a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সেনাদের প্রত্যাহার শুরুর পর হামলা বাড়িয়েছে স্বশস্ত্র সংগঠন তালেবান। এমন পরিস্থিতিতে আজ শনিবার (১৭ জুলাই) তালেবান ও আফগানিস্তান সরকারের প্রতিনিধিরা কাতারের রাজধানীর দোহায় বৈঠকে বসছেন।
জানা যায়, বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যে কাতার গেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই, সরকারের সাবেক প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ। এছাড়া আফগানিস্তান সরকারের ওই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন নাজিয়া আনওয়ারি। প্রতিনিধিদলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
নাজিয়া আনওয়ারি জানান, কাতারে দুই পক্ষের আলোচনা হবে। আফগানিস্তানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করাই মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এর মধ্য দিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি আসবে। দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে।
ফাইল ছবি
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ হামলার পর ইউক্রেনের ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক নাগরিকেরা নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান দশম দিনে গড়িয়েছে। স্থানীয় সময় আজ শনিবার ভোরে দুই পক্ষের সেনাদের লড়াই চলছে বলে জানা গেছে। খবর বিবিসির।
রাশিয়ার সেনাদের ব্যাপক গোলাবর্ষণে ইউক্রেনের শহরগুলো চাপের মুখে আছে। ইউক্রেন বলছে, বেসামরিক অবস্থান লক্ষ্য করেও নির্বিচার আক্রমণ চলছে। কৃষ্ণসাগর উপকূলীয় ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের শহরগুলো আছে সবচেয়ে বেশি চাপে। এ ছাড়া দেশটির উত্তর ও পূর্ব দিক থেকেও আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রুশ সেনারা।
সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে কৌশলগত বড় বড় বন্দর আছে। এর নিয়ন্ত্রণ রাশিয়াকে ইউক্রেনে আসা সরবরাহ পথ বন্ধ করে দিতে সহায়তা করবে। দক্ষিণ-পূর্বের বন্দর নগরী মারিওপোল দখল করে রুশ সেনারা শহরটি অবরুদ্ধ করেছেন জানিয়ে মানবিক সাহায্যে করিডর তৈরির আকুতি জানিয়েছেন এর মেয়র।
গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নেয় রুশ বাহিনী। ইউরোপে এটি সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। মারিওপোল রাশিয়াকে ইউক্রেনের একটি বড় বন্দরের নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছে। এর সঙ্গে ক্রিমিয়া এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রে করিডর তৈরি করবে রাশিয়া।
এদিকে, ইউক্রেনের আকাশকে উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকা (নো-ফ্লাই জোন) ঘোষণার দাবি বারবার প্রত্যাখ্যান করায় পশ্চিমাদের নিন্দা জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা আবারও সংগঠিত হচ্ছে এবং বর্তমানে তারা অনেক জায়গায় অত্যাধুনিক ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সংকটকে কাজে লাগিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠীটি আবারও সংগঠিত হয়ে নাশকতা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর আনাদোলুর। জাতিসংঘের পদস্থ কর্মকর্তা ভ্লাদিমির ভরনকভ বলেন, জঙ্গি গ্রুপটি সম্প্রতি ইরাকের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে।
সেখান থেকে তারা বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইএস নেতাদের হাতে এখন ৫০ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ আছে। জাতিসংঘ কর্মকর্তা বলেন, আইএস এখন শুধু ইরাক আর ইরানেই সীমাবদ্ধ নেই, তাদের নেটওয়ার্ক বর্তমানে আফগানিস্তান, সোমালিয়া ও চাদ পর্যন্ত বিস্তৃত।
সম্প্রতি ইরাক-সিরিয়া সীমান্তে আইএসের তৎপরতা বেড়ে গেছে বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর