a
ফাইল ছবি
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র আঁকা সেই সুইডিশ কার্টুনিস্ট লার্স ভিকস সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। সিভিলিয়ান পুলিশের একটি গাড়িতে সফর করার সময় সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্কারিড শহরের কাছে একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দু’জন পুলিশ অফিসারও নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ট্রাকচালক। খবর বিবিসি অনলাইনের।
রবিবারের ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে ডাগেন্স নাইহেটার খবরের কাগজ জানিয়েছে, লার্স ভিকসের পার্টনার তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা পরিষ্কার নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এতে কেউ ইচ্ছাকৃত জড়িত নয়।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে সে মহানবী (স.)-এর যে ব্যাঙ্গবিত্র এঁকেছিল, তা এক বছর পর ডেনমার্কের একটি খবরের কাগজ প্রকাশ করে।
মহানবী (স.)-এর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকার পর সারা বিশ্ব থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানান মুসলিম উম্মাহ। তখন থেকেই পুলিশি নিরাপত্তায় চলাচল করতো ৭৫ বছর বয়সী লার্স ভিকস।
ফাইল ছবি
রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র রুশভীতি ষড়যন্ত্র জারি রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পূর্বের সুপারপাওয়ার ধরে রাখার সক্ষমতা রাশিয়ার আছে।
দিমিত্রি মেদভেদেভ ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিরক্তিকর ‘রুশভীতি’ পুঞ্জীভূত করে রেখেছে। রাশিয়া যেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়, এজন্য তারা এমনভাব করছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সেই আশা কখনো পূরণ হবে না। শত্রুকে জায়গামতো রাখার শক্তি রাশিয়ার আছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার নেতা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়াকে ‘বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্নের হুঁশিয়ারি দিয়েছে’।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, পশ্চিমাদের সঙ্গে মস্কোর কূটনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজন নেই। মেদভেদেভ আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঠিক করে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনে মস্কো আক্রমণ চালিয়ে যাবে। সূত্র: রয়টার্স
ফাইল ছবি
প্যারোলে মুক্তি পাওয়া ছেলেকে মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাজির করা সংবিধান ও মৌলিক মানবাধিকার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। পাশাপাশি এ ঘটনার নিন্দাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়- আলী আজমের মা সাহেরা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান। শেষবার মায়ের লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে আইনজীবীর মাধ্যমে ১৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন আলী আজম। ২০ ডিসেম্বর তিন ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি তার মায়ের জানাজায় উপস্থিত থাকার সুযোগ পান। প্যারোলের পুরোটা সময় হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় ছিলেন তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জানাজা পড়ানোর সময় তার হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি খুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তা খুলে দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিশন মনে করে, ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার পরও একজন বন্দিকে মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে নিয়ে যাওয়া শুধু অমানবিকই নয় বরং বাংলাদেশের সংবিধান ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থি। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বা দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানসিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, পাশাপাশি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ডান্ডাবেড়ি পরানো বিষয়ক উচ্চ আদালতের যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটা এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়নি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনসহ যথাযথ নজরদারিসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া সমীচীন ছিল। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণে যত্নবান হতে হবে। সূত্র: যুগান্তর