a
ফাইল ছবি
চীনের পাঁচটি ফার্ম রাশিয়ার সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পকে সহায়তার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র এই পাঁচ কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগ।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি- চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর আগে ওই কোম্পানিগুলো রাশিয়ার ‘উদ্বেগজনক সংস্থাগুলোকে’ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করেছিল। হামলা শুরুর পরেও তারা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা রুশ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি অব্যাহত রেখেছে।
তবে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এসব দাবি স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ফটো:
বাইডেন প্রশাসন জানান, খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলায় তার সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু এ পদক্ষেপ কার্যকর হতে সময় লাগবে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালে অনাহারে দিন কাটানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৫ কোটির বেশি। ২০১৯ সালেই এই সংখ্যা ছিল সাড়ে ৩ কোটি।
এরই মধ্যে দেশটির বড় বড় শহরগুলোর কিছু কিছু পাড়ার বাসিন্দারা এসব অনাহার সঙ্কটের মোকাবিলা করতে অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন।
পাড়ার অভুক্ত বাসিন্দাদের খাওয়াতে ও সাহায্য করতে সবাই মিলে রাস্তায় রাস্তায় বসিয়েছেন খাবারের জায়গা। পাড়ার রাস্তার ধারে রাখা হচ্ছে রঙবেরঙের ফ্রিজ। আর অভুক্ত থাকা মানুষের জন্য সেসব ফ্রিজ খাবারে পরিপূর্ণ করে রাখছেন পাড়ারই সস্ছল মানুষ।
নিউইয়র্ক, লসঅ্যাঞ্জেলস, শিকাগো, মায়ামির মতো বড় বড় শহরগুলোতে এসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
উদ্যোগতারা জানান, করোনা মহামারির সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ৬ জন মানুষের মধ্যে ১ জনকে অভুক্ত থাকতে হয়েছে। আর অভুক্ত সেসব মানুষকে সাহায্যের জন্যই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের অসহায় প্রতিবেশিদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন।
এলাকার প্রধান সড়কগুলোর পাশেই ফ্রিজগুলো স্থাপন করা হয়েছে। যাতে স্থানীয় বিত্তবানরা সহজেই সেসব ফ্রিজে খাবারসহ প্রয়োজনীয় পণ্য রাখতে পারেন। আর অভুক্ত মানুষগুলোও যাতে খুব সহজেই সেগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। এসব ব্যবস্থা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রিজগুলো ব্যবহার করতে পারবেন যে কেউ।
ফাইল ছবি
পশ্চিমাদের অবিবেচক পদক্ষেপই বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ বুধবার (১৮ মে) এ কথা বলেন। ইউক্রেনে রুশ অভিযানের অনেক আগে থেকেই সংকটের শুরু বলেও তিনি জানান।
দূতাবাসের প্রেস সার্ভিস তার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে পশ্চিমের সম্মিলিত অবিবেচক পদক্ষেপের কারনে কয়েক বছর ধরেই খাদ্য নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়। মহামারির প্রভাবে তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
এদিকে এর আগে জাতিসংঘ প্রধান এন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বে খাদ্য সংকটের বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া ও বেলারুশের সার এবং ইউক্রেনের শস্য ছাড়া বিশ্ব খাদ্য সংকট পুরোপুরি মোকাবেলা করা সম্ভব হবেনা। সূত্র: ইত্তেফাক