a বাইডেন বার বার চোট পাচ্ছে পুতিনের নাশকতার কারনেই!
ঢাকা বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বাইডেন বার বার চোট পাচ্ছে পুতিনের নাশকতার কারনেই!


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২, ০১:০২
বাইডেন বার বার চোট পাচ্ছে পুতিনের নাশকতার কারনেই!

ফাইল ছবি : প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি দেশের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বারবার হোচট খেয়েই অপর অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমী পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমা শক্তি ও ন্যাটোর নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।

বয়সের ভাড়ে ন্যুজ বাইডেন গত বছর ১৯ মার্চ মাসে ক্ষমতার গ্রহণের পর পরই যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজ থেকে আটলান্টায় যাচ্ছিলেন। ভ্রমণ শুরুর আগে সিঁড়ি বেয়ে বিমানে ওঠার সময়ই বাধে চরম বিপত্তি!

ভিডিওতে দেখা যায়, লাল কার্পেটে মোড়া প্লেনের সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন বয়স্ক এ নেতা। কিন্তু অর্ধেক পথে গিয়েই প্রথম হোঁচট খান তিনি। এরপর কোনওমতে নিজেকে সামলে নিয়ে আরও দু’পা এগোন। সেখানে খান দ্বিতীয় হোঁচট। এরপর উঠে দাঁড়াতে গিয়ে রীতিমতো হাঁটুতে ভর করে পড়ে যান যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বয়সে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

অবশ্য, বাইডেন সিঁড়িতে এভাবে পড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে প্রবল বাতাসকে দায়ী করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

তবে, এবার এভাবে সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়াকে মার্কিন কর্মকর্তারা কি বলবেন পাঠকবৃন্দকে আরো অপেক্ষা করতে হবে!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাইকেল চালাতে গিয়ে গতকাল স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ডেলাওয়্যার রাজ্যে তার সমুদ্র সৈকতের বাড়ির কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউস পুল রিপোর্টের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ৭৯ বছর বয়সী বাইডেন পড়ে যাওয়ার পরপরই ওঠে বলেন, আমি ঠিক আছি।

এদিকে, বাইডেনের এবার সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকে ঠাট্টাচ্ছলে বলছেন বাইডেন বার বার চোট পাচ্ছে পুতিনের নাশকতার কারনেই!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পুতিন মোদি ও শি জিনপিংকে অভিজ্ঞ নেতা বললেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৫ জুন, ২০২১, ০৮:১৫
পুতিন মোদি ও শি জিনপিংকে অভিজ্ঞ নেতা বললেন

ফাইল ছবি । মোদি, পুতিন ও শি জিনপিং

ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দু’জনেই যথেষ্ট অভিজ্ঞ নেতা। ভারত-চীনের মধ্যেকার যে কোন সমস্যা তারা নিজেরাই মিটিয়ে ফেলতে পারবেন। এই বিষয়ে তৃতীয় কোনো আঞ্চলিত শক্তি না থাকাই ভাল।

শনিবার এসব মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমি জানি ভারত-চীনের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এটা প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে হয়েই থাকে। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ব্যক্তিগত ভাবে জানি। তারা অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। 

তিনি আরো বলেন, তারা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করেন। আমার বিশ্বাস কোনো সমস্যা তৈরি হলে, তারা ঠিক সমাধানসূত্র নিজেরাই বের করবেন। তবে এটাও দেখা জরুরি, এই ইস্যুতে যেন অন্য কোনো আঞ্চলিক শক্তি প্রবেশ না করে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রুশ প্রেসিডেন্টের শেষের উক্তিটি আমেরিকার উদ্দেশেই করা হয়েছে। কারণ, ভারত-চীন দ্বন্দ্বে নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়িয়ে প্রথম থেকেই বেইজিংয়ের বিরোধিতায় সরব রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া এই চার দেশের তৈরি আঞ্চলিক সংগঠন ‘কোয়াদ’ নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘কার সঙ্গে কার, কতটা বন্ধুত্ব হবে তা নিয়ে মস্কো আগ্রহী নয়। তবে কোনো একজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করা উচিত নয়।’ সূত্র: জিনিউজ ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বর্তমানে অনেক বিতর্কিত প্রভাবশালীদের ঘুম হারাম


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৭ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৫৫
বর্তমানে অনেক বিতর্কিত প্রভাবশালীদের ঘুম হারাম

ফাইল ছবি

বিতর্কে জড়িয়ে একের পর এক গ্রেফতার হচ্ছেন অভিনেত্রী ও মডেলরা। অপরাধে তাদের সম্পৃক্ততার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। আরও এক ডজন মডেল বর্তমানে নজরদারিতে রয়েছেন। এতে আতঙ্কে অন্তত ২১ প্রভাবশালী ব্যক্তির ‘ঘুম হারাম’ হওয়ার অবস্থা।

এক সময় এসব ব্যক্তি ওই মডেলদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের নিয়ে তারা দেশের বাইরেও ‘প্লেজার ট্রিপে’ গেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মডেলদের বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহার ও ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ রয়েছে। এখন তাদের অনেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তদবির করতে মাঠে নেমেছেন।

প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন কেউ কেউ। মোবাইল ফোন বন্ধ করে এবং ফেসবুক আইডি নিষ্ক্রিয় করে তাদের অন্তত চারজন গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রেখেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রোববার রাতে মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌ গ্রেফতার হয়েছেন। মাদক আইনের মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাদের শুক্রবার আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর রাজধানীর তিন থানার পৃথক তিনটি মাদক মামলায় পিয়াসার আট দিন ও মৌকে একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। বুধবার বিকালে পরীমনিকে গ্রেফতারের পর মাদক মামলায় তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

পরীমনি, পিয়াসা ও মৌর কয়েক সহযোগীও রয়েছেন রিমান্ডে। জিজ্ঞাসাবাদে স্বর্ণ চোরাচালান, ব্ল্যাকমেইলিং, মাদক ব্যবসা, জাল মুদ্রা তৈরি, অস্ত্র কারবারে সম্পৃক্ততাসহ নানা অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা গ্রেফতার অভিনেত্রী ও মডেলরা স্বীকার করেছেন।

এ সময় তাদের ‘সুগার ড্যাডি’দের নামও উঠে আসে। যারা টাকার বিনিময়ে অথবা চাপ দিয়ে অনেক মডেলের ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। নানা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করেছেন। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা প্রশাসনিকভাবে এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনির অবৈধ কাজের সহযোগীদের নাম পাওয়া গেছে বলে শুক্রবার জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ। তিনি বলেন, পরীমনি যেসব অবৈধ কাজ ও ব্যবসা করতেন, সেগুলো কাদের নিয়ে করতেন, কাদের সহযোগিতায় করতেন, কারা তার নেপথ্যে রয়েছেন আমরা তাদের নাম পেয়েছি। তাদের বেশির ভাগই বড়লোক এবং খারাপ প্রকৃতির মানুষ।

যারাই তার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের গ্রেফতার করা হবে। আর প্রযোজক নজরুল মডেলদের নিয়ে ঘরোয়া পার্টি করতেন। উচ্চবিত্তদের মডেল সাপ্লাই দিতেন। সেই তথ্যও আমরা পেয়েছি। তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ, র‌্যাব ও একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ২১ প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনজন, পোশাক শিল্পের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুজন, রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছয়জন, অন্য সব ব্যবসায় জড়িত ছয়জন, বিশেষ দুই ব্যক্তি ও একটি বিশেষ পেশায় থাকা একজন এবং ফার্নিচার-প্লাস্টিকসহ কয়েকটি ব্যবসায় জড়িত একজন রয়েছেন।

রাজধানীর তারকা হোটেল ও পার্টি হাউজে তাদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। এছাড়া ‘স্পা সেন্টার’সহ নামে-বেনামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আড়ালে গুলশান-বনানীর ২৭টি স্থানে অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা হতো। সেখানেও এ প্রভাবশালীদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। এছাড়া বনানীর অন্তত ১৩টি সিসা লাউঞ্জেও ছিল তাদের অন্যতম আখড়া।

সূত্র জানায়, সুন্দরী রমণীদের নিয়ে দুবাই, ইউরোপ, আমেরিকা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিায়সহ বিভিন্ন দেশে একাধিক ‘লেজার ট্রিপ’ দিয়েছেন অনেকে। ঘন ঘন তাদের বিদেশ যাত্রার তথ্য পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পিয়াসা, মিশু, জিসান ও একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ব্যক্তির দুই ছেলের একসঙ্গে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। দেশের বাইরে অবস্থানকালে তাদের অনেকের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ও স্থিরচিত্র এখন গোয়েন্দাদের হাতে। এগুলো বিশ্লেষণ করে আরও একাধিক মামলা হতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, অভিনেত্রী ও মডেলদের গ্রেফতারের পর এসব প্রভাবশালী ব্যক্তির অনেকে গা-ঢাকা দিয়েছেন। লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতে তাদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন অথবা ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাকটিভ করেছেন। অনেকে অনলাইনে যোগাযোগের সময় পাঠানো বিভিন্ন ছবি, কথোপকথন, অডিও ও ভিডিও বার্তা মুছতে অপর প্রান্তে থাকা তরুণীদের অনুরোধ করছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের কেউ কেউ দেশত্যাগের চিন্তাও করছেন। অনেকে আবার অভিযোগ থেকে বাঁচতে নেমেছেন লবিং-তদবিরে।

প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী বিভিন্ন ব্যক্তির বাসায় ঘন ঘন যাতায়াত করছেন তারা। সাক্ষাৎকালে কেউ কেউ তদবির করতে না পেরে অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টাও করছেন।

ঢাকার তিনটি অভিজাত হোটেলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রভাবশালী বেশ কয়েকজন নিয়মিত ‘গেস্ট’কে গত সপ্তাহে তারা দেখতে পাননি। যাদের সঙ্গে প্রায় সব সময় রুপালি জগতের অভিনেত্রী, মডেলসহ অনেক সুন্দরী তরুণীকে দেখা যেত। এসব সুন্দরীর অনেককে মুখ ঢেকে কিংবা বোরকা পরেও হোটেলে ঢুকতে দেখা যেত। এবারের অভিযানে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা চলাচল সীমিত করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

অভিনেত্রী ও মডেলদের কেলেঙ্কারির ঘটনার এবার শেষ দেখতে চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেজন্য রিমান্ডে পিয়াসা ও মৌর মোবাইল ডিভাইসগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করছেন তারা।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, সেখানে ‘ব্ল্যাকমেইলিং’র জন্য রাখা অন্তত ১০টিরও বেশি ভিডিওচিত্র ও অনেকগুলো স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। এতে পিয়াসা-মিজান, মৌ সিন্ডিকেটের অনেকের ছবি রয়েছে। পাশাপাশি অনেক প্রভাবশালীর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে। তাদের বিষয়েও খোঁজখবর নিচ্ছে পুলিশ। পিয়াসা-মৌকে গ্রেফতারের পর যেসব অপরাধে তাদের সম্পৃক্ততার খবর পাওয়া গেছে- তাতে প্রভাবশালীদের ভূমিকা নিয়েও চলছে অনুসন্ধান।

সূত্র জানায়, গুলশানের হোটেল পাড়ায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল এমন অনেক তথাকথিত মডেলও রয়েছেন গ্রেফতার আতঙ্কে। তাদের অন্তত তিনজন এখন ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন। ঢাকার বনানী, গুলশান, মোহাম্মদপুর, বনশ্রী এলাকায় তাদের ‘সেফ প্লেস’ হিসাবে পরিচিত কয়েকটি ফ্ল্যাট এখন ফাঁকা। গ্রেফতার আতঙ্কে তারা গা-ঢাকা দিয়েছেন। মোবাইল ফোন ও নম্বর পরিবর্তন করেছেন কেউ কেউ। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল এসব অপকর্মের অন্যতম হোতা জনৈক ব্যক্তির। তিন দিন ধরে তাকে এ এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। এছাড়া এ এলাকায় অর্চনা ও তানসিয়ারের যাতায়াতও কমে গেছে। এভাবে গুলশানপাড়ার অনেক পরিচিত মুখকে এখন দেখা যাচ্ছে না।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পিয়াসার নেটওয়ার্কে ২০ থেকে ২৫ জন সুন্দরী রমণী রয়েছে। গুলশান, বনানী, বারিধারার অনেক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী তাদের নিয়ে দেশের বাইরে ট্যুরে (প্লেজার ট্রিপ) যান। কোটি কোটি টাকা কামিয়ে ‘জিরো থেকে হিরো’ বনে গেছে চক্রটি। এছাড়া জিসান ও মিশুর চক্রে রয়েছে আরও ১০ থেকে ১২ জন। তাদের প্রতিটি পার্টিতে অংশ নিত ১৫-২০ জন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক