a
সংগৃহীত ছবি
ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার একটি ভবনে শত্রুদের নাশকতার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এতে কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
ইরানের আইআরআইবি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, আজ ভোরে পারমাণবিক শক্তি সংস্থার ভবনগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ কর্তৃপক্ষের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে নাশকতার চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে। ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর ফলে শত্রুরা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আর এগোতে পারেনি।
বার্তা সংস্থাটি এর চেয়ে বেশি কিছু জানায়নি। কারণ এখনো এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত চলছে। নাশকতার চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
ইসলামি বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর (আইআরজিসি) সাথে ঘনিষ্ঠ সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বলা হয়, একটি ড্রোন ওই ভবনে হামলার চেষ্টা করেছিল। আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সাথে ঘনিষ্ঠ বিবেচিত নূর নিউজ জানায়, হামলাটি আগেভাগেই ভণ্ডুল করে দেয়া হয়েছে।
ইরানে আগেও কয়েকবার অন্তর্ঘাতমূলক হামলা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ইরানি জাতির দৃঢ় মনোবল নষ্ট করতে পারেনি। শত্রুদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিসহ সব উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: পার্স টুডে ও আল জাজিরা
ফাইল ছবি। ইসরায়েলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ
লেবাননের সঙ্গে যে কোনো যুদ্ধ শুরু হলে তা গাজার চেয়ে অন্তত ১০ গুণ ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেছেন ইহুদিবাদী ইসরায়েলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ। তিনি বলেন, গাজা যুদ্ধের সময়ের চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক পরিস্থিতি মুখোমুখি হতে হবে।
এক সংবাদ সম্মেলনে বেনি গান্তজ এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সমাজকে এটাও বুঝতে হবে যে, আমাদের যদি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম না থাকত তাহলে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শত শত ইসরায়েলি নিহত হত।
উল্লেখ্য, দখলদার ইসরাইল বর্তমানে চরম রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। সরকার গঠন নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে দিন পার করছে। গত দুই বছরে চারটি সংসদ নির্বাচন হওয়ার পরও সংকটের সুরাহা হয়নি। এ অবস্থায় গাজা যুদ্ধ ইসরায়েলিদের মধ্যে বিভক্তি দিন দিন বাড়িয়ে তুলেছে। সূত্র: পার্সটুডে।
ফাইল ছবি
তথ্যপ্রযুক্তির যুগে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষান-কৃষানীরা বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটিয়ে উঠোন ও বাড়ির আনাচে কানাচে তিল পরিমান জমি অনাবাদি না রেখে প্লাস্টিকের বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এতে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয়ের পথও দেখছেন তারা।
আজ রবিবার (১৩ জুন) সরেজমিনে, নিতাই ইউপি’র পানিয়ালপুকুর চানষা পাড়া গ্রামের কৃষক বুলবুল জানান, দীপ্ত টিভিতে বস্তায় আদা চাষ বিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে এ বছর ৩শত বস্তায় আদা চাষ করেছি।
তিনি আরো জানান, বস্তায় আদা চাষের সুবিধা হচ্ছে, অনাবাদি জমির সদ্ব্যবহার, অন্যদিকে হালচাষ ও শ্রমিক বিহীন এ ফসল উৎপাদন হচ্ছে।
আর যাদের আবাদি জমি নেই তারাও ইচ্ছে করলে বসতবাড়ির আশপাশে, আঙিনায়, সুপারি বাগান কিংবা অন্যান্য পতিত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করতে পারেন।
এক একটি বস্তায় ২ থেকে ৩টি করে বীজ আদা রোপন করে ২থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। বীজ লাগানোর সময় মাটি শোধন করায় রোগ বালাই কম হয়।
সদর ইউপি’র রুপালি কেশবা গ্রামের সুমন জানান, বছরের অনেক সময় আদার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়।
তাই কয়েক বছর ধরে স্বল্পপরিসরে মিল চাতালের ওয়ালে বস্তায় আদা চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় হচ্ছে। ওই কৃষকদের পাশাপাশি সদর ইউপি’র ইসমাইল যদুমনি গ্রামের কৃষক রশিদুল জমির আইলে ২৫০টি বস্তা, উত্তর দুরাকুটি পশ্চিম পাড়া গ্রামের আতাব্বর টোনেয়া বসত বাড়ির আঙিনায় ১৫০ বস্তা আদা লাগিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, বর্তমানে উপজেলায় যাদের জমি কম এ ধরনের প্রায় হাজার খানেক কৃষক সবজি চাষের পাশাপাশি বস্তায় আদা চাষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখছে। আর কৃষি অফিস থেকেও বস্তায় আদা চাষে মাঠ পর্যায়ে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।