a
ফাইল ছবি
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই আকাশ প্রতিরক্ষা মহড়া চালিয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বুশের পারমাণবিক প্লান্টের কাছে জনবিরল মরুভূমিতে এ মহড়া চালায় ইরান।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সোমবার ভোরে বুশের প্রদেশের দক্ষিণে এবং পারস্য উপসাগরের ওপরে এই মহড়া চালায়। এর আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে ইরানের পানিসীমার মধ্যে ওমানের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান।
যৌথ নৌ মহড়ায় উভয় দেশের কয়েকটি রণতরী, বেশ কিছু হেলিকপ্টার এবং ইরানে তৈরি ড্রোন অংশ নিয়েছিল। এ সময় ইরান ও ওমানের উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মহড়া পরিদর্শন করেন।
দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, সাগরে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্ষমতাকে আরও মজবুত করতে এই মহড়ার উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন হুমকি দিয়ে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আজ রাতেই যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা সামরিক মহড়া শুরুর পর উত্তর কোরিয়া আমেরিকার সমালোচনা করলে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারী উচ্চারন করলেন।
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চলমান সামরিক মহড়া অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেন।
গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন মার্কিন প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, তারা প্রথম পদক্ষেপে নিন্দারযোগ্য কাজ করেছেন। যদি আগামী ৪ বছর তারা (আমেরিকানরা) শান্তিতে ঘুমাতে চান তাহলে তাদের এই ধরণের কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা উচিত।
কিম জং উনের বোন এবং উপদেষ্টা কিম ইয়ো জং আরও বলেছিলেন, যুদ্ধের মহড়া ও সংলাপ পাশাপাশি চলতে পারে না।
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার চলমান এই সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আগ্রাসনের রিহার্সেল বলে উল্লেখ করেছে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ফটো
পাকিস্তানের সংসদ থেকে চীনা ক্যামেরা উদ্ধার নিয়ে হৈ-চৈ শুরু হয়। পাকিস্তানের সংসদে তখন ভোট চলছিল। দেশটির সংসদের উপরের কক্ষে সিনেট চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে গত শুক্রবার (১১ মার্চ) সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল সংসদের অধিবেশন। এক্ষেত্রে ভোটের প্রক্রিয়া চলছিল গোপনীয়তা রক্ষা করে।
খবরে জানা যায়, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। হঠাৎ ভোট চলাকালে সিনেট হল থেকে উদ্ধার করা হয় চীনা গোপণ ক্যামেরা। হয়তোবা কোন চীনা স্পাই গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে মনিটরিং করে আসছিল বলে ধারণা করা হয়। ফলে ফের হট্টগোল শুরু হয়। ব্যাহত হয় ভোট প্রক্রিয়া।
সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে গোপন ব্যালটে নির্বাচন চলছিল। সেখানে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে কে রেকর্ডিং করছিলেন তা জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানের সংসদের মধ্যে চীনের স্পাই ক্যামেরা উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।