a
ফাইল ছবি
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই আকাশ প্রতিরক্ষা মহড়া চালিয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বুশের পারমাণবিক প্লান্টের কাছে জনবিরল মরুভূমিতে এ মহড়া চালায় ইরান।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সোমবার ভোরে বুশের প্রদেশের দক্ষিণে এবং পারস্য উপসাগরের ওপরে এই মহড়া চালায়। এর আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে ইরানের পানিসীমার মধ্যে ওমানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান।
যৌথ নৌ মহড়ায় উভয় দেশের কয়েকটি রণতরী, বেশ কিছু হেলিকপ্টার এবং ইরানে তৈরি ড্রোন অংশ নিয়েছিল। এ সময় ইরান ও ওমানের উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মহড়া পরিদর্শন করেন।
দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, সাগরে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্ষমতাকে আরও মজবুত করতে এই মহড়ার উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো সম্পূর্ণভাবে নজরদারিতে আছে।
তিনি বলেন, শত্রুদের সকল বিষয় নজরদারিতে রয়েছে এবং কোনো জাহাজ পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে এবং বের হয়ে যাচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণে আছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীর ব্যান্ডউইথ কন্ট্রোল কোড অনুসারে এসব জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আলী রেজা তাংসিরি বলেন, এ অঞ্চলে আইআরজিসি'র উপস্থিতি শুধুমাত্র সামরিক কারণে নয় বরং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি রয়েছে। তিনি পারস্য উপসাগরকে উন্নয়নের ইঞ্জিন বলেও মন্তব্য করেন।
রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় এবং এ এলাকায় ভৌগলিক বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায় পাশ্চাত্যের কিছু দেশ ও শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগরে আইআরজিসি’র পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের উপস্থিতির কারণে বাড়তি জনশক্তি যুক্ত হয়েছে। এখন আমরা ইলেকট্রনিক এবং ইলেকট্রো-অপটিক সিস্টেম ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সমস্ত গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’ সূত্র : পার্সটুডে
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম: গাবতলী বাস টার্মিনালকে একটি তামাকমুক্ত মডেল টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ পাবলিক প্লেস ও পরিবহনগুলোতে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখতে আরও কঠিন আইন করার দাবি জানিয়েছেন।
গণপরিবহনসহ পাবলিক প্লেসে ধূমপান সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হলে জনসচেতনতার পাশাপাশি শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় এসব জায়গায় পাবলিক নির্দ্বিধায় ধুমপান করে যাচ্ছে। প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে যেহেতু আমাদের হাতে আইন আছে তাই আইনের যথাযথ প্রয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী তামাকমুক্ত আইন।
আমরা মনে করি, শক্তিশালী তামাকমুক্ত আইন এর সঠিক বাস্তবায়ন-ই পারে বাস টার্মিনালকে সম্পূর্ণরূপে ধূমপানমুক্ত করতে। অদ্য রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ সকালে অনুষ্ঠিত “পাবলিক প্লেস ও পরিবহন শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে আইন শক্তিশালী করা হোক”- শীর্ষক মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ডেভলপমেন্ট এ্যাকটিভিটিস অফ সোসাইটি (ডাস), বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশন, গাবতলী এর সমন্ধিত উদ্যোগে কর্মসূচি দুটি যথাক্রমে গাবতলী বাস টার্মিনালের সম্মুখে এবং মালিক সমিতির হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
ডেভলপমেন্ট এ্যাকটিভিটিস অফ সোসাইটি (ডাস) এর টীমলীড আমিনুল ইসলাম বকুল এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিদ্বয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মো: হানিফ, সাবেক জেনারেল সেক্রেটারী, বাংলাদেশ বাস- ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশন ও সত্ত্বাধিকারী হানিফ এন্টারপ্রাইজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বাস- ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশন এর দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মো: সামিউল্লাহ, সত্ত্বাধিকারী- দিগন্ত পরিবহন ও বজলুর রহমান রতন, সত্ত্বাধিকারী- দেশ ট্রাভেলস।
ডাস্ এর কর্মসুচি সমন্বয়কারী মোয়াজ্জেম হোসেন টিপু’র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানববন্ধনে ডাস্ এর টীমলীড আমিনুল ইসলাম বকুল এবং আলোচনা সভায় বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)’র দপ্তর সম্পাদক সৈয়দা অনন্যা রহমান। অন্যন্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন - বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট-বাটা’র ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী এবং প্রত্যাশা-মাদক বিরোধী সংস্থার সভাপতি হেলাল আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর প্রকল্প পরিচালক হামিদুল ইসলাম হিল্লোল, মো: কিসমত- পরিবহন মালিক সমিতি, মো: আলমগীর কবির, ম্যানেজার- শ্যামলী পরিবহন, মো: সুজন, ম্যানেজার-রাহবার পরিবহন, মো: মোশাররফ হোসেন, জিএম- হানিফ পরিবহন, চুন্নু মিয়া, ম্যানেজার-হানিফ পরিবহন, টিসিআরসি’র বিভূতি ভূষণ, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর মো: আজিম হোসেন প্রমূখ।