a বিশ্ব পরিবর্তনে নতুন শক্তির উত্থান: ইরান
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিশ্ব পরিবর্তনে নতুন শক্তির উত্থান: ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:৫১
বিশ্ব পরিবর্তনে নতুন শক্তির উত্থান: ইরান

ফাইল ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, বিশ্বে এক বিরাট পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল বিষয়টি হচ্ছে আমেরিকার মতো বিশ্বের দাম্ভিক শক্তিগুলো আস্তে আস্তে দুর্বল হচ্ছে এবং নতুন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির উত্থান ঘটছে।

সোমবার তেহরানে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এই সমাবেশে সিস্তান ও বেলুচিস্তান এবং দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশের হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, পাশ্চাত্যের দাম্ভিক শক্তিগুলো দুর্বল হচ্ছে। বিশ্বে আমেরিকার কর্তৃত্বের সূচকগুলো নেমে যাচ্ছে। মার্কিন কর্তৃত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর একটি শক্তিশালী মার্কিন অর্থনীতি। এখন তারা নিজেরাই বলছে তাদের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী আরও বলেন, মার্কিন কর্তৃত্বের আরেকটি সূচক হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর হস্তক্ষেপের সুযোগ। এটাও এখন হ্রাস পাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যারা আঘাত হানতে চায় তাদেরকে ঠেকাতে এখন আমেরিকার ব্যয়বহুল হাইব্রিড যুদ্ধ চালাতে হচ্ছে, অবশেষে তাতেও কাজ হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপের অবস্থাও আমেরিকার মতোই, তাদেরও পতন হচ্ছে। বর্তমানে আফ্রিকার জনগণ ফ্রান্সের পুতুল সরকারকে উৎখাত করছে। পাশ্চাত্যের আর সেই আগের শক্তি নেই এবং তারা ক্রমেই দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এটা বিরাট এক বৈশ্বিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূত্র : পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ হিটলারের দেশ জার্মানীতে ঢুকে পড়ে সোভিয়েত বাহিনী


খোরশেদ আলম, সম্পাদক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০২ মে, ২০২৩, ১০:২০
আজ হিটলারের দেশ জার্মানীতে ঢুকে পড়ে সোভিয়েত বাহিনী

ছবি সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে হিটলারের দেশ জার্মানীতে আজ ঢুকে পড়েছিল সোভিয়েত বাহিনী। আজ রাশিয়ার নামে বিশাল দেশটি সোভিয়েত আমলের বিশ্বাল সামাজ্যেরই একাংশ। বর্তমানে এই রাশিয়া তার অস্তিত্ব টেকানোর নামে ইউক্রেনে আক্রমণ করে এবং সীমান্ত ঘেষা ইউক্রেন যেন ন্যাটোতে যোগ না দেয় তার জন্য বিভিন্ন ছলাকলা কৌশল অবলম্বন করা সত্ত্বেও, ইউক্রেন কোনভাবেই রাশিয়ার কথা না শুনলে এবং পশ্চিমামুখী দেশগুলোর সাথে একাট্রা বাধলে গত বছরে ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করে বসে। রাশিয়া তার সীমান্ত ঘেষা ৪টি প্রদেশ দখল করে তা নিজেদের সাথে একীভূত করে ডিক্রি জারি করে।

রাশিয়া মনে করেছিল আক্রমণের মাধ্যমে অল্প সময়ে তারা ইউক্রেনকে বাগে আনতে পারবে। কিন্তু ন্যাটো নামে যে বিশাল সংগঠন সে সংগঠনের অন্যতম শক্তি জার্মানী সব সময় ইউক্রেনকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করে আসছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝাল মেটানোর জন্য রাশিয়াকে পর্যদুস্ত করতে ক্ষেত্র বিশেষে আমেরিকার, যুক্তরাজ্যের চেয়েও বেশি সহযোগিতা করছে ইউক্রেনকে। তাদের একটাই চাওয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে জিতিয়ে নেওয়া।

পৃথিবীর অনেক মানুষ অনেক ইতিহাস ভুলে গেলেও জার্মানী তাদের স্থায়ীভাবে দাগাঙ্কিত কালিমা আজও মলিন হয়নি বলেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাতে এবং ইউক্রেণকে যে কোন মূল্যে জিতিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া।

সোভিয়েত বাহিনীর নিকট জার্মানীর পরাজয়ের ইতিহাসের সেই দিনটি আজ ২ মে। উল্লেখযোগ্য কী ঘটনা ঘটেছিল আজকের এই দিনে তা জানার চেষ্টা করবো। সময়টা ১৯৪৫ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ একেবারে শেষের দিকে। জার্মানি-ইতালি-জাপানের সম্মিলিত শক্তিও চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। সেই ১৯৪৫ সালে এ দিনে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ঢুকে পড়ে সোভিয়েত রেড আর্মি। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশাল বাহিনীর মুখে আনুষ্ঠানিকভাবে পতন ঘটে জার্মানির একনায়ক অ্যাডলফ হিটলারের। আজও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সোভিয়েত বাহিনী যদি তৎকালীন সময়ে বার্লিনে না ঢুকতো, তাহলে জার্মানী তথা হিটলারের পতন সেভাবে নাও ঘটতে পারতো।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার একক পরাশক্তির আত্বপ্রকাশ বিশ্ববাসী দেখে আসছে, হয়তোবা তারও পরিবর্তন সামনের দিনগুলোতে লক্ষ্য করবো ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ পরবর্তীতে। আমরা আশা করবো, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয় যেন শান্তি আলোচনার মাধ্যমে অর্থাৎ হিরোশিমা এবং নাগাসাকির মতো কোন বড় ধরণের পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার না করে।


মোহা. খোরশেদ আলম
মহাসচিব
হিউম্যানরাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভোলপমেন্ট সোসাইটি(হিডস)

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জুমার দিনের ফজিলত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ১০:৫৮
জুমার দিনের ফজিলত

সংগৃহীত ছবি

 

শুক্রবার জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সেরা দিন। পবিত্র কোরআন শরিফে জুমা নামে একটি সূরাও আছে। এইদিনে মহান আল্লাহতায়ালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন।

আদি পিতা হজরত আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.)-কে এই দিনেই জান্নাতে একত্র করেছিলেন এবং এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন বলা হয়।

জুমার নামাজের সূচনাঃ
জুমার নামাজ ফরজ হয় প্রথম হিজরিতে। রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরতকালে কুবাতে অবস্থান শেষে শুক্রবার দিনে মদিনা পৌঁছেন এবং বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছে জোহরের ওয়াক্ত হলে সেখানেই তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন। এটাই ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ।

হিজরতের পরে জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে নবুওয়তের দ্বাদশ বর্ষে মদিনায় নাকীউল খাজিমাতে হজরত আসআদ বিন যুরারাহ (রা.)-এর ইমামতিতে সম্মিলিতভাবে শুক্রবারে দুই রাকাত নামাজ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে সেটা ছিল নফল নামাজ।

জুমার দিনের ফজিলতঃ
সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে জুমার দিনের ফজিলত অনেক বেশি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন – জুমার দিনে ফেরেশতাগণ বিশেষ রেজিস্টার নিয়ে মসজিদের প্রতিটি দরজায় দাঁড়িয়ে যান। তাঁরা মসজিদে আগমনকারী মুসল্লিদের নাম পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করতে থাকেন। অতঃপর যখন ইমাম সাহেব এসে যান, তখন তারা রেজিস্টার বন্ধ করে খুতবা শুনতে থাকেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক