a
ফাইল ছবি
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই আকাশ প্রতিরক্ষা মহড়া চালিয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বুশের পারমাণবিক প্লান্টের কাছে জনবিরল মরুভূমিতে এ মহড়া চালায় ইরান।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সোমবার ভোরে বুশের প্রদেশের দক্ষিণে এবং পারস্য উপসাগরের ওপরে এই মহড়া চালায়। এর আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে ইরানের পানিসীমার মধ্যে ওমানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান।
যৌথ নৌ মহড়ায় উভয় দেশের কয়েকটি রণতরী, বেশ কিছু হেলিকপ্টার এবং ইরানে তৈরি ড্রোন অংশ নিয়েছিল। এ সময় ইরান ও ওমানের উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মহড়া পরিদর্শন করেন।
দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, সাগরে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্ষমতাকে আরও মজবুত করতে এই মহড়ার উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।
ফাইল ছবি: জো বাইডেন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একটি এন্টিভাইরাল থেরাপি দেয়ার তিনদিন পর পরীক্ষায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিষয়টি ধরা পড়ে।
হোয়াইট হাউসের চিকিৎসক কেবিন ও'কনোর গতকাল (শনিবার) সকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। তবে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট বাইডেন করোনায় আক্রান্ত হলেও তার মধ্যে বিশেষ কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিজেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে তার নতুন করে করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তিনি এক পোস্টে বলেছেন, বন্ধুরা আজ আবার পরীক্ষায় কোভিড পজিটিভ হলাম। খুব সামান্য লোকজনেরই এটি হয়। আমার মধ্যে কোনো বিশেষ লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না কিন্তু আমি নিজেই আমার আশপাশের লোকজনের নিরাপত্তার জন্য আইসোলেশনে যাচ্ছি। আমি এখনো কাজ করছি এবং খুব শিগগিরই আবার এ ধারায় ফিরে আসবো।
এর আগে বাইডেন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরলেও তিনি লোক সমাবেশে মাস্ক পরেননি যা আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি নির্দেশনার লঙ্ঘন। সিডিসির নির্দেশনা হচ্ছে- কোনো ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর দশ দিন পর্যন্ত মাস্ক ব্যবহার করবেন।
সিডিসির দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এখন বাইডেনকে সম্ভবত পাঁচ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। তিনি সম্প্রতি ফাইজারের তৈরি এন্টিভাইরাস থেরাপি প্যাক্সলোভিড নিয়েছিলেন। এই থেরাপির পর কারো কারো মধ্যে নতুন করে করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটে থাকে।
ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সরকার গণমাধ্যমকর্মীদের ৪৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করেছে। এটি অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে বুধবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া উভয়ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা কর্মস্থলে চাকরির অনিশ্চয়তায় ভোগেন। এটা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি। তাদের চাকরির এ অনিশ্চয়তা দূর করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন প্রণয়ন করছে, যা বর্তমানে অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাংবাদিকদের আবাসনের জন্যও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিকদের পরিবারকে সহায়তা দেয়ার জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। করোনায় প্রেস ক্লাবের আয় কমে যাওয়ায় মে মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
সংবাদকর্মীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার ২০১৩ সালে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন ও অন্যান্য সুয়োগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে ১৮৮টি পত্রিকায় অষ্টম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়া নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিভিন্ন সময় গুরুতর আহত সাংবাদিকদের দেশ-বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও সাংবাদিকদের জন্য অর্থ প্রদানসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয়।’