a
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল ১৬মে রবিবার এক জরুরি বৈঠকে বসেছিল ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। ওআইসির জরুরি সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। ওআইসির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করা আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব।
এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের বাঁচাতে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব প্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
এদিকে ইসলামিক সহযোগিতা পরিষদের (ওআইসি) ৫৭ সদস্যের এক জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠকের শুরুতে টেলিভিশনে রেকর্ডকৃত বক্তব্যে সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানান। পাশাপাশি সামরিক হামলা বন্ধের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
রবিবার টানা সপ্তম দিনের হামলায় ১৩ শিশুসহ অন্তত ৩৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে কমপক্ষে ১৮১ জনের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫২ জনই শিশু। আহত হয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ।ফিলিস্তিনে সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতিতে ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছে মুসলিম দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি। রোববার সংস্থাটির সদস্য ৫৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠানের পর এক যুক্ত বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, পুরো অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে কৌশলগত অপরাধের মাধ্যমে পরিস্থিতির অবনতির জন্য দখলদার শক্তি ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে দায়ী। বিবৃতিতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে সংকটের সমাধানে শিগগির ব্যবস্থা নেয়ার সাথে সাথে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরাইলের আগ্রাসী তৎপরতা বন্ধের উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে ফিলিস্তিনজুড়ে চলমান অস্থিরতা ও গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় ওআইসি সভাপতি সৌদি আরবের অনুরোধে রোববার জরুরি এই ভার্চুয়াল বৈঠক আহ্বান করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে উদ্বোধনী ভাষণে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল-সউদ বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইল নগ্নভাবে সহিংসতা সৃষ্টি করছে। আমরা জেরুসালেমে ফিলিস্তিনিদের বাড়ি ইসরাইলের দখল করার নিন্দা জানাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘পূর্ব জেরুসালেম ফিলিস্তিনি ভূমি। আমরা এর কোনো ক্ষতি মেনে নেবো না।’
ইসরাইলি সামরিক আগ্রাসন বন্ধে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্যোগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর ভিত্তি করে শান্তি আলোচনা আবার শুরু করার জন্য চেষ্টার আহ্বান জানান তিনি।
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ মালিকি বৈঠকে তার ভাষণের শুরুতে ইসরাইলের ‘কাপুরুষোচিত হামলার’ নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনতার জাগরণ স্পষ্ট করেছে, জেরুসালেম এক সম্মানিত সীমারেখা। আমাদের জনগণ ইসরাইলের ঘাতক যন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পন করবে না।’
মালিকি বলেন, ‘আল্লাহর কাছে আমাদের বলা প্রয়োজন, শেষদিন পর্যন্ত আমরা প্রতিরোধ করবো। দীর্ঘমেয়াদের দখলদারিত্বের মধ্যে আমরা চলছি। এটি সমস্যার ভিত্তি। কোনো ধারাবাহিকতা ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।’
বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মওলুদ চাভুশওলু তার ভাষণে বলেন, ‘পূর্ব জেরুসালেম, পশ্চিম তীর ও গাজায় সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য ইসরাইল এককভাবে দায়ী।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো। এখানো আর কোনো বিবেচ্য বিষয় নেই। এখন সময় আমাদের একতা ও ঐক্যমত প্রদর্শনের। উম্মাহ আমাদের নেতৃত্ব ও সাহসের প্রত্যাশা করে এবং তুরস্ক প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।’
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের ২০১৮ সালের প্রস্তাব অনুযায়ী বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তার ভাষণে উল্লেখ করেন। একইসাথে ফিলিস্তিনিদের অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধী ইসরাইলি রাজনীতিবিদ ও সামরিক কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) অধীনে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার কথা জানান তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ তার ভাষণে ইসরাইলকে গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল শুধু প্রতিরোধের ভাষাই বোঝে এবং ফিলিস্তিনের জনগণ তাদের আত্মরক্ষায় এবং বর্ণবাদী এই শাসনের বৈষম্য প্রতিকারের পূর্ণ অধিকারী।’
গাজায় অবরোধ ও সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব উল্লেখ করে ইসরাইলি অপরাধের প্রামান্য দলিল সংগ্রহে একটি পেশাদার আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি তার ভাষণে বলেন, ‘ইসরাইল গাজায় মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে।’তিনি আরো বলেন, ‘অবিলম্বে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।’
পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাসে এমন সময় আসে যখনকার সিদ্ধান্ত পরবর্তী প্রজন্ম স্মরণ করে। এই সময় ইতিহাসের সঠিক পক্ষে থাকা জরুরি। এখনই সেই রকম এক মুহূর্ত। আমাদের উচিত হবে না ফিলিস্তিনি জনগণকে সংকটের মুখে ফেলে যাওয়া।’
মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন হুসাইন তার ভাষণে বলেন, ‘অনিচ্ছাকৃত হলেও আমরা দখলদার শক্তিকে আমাদের নিরবতার মাধ্যমে লজ্জ্বাজনকভাবে উৎসাহিত করে আসছি।’
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ইসরাইলের শত্রুতামূলক তৎপরতা থেকে রক্ষায় ওআইসির উচিত কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।’ গাজায় ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনে রবিবার পর্যন্ত ১৮১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু রয়েছে ৫২ জন। ইসরাইলি হামলায় গাজায় আরো এক হাজার দুই শ’ ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
ফাইল ছবি
সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা বিশ্বজুড়ে ভিআইপিদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।
সাধারনত: বিশ্বে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা পান বিভিন্ন দেশের রাজা, প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী। তাদের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা আর কেউ পান না। বাড়ির চারদিকে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী, সঙ্গে প্রশিক্ষিত দেহরক্ষীসহ নানা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয় সন্ত্রাসীদের হামলা এবং মনুষ্য গুপ্তচর ঠেকাতে। কিন্তু এসব যেন এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে! কারণ পকেটেই যদি গুপ্তচর নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয় তাহলে এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে কী হবে?
পকেটে গুপ্তচর ঢোকাতে একটা স্মার্ট ফোন, একটি মেসেজ এবং একটি ক্লিকই যথেষ্ট। নিজের ব্যক্তিগত অডিও, ভিডিও, ছবি সব পৌঁছে যাবে গুপ্তচর নেতাদের কাছে। গত সপ্তাহ থেকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই ডিজিটাল গুপ্তচর নিয়ে আলোচনা চলছে। ইসরায়েলের তৈরি পেগাসাস নামের একটি সফটওয়্যার দিয়ে বিশ্বের অন্তত ৫০ হাজার ফোন নম্বর হ্যাক করা হয়েছে বলে একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।
পকেটেই গুপ্তচর!
এই অনুসন্ধান নতুন একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে। তা হলো ইসরায়েলের সরকারই এনএসও গ্রুপের সঙ্গে জড়িত। প্রতিষ্ঠাতা নিভ, সালেভ এবং ওমরির নাম অনুসারেই গ্রুপের নাম। লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকা কোম্পানির ভেতরের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কোম্পানির নীতিমালা স্টেট সিক্রেট (রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা)। তবে কোম্পানিকে একটা নিয়ম মেনে চলতে হয় যাকে ‘গোল্ডেনরুল’ বলা হয়। তা হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইসরায়েলে এটা ব্যবহার করা যায় না।
২০১১ সালে মেক্সিকো পেগাসাস স্পাইওয়্যার সর্বপ্রথম ক্রয় করে। এনএসও জানিয়েছে, ৪০টি দেশের ৬০টি সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের ক্রেতা। ইতিমধ্যে সফটওয়্যারটির অপব্যবহার হয়েছে কি না তা জানতে ইসরায়েল সরকার একটি তদন্ত কমিশনও গঠন করেছে। যদিও এনএসও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানায়, আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনের ওপর গোপনে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা এই ম্যালওয়্যারটির রয়েছে। পেগাসাস যদি কোনওভাবে ফোনের মধ্যে ঢুকতে পারে, তাহলে মালিকের অজান্তে ফোনকে ২৪ ঘণ্টার এক নজরদারির যন্ত্রে পরিণত করার ক্ষমতা রাখে। ফোন থেকে মেসেজ বা ছবি পাঠালে কিংবা রিসিভ করলে পেগাসাস তা কপি করে গোপনে পাচার করে পাঠিয়ে দেয় নির্দিষ্ট জায়গায়।
এই স্পাইওয়্যারটি অগোচরে ফোনের কথাবার্তা রেকর্ড করা এবং ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে গোপনে মালিকের ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। ফোন ব্যবহারকারী কোথায় আছেন, কোথায় গিয়েছিলেন অথবা কার সঙ্গে দেখা করেছেন পেগাসাস সেই সম্পর্কেও জানতে পারে। একটি টেক্সট ম্যাসেজ বা ই-মেইল পাঠানো হয় যাতে থাকে একটি লিংক। সেই লিংককে ক্লিক করলেই পেগাসাস ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এটা ২০১৬ সালের তথ্য। এখন তো এনএসও গ্রুপ সফটওয়্যারের ক্ষমতাকে বহু গুণ শক্তিশালী করেছে।
এতে খরচ কত?
২০১৬ সালে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল, এনএসও গ্রুপ পেগাসাস সফটওয়্যারের মূল্য নিয়ে থাকে ৫ লাখ ডলার। আর মানুষের ফোন হ্যাক করতে আরও চার্জ নিয়ে থাকে। ওই সময় মোট সাড়ে ৬ লাখ ডলার নেওয়া হতো ১০টি আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতে। পাঁচটি ব্ল্যাকবেরি হ্যাক করতে নেওয়া হতো ৫ লাখ ডলার। অতিরিক্ত ১০০ ফোন টার্গেট করতে ৮ লাখ ডলার এবং ৫০ ফোন হ্যাক করতে ৫ লাখ ডলার দিতে হতো। এছাড়া বার্ষিক ব্যবস্থাপনা ফি হিসেবে এনএসও মোট মূল্যের ১৭ শতাংশ নিত। সৌদি আরবের সঙ্গেই এনএসও’র ৫৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছিল।
টার্গেটে যারা:
ওয়াশিংটন পোস্ট, লন্ডনের দ্য গার্ডিয়ান, ফ্রান্সের ল্য মঁদ, সাংবাদিকদের সংগঠন ফরবিডেন স্টোরিস এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিশ্বের প্রথমসারির ১৭টি মিডিয়ার যৌথ অনুসন্ধানে পেগাসাস নিয়ে ভয়ংকর সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। একটি স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় এত বড় হস্তক্ষেপ হয়তো আর কারও দ্বারা সম্ভব নয়। অনুসন্ধানী কর্মসূচির নাম ছিল ‘পেগাসাস প্রজেক্ট’। স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ঢোকানো হয়েছে কিনা তা জানতে অ্যামনেস্টি ৬৭টি ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করেছে। এর মাধ্যমে ৩৭টি পজিটিভ এসেছে। তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়।
কয়েক মাস ধরে চালানো এই অনুসন্ধানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্যবহার করা ৫০ হাজারেরও বেশি মোবাইল ফোন নম্বর পরীক্ষা করা হয়েছে। যে ১৪ জন রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধান পেগাসাসের টার্গেট হয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে আছে তিন জন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট- ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ, দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিল রামাফোসা এবং ইরাকের বারহাম সালিহ। ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে তিন জন এখনও ক্ষমতায়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মিসরের মোস্তফা মাদব উলি এবং মরক্কোর সাদ-এদিন আলওথমানি। টার্গেট হয়েছেন মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহামেদ।
৩৪টি দেশের ৬০০ সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনীতিকের ফোন নম্বর রয়েছে। এছাড়া আরব রাজ পরিবারের সদস্য, ৬৪ কোম্পানি কর্মকর্তা, ১৮৯ সাংবাদিক এবং ৮৫ মানবাধিকার কর্মীও রয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পশ্চিমা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া, যদি তারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে তাহলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এসব কথা বলেন। খবর ইকনোমিক টাইমস।
তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার- রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য তা বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে। তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি কত হবে তা অনিশ্চিত। তবে সেটি ৩০০ ডলার অথবা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।
উল্লেখ্য, ইউরোপের মোট চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া।
সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ওয়াশিংটন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরপর তেলের দাম গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সূত্র: যুগান্তর