকজন ও অভিযানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্যই মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো কাজ করে যাচ্ছে।
ফাইল ছবি
শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার পর ভারতের সঙ্গে কূটনীতিক টানাপোড়েন চলছে কানাডার। দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীও। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সমর্থনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন খুনীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে কানাডা।
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়া উচিত না। খুনিরা কানাডায় গিয়ে আশ্রয় নিতে পারে এবং সেখানে তারা সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে। অথচ তারা যাদের হত্যা করেছে, তাদের স্বজনরা কষ্ট পাচ্ছে।’
সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর খুনির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিচার বিভাগ খুবই স্বাধীন এবং সরকার এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে, (নূর চৌধুরী) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সুযোগ রয়েছে। তিনি যদি বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তাহলে নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী উভয়েই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর করে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাও মঞ্জুর করতে পারেন।’
মানবাধিকারের নাম ভাঙিয়ে খুনিদের বাঁচানোর চেষ্টা করার প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোমেন বলেন, ‘অনেক সময় অনেকের মাধ্যমেই মানবাধিকারের ধারণার অপব্যবহার করা হচ্ছে। এটি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক কারণ অনেক সময় খুনি এবং সন্ত্রাসীদের রক্ষা করার জন্য কিছু লোক অজুহাত হিসেবে মানবাধিকারের অজুহাত দেয়।’
সাম্প্রতিক ভারত-কানাডা দ্বন্দ্বকে আপনি কীভাবে দেখেন এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের নিয়ে কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশও একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক এবং কানাডার সঙ্গেও আমাদের ভালো সম্পর্ক। দুই দেশই বন্ধু। আমি ভারত এবং কানাডার মধ্যে এই সমস্যাটির বিশদ বিবরণ জানি না তবে কানাডার সঙ্গে আমাদের সমস্যার বিষয়ে আমি জানি। সূত্র: ইত্তেফাক