a
ফাইল ছবি। আশরাফ গনি
আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি তাজিকিস্তানের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।
রাজধানী কাবুলে তালেবান প্রবেশের খবরে শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও সাধরণ মানুষ ভয়ে শহর ছেড়ে পালাতে শুরু করেছেন।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রাষ্ট্রপতি গনির একটি রেকর্ডেড ভাষণ প্রচার করা হয়। ওই ভাষণে তিনি তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার অঙ্গীকার করেছিলেন।
এদিকে, আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাবুলের বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। দ্রুত তালেবানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সিএনএন-এর এক খবরে বলা হয়েছে, কয়েকজন জ্যৈষ্ঠ তালেবান নেতাকে যুক্ত করে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
ছবি সংগৃহীত
ইসরায়েল দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক চাপে অবশেষে গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির অনুমোদন দিতে বাধ্য হলো। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ৪ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করে ইসরায়েল সরকার।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, ৫০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ও ইসলামিক জিহাদ। বিনিময়ে ইসরায়েলেও তাদের জেলে বন্দি থাকা প্রায় সমসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে। এদিকে, বন্দি বিনিময় সাপেক্ষে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ব্যাপারে এখনো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন ও বিবিসি
ফাইল ছবি
পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া।
মস্কো বলছে, অবরোধের মত পদক্ষেপগুলো দেশটিতে বিভেদ ও সংঘাত আরো বাড়িয়ে দেবে। রাশিয়া জান্তা সরকারের অন্যতম মিত্র দেশ এবং মিয়ানমারের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করে থাকে রাশিয়া।
এদিকে, জান্তা সরকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিগগিরই সামরিক সরকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরো নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে ইইউ।
উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
জান্তা সরকার গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় বলে জানায়। সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়ে আসছে এবং জান্তা সরকার শত শত মানুষকে হত্যা করে যাচ্ছে।