a দিনিপ্রো নদীর বাঁধ ধ্বংসে রাশিয়া ইউক্রেন একে অপরকে দোষারোপ
ঢাকা বুধবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দিনিপ্রো নদীর বাঁধ ধ্বংসে রাশিয়া ইউক্রেন একে অপরকে দোষারোপ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২, ১২:০১
দিনিপ্রো নদীর বাঁধ ধ্বংসে রাশিয়া ইউক্রেন একে অপরকে দোষারোপ

ফাইল ছবি

রাশিয়া ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি বাঁধ উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে দাবি করেছে কিয়েভ। এরই মধ্যে বাঁধটির গায়ে বিস্ফোরক বসানো হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই বাঁধ ধ্বংস করা হলে ইউক্রেনের বিশাল এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে। তাতে অগণিত মানুষের প্রাণহানিরও আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধটিকে রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

এছাড়া প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করে বলেছেন, শস্যের চালান বিলম্বিত করে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতিকে প্রকট করে তুলছে মস্কো। শত্রুরা আমাদের খাদ্য রপ্তানি কমিয়ে আনতে সব চেষ্টায় করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, নোভা কাখোভকা বাঁধে বিস্ফোরক বসিয়েছে রুশ বাহিনী এবং সেটি উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, এখন রাশিয়ার একটি নতুন ‘সন্ত্রাসী হামলা’ ঠেকাতে বিশ্বের সবাইকে শক্তিশালীভাবে এবং দ্রুত কাজ করতে হবে। বাঁধটি ধ্বংস করার মানে হবে বড় মাত্রার বিপর্যয়। সুদীর্ঘ দিনিপ্রো নদী ইউক্রেনকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে এবং কিছু কিছু জায়গায় এটি কয়েক কিলোমিটার প্রশস্ত। এই নদীর ওপর তৈরি বাঁধটি ধ্বংস হয়ে গেলে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। এতে ইউক্রেনের দক্ষিণাংশে সেচ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়বে।

রাশিয়া সম্প্রতি জাপোরিঝিয়া, খেরসন, লুহানস্ক ও দোনেত্স্ককে নিজেদের অংশ ঘোষণা করেছে। তবে খেরসনে এখনো তীব্র লড়াই চলছে দাবি করছে ইউক্রেন। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর কমান্ডার সের্গেই সুরোভিকিন গত মঙ্গলবার দাবি করেন, তার কাছে তথ্য রয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী বাঁধের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা এরই মধ্যে একটি বড় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। সুরোভিকিন বলেন, কিয়েভ সরকার খেরসনে যুদ্ধে নিষিদ্ধ পদ্ধতি ব্যবহার এবং কাখোভকা বাঁধে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতির বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

তবে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, বাঁধটি মস্কো নিজেই উড়িয়ে দিয়ে এর দায়ভার কিয়েভের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করতে পারে। জেলেনস্কি বলেছেন, আমি ইউরোপীয় কাউন্সিলের বৈঠকে পরবর্তী সন্ত্রাসী হামলা সম্পর্কে জানিয়েছি। রাশিয়া কাখোভকা জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে খেরসন অঞ্চলের রুশপন্থি উপপ্রধান কিরিল স্ট্রেমাসভ বলেছেন, বাঁধটিতে রাশিয়া বিস্ফোরক বসিয়েছে বলে কিয়েভ যে অভিযোগ করেছে, তা মিথ্যা। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইরানের যে কোন যুদ্ধে ‘ট্রাম্পকার্ড’ নিজ দেশে তৈরি ড্রোন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০০
ইরানের যে কোন যুদ্ধে ট্রাম্পকার্ড নিজ দেশে তৈরি ড্রোন

ফাইল ছবি

ইরানের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহীম মুসাভি বলেছেন, পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোন যুদ্ধে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে।

ইরানের জাতীয় সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে রবিবার এক সামরিক কুচকাওয়াজের অবকাশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কুচকাওয়াজে ইরানের সর্বশেষ সামরিক অর্জন বিশেষ করে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রদর্শন করা হয়।

জেনারেল মুসাভি বলেন, আজকের কুচকাওয়াজে আপনারা যা দেখলেন তা ইরানের সামরিক শক্তির সামান্য নমুনা মাত্র। করোনা মহামারি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজ আপনারা ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন শক্তি দেখেছেন। আমেরিকার কথিত সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই শক্তির উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে।

জেনারেল মুসাভি বলেন, আজ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ড্রোন একটি বড় ধরনের শক্তিমত্তা ও ‘ট্রাম্পকার্ড’ হিসেবে আবির্ভূত এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো যুদ্ধে তা ব্যবহার করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

‘প্রতিদিন ২৫০০ রকেট ছোড়ার সক্ষমতা রয়েছে হিজবুল্লাহ’র’


আন্তর্জাতিক সংবাদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৭:১০
‘প্রতিদিন ২৫০০ রকেট ছোড়ার সক্ষমতা রয়েছে হিজবুল্লাহ’র’

ফাইল ছবি

ইহুদিবাদী ইসরায়েলের একজন সামরিক কমান্ডার বলেছেন, যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ প্রতিদিন অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ২,৫০০ রকেট ছুঁড়তে পারবে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

সামরিক কমান্ডার বলেন, এই কারণে হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধে আমরা আরও বেশি রকেট হামলার আশঙ্কা করছি। এ সংখ্যা আগের তুলনায় পাঁচগুণ বা ২,০০০টি ছাড়িয়ে যেতে পারে। মূলত আমরা ইসরায়েলের দিকে প্রতিদিন ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ রকেট হামলার আশঙ্কা করছি।

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের মে মাসে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ১১ দিনের যুদ্ধ করেছিল। এ যুদ্ধে হামাস ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৪৪০০ রকেট নিক্ষেপ করে।

ইসরায়েল বলছে, ওই রকেট হামলার ৯০ শতাংশই ঠেকিয়ে দিয়েছে তারা। মাত্র ৩০০টি রকেট দেশটির বিভিন্ন জেলায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়।

২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধে দেখা যায়, ব্যাপক সংখ্যক রকেট ছোঁড়ে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েল সেনাবাহিনীর হোম ফ্রন্ট কমান্ডের প্রধান উরি গর্ডিন বলেন, মে মাসে তেল আবিব ও আশদোদের মতো শহরগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যক রকেট হামলা হয়েছে। যা ইসরায়েলের ইতিহাসে এমনটা আর হয়নি।

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের মে মাসে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ১১ দিনের যুদ্ধ করেছিল। এ যুদ্ধে হামাস ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৪৪০০ রকেট নিক্ষেপ করে। ইসরায়েল বলছে, ওই রকেট হামলার ৯০ শতাংশই ঠেকিয়ে দিয়েছে তারা। মাত্র ৩০০টি রকেট দেশটির বিভিন্ন জেলায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়।

ইসরায়েলের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনী লেবাননে স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। তারা মনে করে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ লেবাননে অস্থিতিশীলতার উৎস। এই গ্রুপটি ইরানের স্বার্থের জন্য রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবহার করে। হিজবুল্লার বিরুদ্ধে সামরিক সক্ষমতাসহ সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক