a পরমাণু সমঝোতাকে কার্যকর করাই ইইউ’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পরমাণু সমঝোতাকে কার্যকর করাই ইইউ’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১, ০৫:৩৫
পরমাণু সমঝোতাকে কার্যকর করাই ইইউ’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সংগৃহীত ছবি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল ইরানের পরমাণু সমঝোতাকে আবার কার্যকর করাকে এই মুহূর্তে ইইউ’র কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি সোমবার ব্রাসেলসে ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।

ভিয়েনায় পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের সংলাপের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে বোরেল বলেন, এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তিতে উপনীত হওয়া কিছুটা কঠিন হলেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি এই সমঝোতা থেকে আমেরিকার একতরফা বেরিয়ে যাওয়া এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। 

ইরানে সরকার পরিবর্তন ভিয়েনা সংলাপের ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে বলেছিলেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সঙ্গে ভিয়েনায় চলমান সংলাপের কোনও সম্পর্ক নেই।

ভিয়েনার গ্রান্ড হোটেলে রবিবার ইরানের পরমাণু সমঝোতা নিয়ে সংলাপের ষষ্ঠ দফা বৈঠকের সমাপ্তি হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় এ বৈঠকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করেন চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স জার্মানি ও ব্রিটেনের প্রতিনিধিরা। আমেরিকা এ বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও পরোক্ষভাবে তাদের প্রতিনিধি ছিল।

ষষ্ঠ দফা বৈঠক শেষে সব দেশের প্রতিনিধিদল নিজ নিজ রাজধানীতে ফিরে গিয়ে অবশিষ্ট অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে যার যার দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিয়েনা সংলাপে ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেন, পরবর্তী বৈঠকে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সই করতে হলে প্রতিটি দেশকে কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন রাত: বাইডেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২, ০১:৪৬
যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন রাত: বাইডেন

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত কাদের হাতে যাবে, তা চূড়ান্তভাবে এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে দুই দলের কেউই এবারের ভোটে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত (ফলাফল ঘোষণার রাত)। খবর বিবিসি ও আল–জাজিরার

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে বাইডেন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। এ সময় নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমসহ অনেকেই বলেছিল, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশজুড়ে রিপাবলিকানদের “লাল ঢেউ” বয়ে যাবে। তবে তেমনটা হয়নি।’

তবে ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, ‘নির্বাচনে যে কোনো আসন হারানোই দুঃখজনক। এবারের ভোটে আমাদের দলের অনেক ভালো ভালো প্রার্থী জয় পাননি। ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত। তবে আমি পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্ট।’

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ‘গণতন্ত্রের জন্য সুখকর’ বলে মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোয় গণতন্ত্র বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়েছে। তবে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল। এটা গণতন্ত্রের জন্য একটি শুভদিন।’

কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। সবশেষ ফলাফলে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে এসেছে যথাক্রমে ৪৮ ও ৪৯টি আসন। অর্থাৎ আর দুটি আসনে জয় পেলে সিনেট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।

অন্যদিকে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পথে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। তবে কত বেশি আসনে দলটি জয়ী হবে, তা এখন দেখার বিষয়। নিম্নকক্ষের ৪৩৫ আসনের মধ্যে ২০৩টিতে জয় পেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। ডেমোক্রেটিক প্রার্থীরা ১৮৭টি আসনে জয় পেয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য মোট ২১৮টি আসনে জয় প্রয়োজন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এবার নুরকে খুঁজছে পুলিশ



শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১, ১২:৩৮
এবার নুরকে খুঁজছে পুলিশ

এবার নুরকে খুঁজছে পুলিশ

রাজধানীর মতিঝিল শাপলাচত্বর এলাকায় মোদিবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে যুব অধিকার পরিষদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ৩৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের মধ্যে ‘শিশুবক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীও ছিলেন। পরে বিকেলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে খুঁজছে পুলিশ। 

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ সমাবেশ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা মোট ৩৩ জনকে আটক করেছিলাম। তাদের মধ্যে শিশুবক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩২ জন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

নুরুল ইসলাম আরো বলেন, ‘ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের লোকজন বিক্ষোভ বা সমাবেশ করার আগে ডিএমপি থেকে অনুমতি নেয়নি। ফলে আমরা বাধা দিলাম। বাধা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা করে তারা। এতে পুলিশের সাত সদস্য আহত হয়েছেন। চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা ভিপি নুরকে খুঁজছি।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক