a ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বিকল হয়ে গেছে
ঢাকা রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বিকল হয়ে গেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২২, ০৭:০২
ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বিকল হয়ে গেছে

ফাইল ছবি: রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস

যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়ার পথে বিকল হয়ে গেছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ হিসেবে খ্যাত রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস। সোমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তিন বিলিয়ন পাউন্ডের যুদ্ধজাহাজটি পোর্টসমাউথ থেকে ‘ল্যান্ডমার্ক’ এভিয়েশন ট্রায়াল মিশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। যাত্রার একদিন পর বিকল হয়ে যায় রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস।

রয়্যাল নেভির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধজাহাজটি আইল অব উইটের কাছে দক্ষিণ উপকূল অনুশীলন এলাকায় রয়ে গেছে। কারণ রয়্যাল নেভি ‘হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি তদন্ত’ করছে। পূর্বের প্রযুক্তিগত সমস্যাটি যান্ত্রিক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি।

ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ও ন্যাটোর ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসের এর আগেও কয়েকবার সমস্যায় পতিত হওয়ার ইতিহাস আছে। এর আগে ২০২০ সালের শেষের দিকে পোর্টসমাউথের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকে বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে বিকল হয়ে পড়ে জাহাজটি। সূত্র: বিবিসি/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা হলে তেল আবিব ও হাইফা গুঁড়িয়ে দেয়া হবে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০৭ মার্চ, ২০২১, ১০:১৭
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা হলে তেল আবিব ও হাইফা গুঁড়িয়ে দেয়া হবে

ফাইল ফটো:ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় সম্ভাব্য সামরিক হামলার জন্য তেল আবিব তার পরিকল্পনা হালনাগাদ করছে বলে ইসরায়েলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ যে মন্তব্য করেছেন তার কড়া হুঁশিয়ারী দিয়েছে তেহরান। 

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, দখলদার ইসরায়েলের শাসক গোষ্ঠী ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো চিন্তা করলে তেল আবিব এবং হাইফা শহরকে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে।

জেনারেল হাতামি আজ রবিবার ইসরায়েলকে উদ্দেশ্যে বলেন, মাঝেমাঝে তারা এমন কিছু বলে যা বাস্তবায়ন করা তাদের জন্য কঠিন এবং এসব হুমকি ধামকির মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে তারা চরম হতাশাগ্রস্ত। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনি অনেক বছর আগে ইহুদিবাদীদের সমুচিত জবাব দিয়েছিলেন। 

তিনি বলেছিলেন ইসলায়েল আমাদের প্রধান শত্রু  নয় এমনকি ইরানের সঙ্গে শত্রুতা বজায় রাখার নূন্যতম যোগ্যতাও তাদের নেই। ইহুদিবাদী শাষক গোষ্ঠীর ভালো করেই জানা আছে এবং তারা যদি না জেনে থাকে তাহলে তাদের জেনে রাখা উচিত, যে তারা সামান্যতম ভুল করলে ইরান তেল আবিব এবং হাইফা শহর মাটির সঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়ার সক্ষমতা রাখে। 

জেনারেল হাতামি আরও বলেন, ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়কের আদেশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে এবং এটি একটি নীলকশায় রূপান্তরিত হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতার সামান্য ইঙ্গিতেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আমি তাদের উপদেশ দেবো, তারা যেনো কখনই এ ধরণের ভুল না করে।

ইরান তার পরমাণু কর্মসূচী বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নিয়ে গেলে ইসরায়েল তাতে হামলা চালাবে বলে বেনি গান্তজ হুমকি দেয়ার পর জেনারেল হাতামি এসব মন্তব্য করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম

সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!


সাইফুল, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ১০:৩৯
সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা: রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার পলাতক আসামি সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সিআইডি তদন্তে উঠে এসেছে তার নেতৃত্বাধীন একটি সুপরিকল্পিত প্রতারক চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সিআইডি সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত সাইফুর রহমান সুইটের প্রকৃত নাম মীর হাবিবুর রহমান। তার পিতার নাম মীর আঃ শুকুর ও মাতার নাম মোসা হাসিনা বেগম। স্থায়ী ঠিকানা যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা, মীরপাড়া। এসএসসি রোল নম্বর ৫৮৮১৩৩, রেজি নম্বর ২৩০৮৭০, সেশন ১৯৯৫-৯৬, জন্ম তারিখ ৩১-০১-১৯৮০, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরতজান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোর বোর্ড। তদন্তে জানা যায়, সাইফুর রহমান সুইট দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় গোপন করে নানা ছদ্মনামে প্রতারণা চালিয়ে আসছেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে তৈরি করেছেন নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র (নং: ১৯৭৯২৬৯২৫১৬০২৪২৬৭) এবং পাসপোর্ট (নং: J0070312), যেখানে তার জন্মতারিখ দেখানো হয়েছে ০৫/১০/১৯৭৯। তার স্ত্রী পারভিন সুলতানা রোজির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সাজিয়া খাতুন।

প্রতারণার বিস্তৃত চিত্র: সাইফুর রহমান ও তার চক্র ভুয়া কোম্পানি, জাল দলিল ও ভূয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীদের থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাৎ করার তথ্য নিশ্চিত করেছে ডিবি। এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে ১৩ তলা ভবনের মালিকানা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিস্তিতে কয়েক কোটি টাকা নেওয়া হয়, কিন্তু পরে কোনো ভবন তো দেয়াই হয়নি বরং হুমকি দিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন থানায় সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

ব্যাংক লোন জালিয়াতি: ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, মীর হাবিবুর রহমান সুইট ছদ্মনামে “মীর ট্রেডিং কর্পোরেশন” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফারমাস ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) মাওনা শাখা থেকে ২০১৬ সালে ১৩ কোটি টাকা লোন নেন। তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ফারমাস ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল চিশতির সঙ্গে। তার স্ত্রীর নামে আইকন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোন পাশ করান। ২০১৬ সালে লুব কেয়ার বিডি লিমিটেড নামে তিন জন পার্টনার শীপে একটি কোম্পানী করে, উক্ত কোম্পানীর ব্যাংক সিসি অ্যাকাউন্ট থেকে পার্টনারদের সইকৃত চেক চুরি করে নিয়ে ৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে জানা যায় কোম্পানি করার সময় যে এনআইডি (NID) ব্যবহার করেছে তা সম্পূর্ণরূপে ভুয়া। এতে করে পার্টনার ও ব্যাংকের সাথে প্রতারণা করে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে বাবুল চিশতির ছত্রছায়ায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ পাশ করিয়ে একটি বিশাল লোন বাণিজ্যের চক্র গড়ে তোলেন। এই ঋণ জালিয়াতির ফলেই ফারমাস ব্যাংক আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল বাবুল চিশতি গ্রেফতার হন। এরপর ডিবিসি নিউজে স্ক্রলিংয়ে সাইফুর রহমান সুইট ও তার পরিবারের বিদেশ যাত্রা নিষিদ্ধের খবর প্রকাশ হলে, তিনি তেজগাঁওয়ের গুলশান লিংক রোডের “লুব কেয়ার বিডি লিঃ”-এর অফিস থেকে যাবতীয় কাগজপত্র সরিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান এবং পার্টনারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। সাইফুর রহমান সুইট তার নাম এবং স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া লোনের অর্থ মালয়েশিয়ায় পাচার করে সেখানে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় পলাতক রয়েছেন। এইসব প্রতারণার সাথে তার ছোট ভাই হাফিজুর রহমান (বাদল) জড়িত। অনেক যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় তারপরও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে সে পলাতক।

 পদ্মা ব্যাংকের দায়ের করা মামলার বিস্তারিতঃ
অর্থঋণ মোকদ্দমা নং: ০৩/২০২০ (গাজীপুর ঋণ আদালত-১)
আইকন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা নং: ৩১/২০২১
মোট ঋণ খেলাপির পরিমাণ: প্রায় ২৪ কোটি টাকা
ডিবি'র মন্তব্য: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার বলেন, সাইফুর রহমান একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের অন্যতম হোতা। আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। বহু মানুষ এই চক্রের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে।

এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাইফুর রহমান সুইটকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এই জালিয়াত চক্রের সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক