a মমতা বিপুল ভোটে জিতলেন
ঢাকা শুক্রবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মমতা বিপুল ভোটে জিতলেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০৩
মমতা বিপুল ভোটে জিতলেন

ফাইল ছবি

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে হলে উপনির্বাচনে জিতে আসতেই হতো মমতা ব্যানার্জীকে। তৃণমূল কংগ্রেস তার জয় নিয়ে একরকম নিশ্চিতই ছিল। তবে শুধু জয় নয়, বেশ বড় ব্যবধানে জিতে এসেছেন ভারতের আলোচিত এ রাজনীতিবিদ।

২০ রাউন্ড গণনা শেষে দেখা গেছে, ভবানীপুরে আয়োজিত উপনির্বাচনে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী  বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল পেয়েছেন মাত্র ২৫ হাজার ৪৮০ ভোট। মমতা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬৮ ভোট। ২০ রাউন্ডে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫৬ হাজার ৫৮৮। 

বিজয়ী প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশন উদযাপন না করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধেও পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ন্যাটো’র পূর্ব ইউরোপে সম্প্রসারণে প্রধান ধাক্কা পেল নরওয়ে থেকে


খোরশেদ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২, ১২:৫১
ন্যাটো’র পূর্ব ইউরোপে সম্প্রসারণে প্রধান ধাক্কা পেল নরওয়ে থেকে

ফাইল ছবি

নরওয়েতে ন্যাটোর আর কোনো ঘাঁটি নির্মাণ করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোয়েরে। তাই পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণে প্রধান ধাক্কা এলো ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ নরওয়ে থেকে।

পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে যখন রাশিয়ার সাথে এই সামরিক জোটের উত্তেজনা চলছে তখনি এ খবর এলো। এতে আমেরিকা ও ন্যাটোর জন্য এটি অশনিসংকেত! ভবিষ্যতে আরো কোন কোন দেশ নরওয়ের পথে হাটবে, তা এই মূহুর্তে বলা যাচ্ছেনা। কারণ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর উপর বর্তমানে যেভাবে যোগাযোগ রাখছে অতীতে সেরকম যোগাযোগ রাখেননি।

বর্তমানে বেশি আমেরিকার প্রীতি হওয়ার কারণে ইউক্রেণের পরিণতি যেন না হয় সে পথেই হাটার চেষ্টা করবে অন্য দেশগুলো। সেক্ষেত্রে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করাটাই তাদের বেশি নিরাপদ। তাছাড়া রাশিয়ার সাথে লাগোয়া দেশগুলো রাশিয়াকে চটাতে চাননা। বিশ্বের রাজনীতি পরিবর্তনে শুধু আমেরিকা নির্ভর না থেকে বর্তমানে অনেক দেশ নিজেদের কূট-কৌশলে সবার সাথে সহাবস্থানে থাকার কৌশল অবলম্বন করছে। ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অনেক দেশে পূর্বাপর ধারাবাহিকতার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ব্রাসেলসে গতকাল বৃহস্পতিবার ন্যাটোর বৈঠকে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেদেশে ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতি জোরদারের পক্ষে নন তার সরকার। এই নীতিতে পরিবর্তন আসবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।

ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ নরওয়ের সাথে রাশিয়ার সীমান্ত রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের আগেও দেশটিতে কখনোই রুশ সীমান্তের কাছে ন্যাটোকে সামরিক মহড়া চালানোর অনুমতি দেয়নি।

রাশিয়া প্রথম থেকেই পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণের বিরোধিতা করে আসছে। কিন্তু ইউক্রেন সেসব বিষয়ে আমলে নেয়নি কখনো। তাই রাশিয়া এই ইস্যুতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।

রাশিয়া প্রথম থেকেই বলছে, ন্যাটোর পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। কিন্তু ন্যাটো বা আমেরিকা কখনো এসব বিষয় তোয়াক্কা করেনি।

বর্তমানে ন্যাটোকে শক্তিশালী ও অটুট রাখতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেন যেভাবে দৌড়াদৌড়ি করছেন, অতীতে তা লক্ষ্য করা যায়নি। তাই নিজেদের নিরাপদ রাখতেই নরওয়ের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের অনেক দেশকে উৎসাহিত করবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

 

কলাম লেখক: খোরশেদ আলম

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে তাড়া করার দাবি রাশিয়ার


আন্তর্জাতিক সংবাদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৩৭
মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে তাড়া করার দাবি রাশিয়ার

ফাইল ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার অভিযোগ, জাপান সাগরে তাদের জলসীমা অতিক্রম করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। চীন ও রাশিয়ার যৌথ সেনা মহড়ার সময়ই এই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রাশিয়া দাবি করে, জলসীমা অতিক্রম করে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভিতরে ঢুকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের বার বার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় ফিরে যেতে। কিন্তু মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি এরপরও এলাকা ছাড়েনি। তখন রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ সেটির পিছু নেয়। শেষে মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি নিজের অভিমুখ বদলে রুশদের এলাকা ত্যাগ করে অন্যদিকে চলে যায়।

এদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর তরফে রাশিয়ার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে আমেরিকার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তারা জাপান সাগরে রুটিন টহল দিচ্ছিল। সেই সময় চাফি নামের ওই যুদ্ধজাহাজটিকে দেখেই রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজটি সেদিকে এগিয়ে আসে।

এমনকি, সেটি মার্কিন জাহাজটির ৬৫ গজের মধ্যে চলে এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও সমস্যা হয়নি।

একথা জানিয়ে আমেরিকার তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জারি করা বিবৃতি ভিত্তিহীন। দুই যুদ্ধজাহাজের মধ্যে কোনও টক্কর হয়নি। আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সর্বদা আকাশপথে, জলপথে সর্বত্র বিচরণ করে থাকে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর আরও তিক্ত হয়েছে আমেরিকা ও রাশিয়ার সম্পর্ক। আবারও তুঙ্গে উঠেছে দুই মহাশক্তির ঠান্ডা লড়াই। একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলতে দেখা গেছে দুটি দেশকে।

রাশিয়ার সাইবার হানার বিরুদ্ধে সর্বদায় সরব মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে নাক গলানো ও তার দেশে সাইবার হামলাসহ একাধিক শত্রুতাপূর্ণ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে রাশিয়ার উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। অপরদিকে পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা দেখা গেছে রাশিয়াকেও। সূত্র- জাপান টাইমস।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক