a
ফাইল ছবি । তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচিম মিচিচি
তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচিম মিচিচিকে বরখাস্তের পর দেশটিতে এক মাসের কারফিউ চলছে। দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক এই সংকটের মধ্যে সামনে এলো নতুন তথ্য। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পদত্যাগের আগে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিচিম মিচিচিকে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে পেটানো হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়। তবে পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কী ধরনের আঘাত পেয়েছিলেন তা অবশ্য জানা যায়নি। পদত্যাগের পর থেকে মিচিচি নিজেও আর জনসম্মুখে আসেননি, এমনকি এ ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্যও করেননি।
অন্যদিকে মিডল ইস্ট আই বলেছে, ‘তিনি মুখে আঘাত পেয়েছিলেন, যে কারণে তিনি জনসম্মুখে আসছেন না।’
উল্লেখ্য, মহামারী করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারি বিধিনিষেধের কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে তিউনিসিয়া। একইসঙ্গে দেশটিতে রাজনৈতিক দলগুলোর বিবাদের কারণে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ফাইল ছবি
নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারি আগামী নভেম্বরে নেপালের সাধারণ নির্বাচরনের আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে দেশটির সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। এ নিয়ে নেপালে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট শুরু হলো। খবর রয়টার্সের।
গত বছর ২০ ডিসেম্বর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি হঠাৎ করে দেশটির নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কাঠমান্ডু পোস্টের খবরের বরাত দিয়ে বলা হয়, দেশটির নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর দেশটির সর্বোচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। আদালত ঘোষণা দেয় এ সিদ্ধান্ত সম্পুর্ণ অসাংবিধানিক।
এরপর প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি গতকাল শুক্রবার রাত ২টার দিকে হঠাৎ পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি কিংবা বিরোধী নেতা শের বাহাদুর দেউবা—কেউই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত তাদেরকে সময় দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আগামী ১২ নভেম্বর হবে প্রথম ধাপের নির্বাচন এবং দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৯ নভেম্বর। প্রেসিডেন্টের গৃহিত এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো নেতা কেউ কোন মন্তব্য করেনি।
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শনিবার থেকে দিনের বেলায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল একেবারে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। তবে সন্ধ্যার পর থেকে সীমিত পরিসরে জরুরি প্রয়োজনে কয়েকটি ফেরি চলবে। রাতে চলা ফেরিগুলো শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে আসা যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদ। শুক্রবার রাতে তিনি জানান, ‘ঈদ ঘিরে দিনের বেলায় ফেরিতে ঘরমুখী যাত্রীর চাপ খুব থাকে। আপাতত কাল (শনিবার) সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
বিআইডব্লিউটিসি ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে সাধারণত ১৬টি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে পারপার হয়। কিন্তু লকডাউন থাকায় ১৪ এপ্রিল থেকে সীমিত করা হয় ফেরি চলাচল। লকডাউনের শুরুতে দিনের বেলায় ২ থেকে ৩টি ফেরি ছাড়া হলেও শুক্রবার থেকে যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজনে আসা যানবাহনের চাপ বেশি থাকা প্রায় সব কয়টি ফেরি চলাচল করে আগের মতো।
এসব ফেরিতে সাধারণ যাত্রীরাই বেশি পারাপার হতে দেখা যায়। এ কারণে বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে শনিবার সকাল থেকে দিনের বেলায় ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ফেরিঘাট সূত্রে জানা যায়, যাত্রীদের চাপের কারণে শিমুলিয়া থেকে ফেরিটিতে কোনো গাড়ি উঠতে পারেনি। প্রায় ১২০০ যাত্রী নিয়ে ফেরিটি যাত্রা করে। হাজার হাজার মানুষ ফেরিতে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়েই পদ্মা নদী পারি জমান।
এসময় অধিকাংশের মুখে ছিল না মাস্ক। আবার কারও মাস্ক থাকলেও নামানো ছিল থুতনিতে। ফেরিতে গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে পার হয়েছেন নদী। এসব পরিস্থিতি দেখে করোনা সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।