a
ফাইল ছবি
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে হলে উপনির্বাচনে জিতে আসতেই হতো মমতা ব্যানার্জীকে। তৃণমূল কংগ্রেস তার জয় নিয়ে একরকম নিশ্চিতই ছিল। তবে শুধু জয় নয়, বেশ বড় ব্যবধানে জিতে এসেছেন ভারতের আলোচিত এ রাজনীতিবিদ।
২০ রাউন্ড গণনা শেষে দেখা গেছে, ভবানীপুরে আয়োজিত উপনির্বাচনে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল পেয়েছেন মাত্র ২৫ হাজার ৪৮০ ভোট। মমতা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬৮ ভোট। ২০ রাউন্ডে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫৬ হাজার ৫৮৮।
বিজয়ী প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশন উদযাপন না করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধেও পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
ফাইল ছবি
পাঁচ মাসে গড়িয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। এসময়ের মধ্যে একাধিক ইউক্রেনীয় শহর দখল করেছে রুশ বাহিনী। সবশেষ সেভেরোদোনেটস্কের পতন ঘটলো। শহরের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক দাবি করেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এই শহরটি রুশ সেনারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। খবর আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের মারিউপোলের পর এবার আরেকটি শহর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় ভূমি সংঘাতের কারণে শনিবারও ইউক্রেনের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ অংশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সেভেরোদোনেটস্কে এক সময় এক লাখের বেশি মানুষ বসবাস ছিল। সেটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত মাসে মারিউপোল বন্দর দখল করার পর থেকে এই শহর দখলে মস্কোর সবচেয়ে বড় বিজয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে সেভেরোদোনেটস্কের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক বলেন, শহরটি এখন রাশিয়ার দখলে। তারা এখন সেখানে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে। সেভেরোদোনেস্কে কর্তৃপক্ষও নিয়োগ দিয়েছে রাশিয়া।
লুহানস্ক ও দোনেস্ক এই দুই মিলে ডনবাস। লুহানস্কে অবস্থিত সেভেরোদোনেস্ক শহরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছিল। শহরটি দখলে নিতে সর্বশক্তি নিয়ে হামলা চালায় রাশিয়া।
ডনবাসের নিয়ন্ত্রণ মস্কোর জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ফলে ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে করিডর তৈরি করা সম্ভব হবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
আলোচিত বক্তা মুফতি আমির হামজাকে আটক করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল। সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হামজাকে আটক করা হয় বলে জানানো হয়।
মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের রিয়াজ সর্দারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এর আগে, আমির হামজার স্ত্রী তামান্না সুলতানা গণমাধ্যমকে অভিযোগ করে বলেন, সাদাপোশাকে ছয়–সাতজন মানুষ এসে হাতকড়া পরিয়ে হুজুরকে (আমির হামজা) নিয়ে যায়। এ সময় তাদের একজনের কাছে রাইফেল ছিল।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপনার মতো আরেকজন সাংবাদিকও একই খোঁজ নিয়েছে। এ ব্যাপারে কোনো তথ্য নাই। পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আমির হামজার স্ত্রীর ভাষ্যমতে, গতকাল রোববার তাঁরা পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি ডাবিরাভিটা যান। আজ দুপুরের খাবার খেয়ে বাড়িতেই শুয়ে ছিলেন তাঁর স্বামী আমির হামজা। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ একটি কালো মাইক্রোবাস বাড়ির সামনে আসে। ছয়–সাতজন নেমে ঘরের ভেতরে যায়। একপর্যায়ে হুজুরকে ডাকতে বলে এবং তাদের সঙ্গে যেতে বলে। তিনি বের হলে তাঁর হাতে একজন হাতকড়া পরিয়ে ফেলে।
তামান্না সুলতানা আরও বলেন, ‘প্রত্যেকের শরীরে পাঞ্জাবি ও পাজামা পরা ছিল। তবে হাতকড়া পরানোর সময় কয়েকজন কালো কটি পরে। তাদের মধ্যে একজনের হাতে রাইফেল ছিল। ১০ মিনিটের মধ্যে তারা কালো গাড়িতে (হাইয়েস) করে দ্রুত চলে যায়। এরপর শহরের কয়েক জায়গায় যোগাযোগ করে এখনো তার কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।’
বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে আমির হামজার দেওয়া বক্তব্য ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়। সূত্র: প্রথম আলো