a বিশ্বে ২০ হাজার বছর আগেও করোনা মহামারি হয়েছিল
ঢাকা রবিবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিশ্বে ২০ হাজার বছর আগেও করোনা মহামারি হয়েছিল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ০৫:২৭
বিশ্বে ২০ হাজার বছর আগেও করোনা মহামারি হয়েছিল

সংগৃহীত ছবি

 

বিশ্বে ২০ হাজার বছর আগেও করোনা মহামারি হয়েছিল। তখন পূর্ব এশিয়ায় বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিল এই মহামারি। মহামারিটির তীব্রতা এমন ছিল যে, এটি মানুষের ডিএনএ-র ওপরও প্রভাব ফেলেছিল। এক নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি বৈজ্ঞানিক জার্নাল কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছিল এই গবেষণাপত্র। খবর সিএনএন’র।  

অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গবেষকরা জানতে পেরেছেন অতীতের মহামারির এসব কথা। মানুষের ওপর সেই মহামারির প্রভাব যে কতটা মারাত্মক হয়েছিল তা বোঝার জন্য গবেষকরা বিশ্বের ২৬টি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রায় ২,৫০০ জনের জিনোম নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। 

তাদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ২০ হাজার বছর আগে পূর্ব এশিয়ার লোকেরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। করোনাভাইরাসের সঙ্গে মানব জিনোমের প্রথম মিথষ্ক্রিয়া হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল এবং এই মিথস্ক্রিয়াটি পূর্ব এশিয়ার আধুনিক সময়ের মানুষের ডিএনএতে কিছুটা জিনগত ছাপ রেখেছে। 
 
গবেষকরা বলেন, ‘এই ভাইরাস ইন্টারেকটিং প্রোটিনসের (ভিআইপি) সংকেত পাওয়া গেছে মানুষের মাত্র পাঁচটি জাতির ক্ষেত্রে। তারা সবাই পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা, যা সম্ভবত করোনাভাইরাস প্রজাতির বিচরণের ক্ষেত্র ছিল। সেই তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক যুগের পূর্ব এশিয়ার মানুষ প্রায় ২০ হাজার বছর আগেই করোনাভাইরাসের দাপটের সম্মুখীন হয়েছিলেন।’

গবেষকরা দাবি করেছেন, পূর্ব এশিয়া থেকে যে একাধিক করোনা ভাইরাস মহামারির উৎপত্তি হয়েছিল, তার সপক্ষে একাধিক প্রমাণ তারা পেয়েছেন। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৩ মার্চ, ২০২২, ১২:৪৪
ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে!

ফাইল ছবি

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া।

বুধবার দিল্লির রুশ দূতাবাস টুইটারে লিখেছে, ‘সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনী এই ছাত্রছাত্রীদের পণবন্দি করেছে এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। যেকোনো উপায়ে তাদের রাশিয়া যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। এর সম্পূর্ণ দায় কিয়েভের।’ রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়রও দাবি, যে সব ভারতীয় শিক্ষার্থী ইউক্রেন ছেড়ে রাশিয়ায় যেতে চাইছেন, তাদের খারকিভে আটকে রাখা হয়েছে। রাশিয়ায় পৌঁছতে পারলেই তাদের বাড়ি ফেরানো হবে।

বুধবার প্রথমে জানা যায়, দিল্লির চাপে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সেফ প্যাসেজ’-এর ব্যবস্থা করছে রাশিয়া। ইউক্রেনের ঘড়িতে তখন বেলা দেড়টা। ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মোবাইলে দূতাবাস থেকে মেসেজ আসে, খারকিভ ছাড়তে হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পৌঁছে যেতে হবে পিসোচিন, বাবায় বা বেজলিউডিভকা-য়। শিক্ষার্থীরা গুগল ম্যাপ ঘেঁটে দেখেন, পিসোচিন খারকিভ থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। বাবায় প্রায় ১২ কিলোমিটার। আর বেজলিউডিভকার দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার।

এতখানি রাস্তা কিভাবে যাওয়া হবে? বাস, গাড়ি মিলছে না। স্টেশনে ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে উঠতে গেলে অনেককে মারধর করে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। ভাবতে ভাবতেই এক ঘণ্টা পরে মোবাইলে ফের মেসেজ আসে, বাস, ট্রেন, গাড়ি না পেলে অন্তত পায়ে হেঁটে ওই তিনটি এলাকায় পৌঁছতেই হবে। যেকোনো উপায়ে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খারকিভ থেকে বেরিয়ে ওই তিনটি জনপদের যে কোনও একটিতে পৌঁছে যেতে হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, খারকিভে চূড়ান্ত হামলা চালানোর আগে রাশিয়ার পুতিন প্রশাসনই ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য এই ‘সেফ প্যাসেজ’-এর বন্দোবস্ত করে দিয়েছে। ওই কারণেই এত কম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের খারকিভ ছাড়তে বলা হয়। কোথায়, কত ক্ষণের মধ্যে যেতে হবে, তা-ও রাশিয়াই বলে দিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, 'ওই সব জায়গা, সময় কোনোটাই আমরা ঠিক করিনি। রাশিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।'

মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাশিয়ার বাহিনী খারকিভে ক্ষেপণাস্ত্র, গোলা বর্ষণ শুরু করেছিল। ওই সময়ই খারকিভে কর্নাটকের ছাত্র নবীন শেখরাপ্পার মৃত্যু হয়। বাঙ্কারে বহু ছাত্রছাত্রী আটকে থাকলেও তাদের পক্ষে বেরিয়ে অন্য কোথাও যাওয়া সম্ভব ছিল না। এর পরেই ভারতের পররাষ্ট্রসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা দিল্লিতে রাশিয়ার ভাবী রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভকে ডেকে পাঠিয়ে দাবি করেন, ভারতীয়দের জন্য ‘সেফ প্যাসেজ’-এর বন্দোবস্ত করা হোক। ইউক্রেনের একের পর এক এলাকা রাশিয়ার দখলে চলে যাওয়ার পর সেখান থেকেই ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বের করে আনা সম্ভব কি না, তা নিয়েও নয়াদিল্লি মস্কোর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। খারকিভে বিপুলসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সেখানেই যে সব চেয়ে বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী রয়েছেন, মোদি সে কথা পুতিনকে জানান। এর পর দুই দেশ যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীদের ‘সেফ প্যাসেজ’টি চূড়ান্ত করে।

বুধবার সকালে রাশিয়ার প্যারাট্রুপাররা খারকিভ শহরে নেমে পড়লে নতুন করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। ভাবী রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, মস্কো ভারতীয়দের রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের মধ্যে দিয়ে ‘সেফ প্যাসেজ’ করে দিতে একটি ‘মানবিক করিডর’ তৈরির চেষ্টা করছে। খারকিভে অন্তত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রয়েছে। এখানেই ভারতীয়দের সংখ্যা সব থেকে বেশি ছিল। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ও বুধবার সকালেও অনেকে ট্রেনে করে খারকিভ ছেড়েছেন। উল্টো দিকে ভারতীয় পড়ুয়াদের অভিযোগ, হাজার খানেক ছাত্রছাত্রী রেল স্টেশনে পৌঁছে গেলেও শুধুমাত্র ইউক্রেনের নাগরিকদেরই ট্রেনে উঠতে দেওয়া হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই পড়ুয়াদের কাছে বার্তা যায়, ট্রেন না পেলে তারা যেন ১১-১২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটেই খারকিভ থেকে বেরিয়ে যান। অরিন্দম বলেন, 'আমরা জানি, সমস্যা রয়েছে। কিন্তু ওখানে যুদ্ধ চলছে। সকলের নিরাপত্তার জন্যই তাদের যেকোনো উপায়ে নিরাপদ এলাকায় পৌঁছতে বলা হয়েছে।'

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের ইঙ্গিত, খারকিভ থেকে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে গেলে, সেখান থেকে রাশিয়ার সেনার সাহায্যেই তাদের ইউক্রেন সীমান্ত পার করিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে আসা যেতে পারে। এর জন্য ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের একটি ছোট দল দেশের পূর্বে, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৌঁছনোর চেষ্টা করছে। উল্টো দিকে মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীরা ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার বেলগর্ড ও কুর্স্ক শহরে পৌঁছে গেছে।

এরই মধ্যে আজ ইউক্রেনে ২২ বছরের ভারতীয় ছাত্র চন্দন জিন্দালের হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পাঞ্জাবের বার্নালার চন্দন ভিনিতসিয়ায় মেডিক্যাল কলেজে পড়তেন। বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি হাসপাতালে আইসিইউ-তেএ ভর্তি ছিলেন। তার বাবা শিশন কুমারও ওখানেই রয়েছেন। তিনি রোমানিয়া হয়ে ছেলের লাশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু করেছেন। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

‘এডিস মশার লাইসেন্স দিচ্ছে বিআরটিএ’- মেয়র আতিক


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৮ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৫৪
‘এডিস মশার লাইসেন্স দিচ্ছে বিআরটিএ’- মেয়র আতিক

ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘মিরপুরের বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) অফিসটি এডিস মশার লার্ভা উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে। অফিসটির ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কোটি কোটি লার্ভা দৃশ্যমান রয়েছে বলেই এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বিআরটিএ যানবাহনের লাইসেন্স দেওয়ার পাশাপাশি এডিস মশার লাইসেন্সও দিচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।’ 

আজ শনিবার মশা নিধনে মিরপুর এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রমে গিয়ে বিআরটিএ-এর পরিবেশ দেখে এসব কথা বলেন তিনি। মেয়র আতিক বলেন, ‘ব্যক্তিগত, সরকারি কিংবা বেসরকারি যেকোনো ভবনেই এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিজেদের বাসাবাড়ি কিংবা অফিস কোথাও যাতে তিনদিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এডিস মশার ঘনত্ব বিবেচনায় ডিএনসিসির ১০, ১১, ১৪, ১৭, ২০ ও ৩৫ নম্বর—এই ৬টি ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মশা নিধনে আজ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। যে বাড়িতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেই বাড়িসহ তার আশপাশে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কার্যকর ওষুধ স্প্রে করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মেয়রের পরিদর্শনকালে বিআরটিএ অফিসের পেছনে সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।  সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক