a
সংগৃহীত ছবি
ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার একটি ভবনে শত্রুদের নাশকতার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এতে কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
ইরানের আইআরআইবি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, আজ ভোরে পারমাণবিক শক্তি সংস্থার ভবনগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ কর্তৃপক্ষের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে নাশকতার চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে। ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর ফলে শত্রুরা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আর এগোতে পারেনি।
বার্তা সংস্থাটি এর চেয়ে বেশি কিছু জানায়নি। কারণ এখনো এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত চলছে। নাশকতার চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
ইসলামি বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর (আইআরজিসি) সাথে ঘনিষ্ঠ সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বলা হয়, একটি ড্রোন ওই ভবনে হামলার চেষ্টা করেছিল। আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সাথে ঘনিষ্ঠ বিবেচিত নূর নিউজ জানায়, হামলাটি আগেভাগেই ভণ্ডুল করে দেয়া হয়েছে।
ইরানে আগেও কয়েকবার অন্তর্ঘাতমূলক হামলা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ইরানি জাতির দৃঢ় মনোবল নষ্ট করতে পারেনি। শত্রুদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিসহ সব উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: পার্স টুডে ও আল জাজিরা
ফাইল ফটো:ফারাক্কা বাঁধ
ভারতের বিহার রাজ্যের পানিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা অভিযোগ করেন, ফারাক্কা বাঁধের ত্রুটিযুক্ত নকশার ফলে বর্ষার সময় রাজ্যে বন্যা হয় এবং বছরের বাকি সময়গুলোতে প্রচন্ড খরা হয়। তিনি এই পরিস্থিতির জন্য তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফারাক্কার পানিবণ্টন চুক্তিরও সমালোচনা করেন।
গতকাল শনিবার হিন্দুস্থান টাইমস এ খবর প্রকাশ পায়। এর আগেও বিভিন্ন সময় বাঁধের ফটকগুলোতে গঙ্গার পলিমাটি জমে বিহারে সৃষ্ট বন্যা হওয়ায় ফারাক্কা বাঁধকে দায়ী করা হয়েছে।
শুক্রবার এক সেমিনারে ঝা বলেন, ফারাক্কা ব্যারেজের ত্রুটিযুক্ত নকশার ফলে নদীর তলদেশে ভারি পলি জমে যায় এবং বৃষ্টির সময় নদীর তীর ধরে সমগ্র অঞ্চল প্লাবিত হয়।
বর্ষার পর বিহারের নদীগুলোকে গঙ্গায় ১৪০০ কিউসেক পানি সরবরাহ করার কথা, কিন্তু পলি মাটি জমা হওয়ার ফলে পানি প্রবাহিত না হয়ে নদীর বন্যা তৈরি হচ্ছে।
ফাইল ছবি
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট হবে আগামী ৭ জানুয়ারি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সংঘাত ও সহিংসতা পরিহার করে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছেন, সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা ও সমাধান অসাধ্য নয়।
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো এই তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে। তফসিল প্রত্যাখ্যান করে রাজধানীতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ করে বাম গণতান্ত্রিক জোট, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল। তফসিলের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এ দিন আধা বেলা হরতাল ডেকেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। অন্যদিকে এই তফসিলকে স্বাগত জানিয়ে গতকাল সারা দেশে মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ। সূত্র: প্রথম আলো