a বিজেপি ‘মন্ত্রী’কে চড় মারতে কার্পণ্য করেননি সোনিয়া নামে নারী আইপিএস
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিজেপি ‘মন্ত্রী’কে চড় মারতে কার্পণ্য করেননি সোনিয়া নামে নারী আইপিএস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১১:২৮
বিজেপি ‘মন্ত্রী’কে চড় মারতে কার্পণ্য করেননি সোনিয়া নামে নারী আইপিএস

ফাইল ছবি

তখন ২০০৬ সাল। এক নারী আইপিএস কর্মকর্তা হঠাৎ করেই ভারতজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। বিজেপির এক বিধায়ককে প্রকাশ্যে চড় মারতে কার্পণ্য করেননি।

বিজেপির সেই চড় খাওয়া বিধায়ক বর্তমানে কর্নাটকের মন্ত্রী। নাম রেণুকাচার্য। ঘটনার দিন তিনি কংগ্রেস বিরোধী একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। পুলিশ বারবার অনুরোধ করলেও রাস্তা ছাড়তে রাজি হননি তিনি।

বিধায়ক কথা না শুনার কারনে তাকে চড় মারেন নারী এই পুলিশ কর্মকর্তা। গ্রেফতারও করেন তাকে। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারীকে গালিগালাজ করেছিলেন বিধায়ক।

ওই একটি ঘটনাই গোটা ভারতে পরিচিতি এনে দেয় নারী আইপিএসকে। তার নাম সোনিয়া নারং। যদিও পুলিশ মহল তাকে চেনে ‘আয়রন লেডি’ নামে।

হাসিমুখের আড়ালে সোনিয়ার দৃঢ়চিত্ততা বিস্ময়ের কারণ। পুলিশ মহলে তাকে নিয়ে চালু রয়েছে নানা কাহিনিও।

চণ্ডীগড়ের মেয়ে তিনি। সোনিয়ার আদর্শ তার বাবা এ এন নারং। পুলিশের ডেপুটি সুপার হিসেবে অবসর নেন তিনি। সোনিয়া জানিয়েছেন, বাবাকে দেখেই আইপিএস হওয়ার ইচ্ছে হয়েছিল তার। তাকেই তিনি নিজের আদর্শ মনে করেন।

সমাজের চোখে পুলিশ কর্মকর্তার সম্মান এবং তার সমাজ বদলানোর ক্ষমতা আকৃষ্ট করেছিল সোনিয়াকে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েই ইউপিএসসির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন তিনি।

পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবী সোনায়িা। উচ্চ মাধ্যমিকে শীর্ষ স্থান পেয়েছিলেন। পরে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে পড়ে স্বর্ণ পদক পেয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

২০০৬ সালের ঘটনাটি যখন ঘটে সোনিয়া তখন কর্নাটকের দেবাঙ্গেরের পুলিশ সুপার। দু’বছর হলো যোগ দিয়েছেন পুলিশ সার্ভিসে। বয়স সবে ২৭ বছর।

তবে কম বয়স বা অভিজ্ঞতা সঠিক পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্ত করেনি সোনিয়াকে। বিধায়ককে চড় মারার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের একাংশ তার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছিল। স্বয়ং বিধায়ক রেণুকাচার্য তার বদলির জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হননি।

সোনিয়া বলেছিলেন, সততা এবং পরিশ্রম এই দু’টি বিষয় প্রশাসনিক ক্ষেত্রে থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। এই দু’টি ক্ষেত্রে ঠিক থাকলে কেউ আটকাতে পারবে না।

২০০৪ সালে পুলিশ বিভাগে কর্মজীবন শুরু সোনিয়ার। ২৫ বছরের শিক্ষানবিশ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রথমেই পাঠানো হয়েছিল কর্নাটকের গুলবর্গা জেলায়। গুলবার্গ অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য কুখ্যাত। সেখানে তাকে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়। গুলবার্গে সোনিয়ার সুষ্ঠু ভোট পরিচালনা পুলিশ মহলের প্রশংসা পায়।

বরাবরই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে সোনিয়াকে। প্রতি বারই সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, সসম্মানে উতরেও গেছেন। 

২০০৬ সালের ঘটনার পর তাকে সাম্প্রদায়িক সমস্যাসঙ্কুল বেলগামে পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় । বেলগামের মতো এলাকায় তিনিই ছিলেন প্রথম নারী পুলিশ সুপার। 

দিন রাত এলাকায় ঘুরে ঘুরে সমাজবিরোধীদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন সোনিয়া। সোনিয়ার এই পদক্ষেপে ভয় পেয়ে এলাকা ছেড়েছিল বহু অপরাধী।

২০১৩ সালে সরাসরি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসেন সোনিয়া। কর্নাটকে তখন কংগ্রেসের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ১৬ হাজার কোটি টাকার খনি কেলেঙ্কারিতে সোনিয়ার নাম করেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের জবাব সর্বসমক্ষেই দেন সোনিয়া। ২০১৩ সালে তখন তিনি বেঙ্গালুরুর দক্ষিণ শাখার ডেপুটি কমিশনার। বেঙ্গালুরুর ইতিহাসে তিনিই দ্বিতীয় নারী পুলিশ কমকর্তা, যাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি সাধারণত অভিযোগকারী রাজনৈতিক পদাধিকারীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেই মিটিয়ে নেন পুলিশ কর্মকর্তারা। সোনিয়া কিন্তু সেই পথ ধরেননি।

তিনি প্রকাশ্যে একটি বিবৃতি জারি করে লেখেন, খবরের কাগজ মারফৎ জানতে পেরেছি মুখ্যমন্ত্রী আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। যে খনি কেলেঙ্কারির দায় তিনি আমার ওপর চাপিয়েছেন তা সত্য নয়। যে সমস্ত এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কোনও দিন আমি দায়িত্বে ছিলামই না। তাহলে আমার নাম আসছে কোথা থেকে। এমনকি আমি খনি দফতরের দায়িত্বেও ছিলাম না কখনও। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের বিরুদ্ধে আমি আইনি পথেই লড়তে চাই। কারণ আমি জানি আমি সৎ।

সোনিয়ার এই উত্তরে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন সিদ্দারামাইয়া। আইপিএস হিসেবে সোনিয়ার কর্মজীবনের আরেকটি পালক লোকায়ুক্ত অফিসের দুর্নীতি ফাঁস করে দেওয়া। 

দুর্নীতি দমনের জন্য তৈরি লোকায়ুক্তের অন্দরেই চলছিল দুর্নীতি। সোনিয়ার বদৌলতে তা প্রকাশ্যে আসে। দায়িত্বে থাকা সাবেক বিচারপতি ওয়াই ভাস্কর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। গ্রেফতার হন তার ছেলে ওয়াই অশ্বিনও। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

উজবেকিস্তান আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করার ঘোষণা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৮ আগষ্ট, ২০২১, ১০:৪৮
উজবেকিস্তান আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করার ঘোষণা

ফাইল ছবি

উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মির্জিওয়েভ আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এরই মধ্যে তালেবানের সাথে যোগাযোগও করেছেন। তিনি বলেন, যদি আফগান জনগণের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তাদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। খবর ইয়েনি সাফাকের।

গতকাল শুক্রবার উজবেকিস্তানের উত্তরের নাভোই এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট শওকত আরো বলেছেন, আফগানদের সহযোগিতা করার জন্য সীমান্তের একটি সেতু খুলে দিয়েছে উজবেকিস্তান। 

এছাড়া বিদেশ থেকে আফগানদের যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় তা উজবেকিস্তান থেকে রেলপথে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটাই একমাত্র রেলপথ যা আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহর পর্যন্ত বিস্তৃত।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফেসবুকে গোলাম রাব্বানীর আবেগঘণ স্ট্যাটাস, শারীরিক অবস্থার অবনতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:৫৯
ফেসবুকে গোলাম রাব্বানীর আবেগঘণ স্ট্যাটাস, শারীরিক অবস্থার অবনতি

ফাইল ছবি: গোলাম রাব্বানী

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর  শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। আজ শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাব্বানী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে শারীরিক অবস্থা অবনতির কথা জানিয়ে পোস্ট দেন। তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল-

"জ্বর, সর্দিকাশি আর শারীরিক দুর্বলতার সাথে গত দুদিন যাবৎ শ্বাসকষ্ট আর বুকে চাপ অনুভব করছি। গতরাতে কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারও ব্যবহার করতে হয়েছে।

যদি কিছু হয়ে যায়, যদি অকালে চলে যেতে হয়... এই আফসোস, হতাশা আর মনোকষ্ট নিয়েই যেতে হবে। যে আদর্শ আর দলের জন্য এতো ত্যাগ, জীবন-যৌবন,ক্যারিয়ার, স্বাদ-আহলাদ সব জলাঞ্জলি দিয়ে ইতিবাচক কাজ করতে চাইলাম, সেই দলেরই স্বার্থান্বেষী মহলের কাছ থেকেই মিথ্যা অপবাদ আর বিমাতাসুলভ অন্যায় আচরণের শিকার হলাম! আত্মপক্ষ সমর্থন, সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই, তদন্ত এসবের নূন্যতম সুযোগও মিললো না, যা যে কোনো মানুষেরই প্রাপ্য অধিকার।

একজন প্রমাণিত দুর্নীতিবাজ ভিসিকে রক্ষা করতে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন ও এর শীর্ষ নেতৃত্বকে মিথ্যা অভিযোগে কলঙ্কিত করা হলো। যার বিরুদ্ধে সকল তথ্যপ্রমাণ থাকার পরও কোন তদন্ত হলো না, বিচার হলো না! শিক্ষা মন্ত্রনালয়, ইউজিসি, দুদক সব দেখে জেনে বুঝেও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া 'জিরো একশন টু করাপশন' নীতি অনুসরণ করলো।

বেঁচে থাকলে নিজেই প্রমাণ করবো ইনশাআল্লাহ। আর যদি মারা যাই, তাহলে শেষ ইচ্ছে ও চাওয়া থাকবে, দেশ ও জনগণের টাকা পুকুর চুরি করে আমাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া জাবি ভিসি যেন কোনভাবেই পার না পায়, জাতির সামনে যেন সত্যটা উন্মোচিত হয়। জোরপূর্বক থামিয়ে দেয়া দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন যেন ফের শুরু হয়। ইউজিসি আর দুদকের যেন বিবেকবোধ জাগ্রত হয়। প্রাণের প্রতিষ্ঠান ছাত্রলীগ যেন কলঙ্কমুক্ত হয়।"

এর আগে, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন গত ৩১ মার্চ। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল পজিটিভ আসে। নিজের ফেসবুকেই জানিয়েছিলেন তার করোনার কথা। উল্লেখ্য, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে বহিস্কার করা হয়। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক