a
ফাইল ছবি: জো বাইডেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারিন জিন-পিয়া বলেছেন, বৃহস্পতিবার করোনা শনাক্ত হওয়া বাইডেনের মধ্যে মৃদু লক্ষণ ছিল এবং তিনি প্যাক্সলোভিড নামে একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ খাচ্ছেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য সফর থেকে ফিরে আসার ৪দিন পর প্রেসিডেন্ট বাইডেনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে তিনি ইসরাইল, ফিলিস্তিন এবং সৌদি আরবের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সফরে সর্বশেষ কয়েকটি আরব দেশের নেতাদের সঙ্গে একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
জো বাইডেন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০২১ সালের জানুয়ারীতে ফাইজার-বাইয়োনটেকের কোভিড ভ্যাকসিন নেন এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এবং ২০২২ সালের মার্চে ফাইজারের বুস্টার ডোজ নেন।
পুরোপুরি ভ্যাকসিন নেওয়া সাধারণ মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক। কারণ এরই মধ্যে ভাইরাসটির বিভিন্ন ধরণের জন্ম হয়েছে।
তবে ভ্যাকসিন নেওয়ার কারণে করোনায় আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বা মৃত্যুহার অনেকটা কমে গেছে। সূত্র: ব্লুমবার্গ
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মুজাহিদিন ব্রিগেড সামরিক মহড়া চালিয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজেদের লড়াইয়ের প্রস্তুতির লক্ষে শনিবার এই সামরিক মহড়া চালায়। গাজা উপত্যকার বেশ কয়েকটি অংশে ‘কার্যকর প্রতিশ্রুতি’ নামে ফিলিস্তিনিরা এই মহড়া চালায়।
গাজার স্থল ও সমুদ্র ভাগে প্রতিরোধ যোদ্ধারা নানা রকমের যুদ্ধ-দৃশ্যের অবতারণা করে। ইসরায়েলি সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ইহুদিরা সাম্প্রতিককালে পবিত্র আল-কুদস শহরে সহিংসতা চালাচ্ছে, তার প্রতিরোধকল্পে এই মহড়ার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।
মুজাহিদিন ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ দুই সংগঠনের নেতারা কুদস শহরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
আল-কুদস শহরে গত কয়েকদিনের সংঘর্ষে বহু ফিলিস্তিনি হতাহত ও প্রায় শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ইহুদীবাদীরা মাঝে মধ্যেই সেখানে মিছিল বের করছে এবং আরবরা নিপাত যাক স্লোগান দিচ্ছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
সিলেটের ওসমানীনগরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নিহতের স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত রবিবার (৯ মে) দুপুরে স্থানীয় থানায় কনে পক্ষ হত্যা মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের বড় ভাই ইসলাম উদ্দিন শনিবার (৮ মে) রাতে নিহতের স্বামী এবং শ্বাশুড়িকে আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামালা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুরে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর বাড়ি থেকে নিহত শরিফা বেগমের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ বিদ্যমান ছিল। নিহত শরিফা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে দাবি তার পরিবারের।
তবে স্বামী ও শাশুড়ির অভিযোগ ছিল, শরিফা আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু শনিবার দুপুরে তার স্বামীর নিজ ঘরের বিছানা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওসমানীগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের ভাই মামলা দায়ের করেন। আসামীদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে নিহত শরিফার পারিবার থেকে জানতে পারা যায়, প্রায় ৯ মাস আগে ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর ছেলে আরশ আলীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া গ্রামের শাকিম উল্লাহর ছোট মেয়ে শরিফার। বিয়ের অল্পকিছুদিন পর থেকেই যৌতুকসহ নানা কারণে স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগম তার ওপর বিভিন্ন সময় অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেন। বিষয়টি নিহতের পরিবার জানা সত্ত্বেও শরিফা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় কারণে তার বাবা মা তাকে এসব সহ্য করে শ্বশুরবাড়িতেই থাকার কথা বলে।
পরিবারের অভিযোগ, এই রমজানে আরশ আলী শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান। এ সময় ইফতার দিতে কিছুটা দেরি করার নানা কথা শোনান স্বামী। এছাড়া তাকে কেন আলাদাভাবে সাজানো থালায় ইফতার দিল না এ নিয়ে তাদের উভয়ের মাঝে তুমুল ঝগড়া হয়।
গত শুক্রবার (৭ মে) সন্ধ্যায় শরিফার বাবা তার স্বামীসহ অন্যান্য সদস্যদের জন্য ঈদের উপহার এখনো কেন নিয়া আসে নাই তা নিয়ে আবার ঝগড়া শুরু হয়। ঘটনার একপর্যায়ে শরিফাকে তার স্বামী ও শাশুড়ি মারধর করে। বিষয়টি সাথে সাথেই তার ভাইকে ফোন করে জানান শরিফা। পর সাহরির সময়ে শরিফার মোবাইল বন্ধ পান তার পরিবার। পরে যখন নতুন জামা কাপড় নিয়ে শরিফার বোন রওয়ানা হন পথিমধ্যে খবর পান শরিফা ভীষণ অসুস্থ তার এসে দেখেন তার বোন চিরতরে ঘুমিয়ে গেছে।