a
ফাইল ছবি : প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি দেশের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বারবার হোচট খেয়েই অপর অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমী পুতিনের বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমা শক্তি ও ন্যাটোর নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।
বয়সের ভাড়ে ন্যুজ বাইডেন গত বছর ১৯ মার্চ মাসে ক্ষমতার গ্রহণের পর পরই যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজ থেকে আটলান্টায় যাচ্ছিলেন। ভ্রমণ শুরুর আগে সিঁড়ি বেয়ে বিমানে ওঠার সময়ই বাধে চরম বিপত্তি!
ভিডিওতে দেখা যায়, লাল কার্পেটে মোড়া প্লেনের সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন বয়স্ক এ নেতা। কিন্তু অর্ধেক পথে গিয়েই প্রথম হোঁচট খান তিনি। এরপর কোনওমতে নিজেকে সামলে নিয়ে আরও দু’পা এগোন। সেখানে খান দ্বিতীয় হোঁচট। এরপর উঠে দাঁড়াতে গিয়ে রীতিমতো হাঁটুতে ভর করে পড়ে যান যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বয়সে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
অবশ্য, বাইডেন সিঁড়িতে এভাবে পড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে প্রবল বাতাসকে দায়ী করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
তবে, এবার এভাবে সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়াকে মার্কিন কর্মকর্তারা কি বলবেন পাঠকবৃন্দকে আরো অপেক্ষা করতে হবে!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাইকেল চালাতে গিয়ে গতকাল স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ডেলাওয়্যার রাজ্যে তার সমুদ্র সৈকতের বাড়ির কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউস পুল রিপোর্টের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ৭৯ বছর বয়সী বাইডেন পড়ে যাওয়ার পরপরই ওঠে বলেন, আমি ঠিক আছি।
এদিকে, বাইডেনের এবার সাইকেল থেকে পড়ে যাওয়ার ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকে ঠাট্টাচ্ছলে বলছেন বাইডেন বার বার চোট পাচ্ছে পুতিনের নাশকতার কারনেই!
ফাইল ছবি
আবারও ভারতে দ্রুত বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। শনিবার (২৪ ঘণ্টায়) দেশটিতে ৬২ হাজার ৬৩১ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এদিন করোনায় মৃত্যুবরণ করেন ৩১১ জন।
আজ রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৬২৪ জন। আর এ ভাইরাসে মারা গেছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৮৬ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৭৬২ জন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: এখনি সময় সংস্কার পন্থি সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগণকে একই ছাতার নিচে একত্রিত করে সংস্কার তথা পরিকল্পিত সংস্কারের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দবস্তু, সুপ্রতিষ্ঠিত করে নতুন বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা রাখা। "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বাংলাদেশ সংস্কার পার্টির উদ্যোগে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ, সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে, (তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল, ২য় তলায়) আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডঃ দিলারা চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেঃ জেনারেল আমিনুল করিম (অব) বিশিষ্ট অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল (BUP) ঢাকা। উক্ত আলোচনা আনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মেজর আমীন আহমেদ আফসারী (অব), নির্বাহী সভাপতি বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এবং আহ্বায়ক, জাতীয় সংস্কার জোট।
উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব, রাজনিতীবিদ, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি, সামাজিক সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সামরিক ও বেসামরিক অবসরপ্রাপ্ত/সাবেক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রচিন্তক ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরের বিজয়ের পর থেকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশর রাজনৈতিক, বৈশ্বিক সম্পর্ক, অর্থনীতি ও দেশ পরিচালনার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা আমারা সবাই জানি। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবী বিজয়ের পর রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উন্নয়ন না গণতন্ত্র! কতটুকু উন্নয়ন, কতটুকু গণতন্ত্র, উন্নয়ন আগে না গণতন্ত্র আগে? এ বিতর্ক আমরা স্বৈরতন্ত্রের কৌশল হিসেবে ৫ আগষ্টের পূর্ব পর্যন্ত শুনেছি।
৫ আগষ্টের পর শুনছি সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে? কতটুকু সংস্কার আর কবে নির্বাচন? ইত্যাদি বহুমুখী আলোচনায় আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও বিজয়ের নায়কদের আত্মদান ও শহীদের রক্তের অবদান কি ভুলতে বসেছি? ক্ষমতার মোহে আর আন্দোলনের কৃতিত্ব ভাগাভাগি করতে গিয়ে আমরা কি সংস্কার ও বিজয়ের ফসল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা ভুলতে বসেছি? আমরা কি পুনরায় আমরা আবার অন্ধকেরের দিকে ধাপিত হচ্ছি। এসব বিষয় নিয়েই হবে, আজকের আলোচনা।
বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি মনে করে - "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন"। সংস্কার কি ও কেন? কে করবে সংস্কার? কত দিন হবে এর ব্যাপ্তি? কি হবে নেতৃত্বের গঠন এবং কর্মপন্থা সবই নির্ধারিত হবে, প্রকৃতি গণতান্ত্রিক পন্থায় আলোচনার মাধ্যমে।
আসুন দেশের কথা ভাবি। ভবিষ্যৎ পজন্মের জন্য রেখে যাই এক অভূত পূর্ব "নতুন বাংলাদেশ"। প্রস্তাবিত এই প্রকৃত সংস্কার আন্দোলনে আপনি ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সকলকে সাদর আমন্ত্রন জানাচ্ছি।